Saturday, August 9, 2014

আজকের উপলব্ধিতে বাংলাদেশ (৩/৬/১৪)




1.সীমান্তের বনে সাত বাংকার, বিপুল লঞ্চার - মর্টার উদ্ধার
Over 100 rocket shells and chargers recovered in Habiganj forest

এ বছর ঘোষিত দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা রায়ে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলো এবং চরমপন্থার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের যে কঠোর অবস্থান ছিল, সব ধরণের চরমপন্থা (extremism and terrorism) এবং জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সবসময় কঠোর অবস্থান থাকবে।  

রাব সদস্যদের অভিনন্দন!
এসব লঞ্চার - মর্টার, বাংকারের হোতাদের খুঁজে বের করা হবে।

2.BSF kills Bangladeshi on Jhenidah frontier

We condemn this spiteful act of Indian Border Security Force (BSF).
We encourage the Indian Government to look into this matter.
We draw attention of the International Community to investigate Human Rights Violations by BSF in the Bangladesh-Indian border.

পূর্বের প্রতিবাদ: বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশী হত্যা-নির্যাতনের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাই

3."মাদকমুক্ত বাংলাদেশ" গড়ার পথে অগ্রগতি

সাভারে ২ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক (banglanews24.com)
ফেনীতে ফেন্সিডিলসহ বিপুল পরিমাণ মাদক ধ্বংস (banglanews24.com)
সাতক্ষীরায় দুই মাদক বিক্রেতার কারাদণ্ড (banglanews24.com)
বাড্ডায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার (banglanews24.com)

4."দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ" গড়ার পথে অগ্রগতি

নাসির গ্রুপের অর্থপাচারের "তথ্য - প্রমাণ" দুদকে (banglanews24.com)

5.নূর হোসেনের অপরাধ সাম্রাজ্য বন্ধে অগ্রগতি

নৌ-পথে নূর হোসেনের চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রক রিপন গ্রেপ্তার (banglanews24.com)

6.গনতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জনগণের প্রতিনিধিরা দেশ শাসন করেন এবং জনগণের তাতে সরাসরি অংশগ্রহণ থাকে সীমিত। কিন্তু আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে বর্তমানে জনগণের সরকারে সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে।
যেমন সরকার চাইলে গুরুত্বপূর্ণ সীদ্ধান্ত নিতে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে স্বল্প খরচে জনগণের মতামত নিতে পারে।
আবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কারণে এখন তথ্য গোপন রাখাও কঠিন। যে কেউ গোপনীয় তথ্য জেনে ওয়েবের মাধ্যমে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে পারে। কাজেই সরকারগুলো হবে স্বচ্ছ (Transparent)।
কাজেই একবিংশ শতাব্দীতে এসে গণতন্ত্রের মূল যে আদর্শ - তা প্রতিষ্ঠার সুযোগ এসেছে।
এর একটা নাম রয়েছে - Open Government.

নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে বাংলাদেশে 21st centuryর উপযোগী নতুন গণতান্ত্রিক কাঠামো প্রতিষ্ঠিত করবে - যেখানে সরকারে সরাসরি জনগণের অংশগ্রহণ থাকবে। 

বাংলাদেশে জনগণের ক্ষমতা অধিষ্ঠিত হবে।

7.প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষাবিদদের সাথে বসছেন নাহিদ (kalerkantho.com)

8.আমাদের দেশের রাজনীতিবিদরা পত্র - পত্রিকা, টিভি চ্যানেলসহ সব ধরণের মিডিয়ার শেয়ারের মালিক। মিডিয়াতে কথা বলেনও নেতারাই। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
গুজব ছড়ানো এবং জনগণের মনে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা খুবই সহজ।
রাজনীতিবিদরা শুধু মিডিয়া না, দেশের প্রায় সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করেন।  
কাজেই দিনকে রাত এবং রাতকে দিন হিসেবে দেখানোর ক্ষমতা তাদের আছে।

জনগণের প্রতি আহ্বান: 
পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত সব খবর সত্য বলে ধরে নেবেন না এবং শুধুমাত্র পত্রপত্রিকার গুজবের উপর ভিত্তি করে উপসংহার টানবেন না।
কেউ অর্থের প্রতি লোভ নেই তা বোঝাতে নিজেকে স্বচ্ছল পরিবারের সন্তান হিসেবে দাবি করলে করলে পর দিন দেখা যাচ্ছে পত্রিকায় বানোয়াট খবর প্রকাশিত হচ্ছে - তার ব্যাংক আকাউন্টে কোটি কোটি টাকা আছে।
যে চেয়ারম্যান শামীম ওসমানের পক্ষ নেন, তার প্রকৃত অবস্থান, দুরভিসন্ধি নিয়ে কারও সন্দেহ থাকার কথা না। তার ৬ কোটি টাকার গল্প নিয়ে এতটা বাড়াবাড়ি করা কি উচিত হবে?
সুষ্ঠু তদন্তের আগেই বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো - এটা কি ধরণের বিচার? সুষ্ঠু বিচারের চেয়েও কলঙ্ক স্থাপনই যেখানে মুখ্য।

যিনি কখনও ঋণই নেননি, তার বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপির অভিযোগ এরা আনতে পারে। (দিনকে রাত, রাতকে দিন হিসেবে দেখানো)
গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকারের নাম দিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে নানারকম "বানোয়াট আগ্রাসী" বক্তব্য পত্রিকায় প্রকাশ করতে পারে। এর আগে কিছু সন্ত্রাসীদের দিয়ে
নিজেরা নিজেদের গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে ঘোষণা করিয়েছে এবং কিছু ব্লগারকে ব্যবহার করে গণজাগরণ মঞ্চকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করেছে।

যাদের বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে - তাদের পরিবার, তাদের বাবামা, স্ত্রী, ভাইবোনদের কথা ভাবুন।

একবার কল্পনা করুন - হঠাৎ করে আপনাকে অর্থের বিনিময়ে খুন করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার চেয়েও বড় কথা  - পত্রপত্রিকার মাধ্যমে সারা দেশে আলোড়ন সৃষ্টি করা হয়েছে। আপনি যে
প্রতিষ্ঠানের সদস্য সেই প্রতিষ্ঠানটিকে সবার কাছে ছোট করা হচ্ছে।
আপনার পরিবারও সবার কাছে ছোট হচ্ছে।  

ধৈর্য ধরুন; সত্য উদ্ঘাটিত হবেই।

[
১৯/৫/১৪ তারিখের পোস্ট:

দেশবাসীর প্রতি অনুরোধঃ
রাবের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে ৭ খুনের সাথে (প্রকৃত অপরাধীদের থেকে দৃষ্টি অন্যদিকে ফেরাতে) এবং
অন্যান্য উদ্দেশ্যপূর্ণ অপপ্রচার, মিথ্যা বানোয়াট কাহিনী, গুজবগুলোতে কান দেবেন না।

ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় দেশের অপরাধী রাজনীতিবিদদের সবাই রুখে দাঁড়াচ্ছে - এটা দুষ্কৃতিকারীদের পছন্দ হওয়ার কথা না।  
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটির ওয়েবসাইটে অপর একটি বাহিনী সম্পর্কে অপপ্রচার - দুষ্কৃতিকারীদের নিচু মানসিকতার পরিচয় বহন করে।
দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর মাঝে দূরত্ব সৃষ্টিকারী এসব দুষ্কৃতিকারী ষড়যন্ত্রকারী দেশ ও জনগণের শত্রু।

আমাদের দেশে রাজনীতিবিদরা প্রিন্ট মিডিয়া এবং টিভি চ্যানেলগুলোর শেয়ারের মালিক। মিডিয়াতে কথা বলেনও নেতারাই। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
গুজব ছড়ানো এবং জনগণের মনে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা খুবই সহজ।

রাব সদস্যদের মানসিক অবস্থা - কল্পনা করে দেখুন।
দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে প্রকৃত সত্য সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়ে শুধুমাত্র গুজবের উপর ভিত্তি করে রাবের বিরুদ্ধে আপত্তিকর কিছু লিখবেন না।
ধৈর্য ধরুন। প্রকৃত সত্য উদ্ঘটিত হবে।  
সত্যের জয় হবেই।

২৪/৫/১৪ তারিখের পোস্ট:

1.অভিনব কায়দায় শামীম ওসমানকে ফাঁসানো হচ্ছে: শহীদ চেয়ারম্যান (priyo.com)

এর আগে শহীদ চেয়ারম্যান রাবকে জড়িয়ে গল্প কাহিনী শুনিয়েছেন এবং দুষ্কৃতিকারীরা সেই গল্প কাহিনী সারা দেশে ছড়িয়েছেন। এবার তিনি শামীম ওসমানের পক্ষ নিলেন।

বাংলাদেশের মানুষ সময় হলে সত্য ঠিকই জানবে।
শুধুমাত্র গুজব দিয়ে কতটা তোলপাড় করা যায় - তাও জানবে।
(বিশেষ সময়ে চাঁদে দেশের কোন কোন নেতার মুখ দেখা যায়! কাবা শরীফের গেলাপ নিয়ে যারা মিথ্যা কাহিনী বানায়, মিথ্যা ছবি বানিয়ে পত্রিকায় প্রকাশ করে
তাদের অন্যকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আস্তিক বা নাস্তিক আখ্যা দেওয়ার কোন অধিকার নেই।)  
(রেফরেন্স: গণজাগরণ বনাম হেফাজত নয়, গণজাগরণ এবং হেফাজত)

এসব গুজব ছড়ানো ব্যক্তিরাই বিচারের মুখোমুখি হবে।

ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় দেশের অপরাধী রাজনীতিবিদদের সবাই রুখে দাঁড়াচ্ছে - এটা দুষ্কৃতিকারীদের পছন্দ হওয়ার কথা না।
প্রকৃতপক্ষে দুর্বৃত্তরা এখন নিঃসঙ্গ এবং ক্ষমতাহীন হয়ে পড়েছেন।
বাংলাদেশে জনগণের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।

2.রাবকে জড়িয়ে যেভাবে ৬ কোটি টাকার গল্প কাহিনী ছড়ানো হয়েছে - দুর্বৃত্তরা একইভাবে ফেনীর একরাম হত্যা নিয়ে
৩ কোটি টাকার কাহিনী বানিয়েছেন এবং মিডিয়ার মাধ্যমে ছড়াচ্ছেন।
এবার দুর্বৃত্তদের লক্ষ্য বাকি সবাই গ্রেপ্তার হলেও সাংসদ নিজাম উদ্দিন হাজারীকে রক্ষা করা।

(দুর্বৃত্তরা একই ধরণের কাহিনী বারবার বানালে তো জনগণ ধরে ফেলবে!)

দুর্বৃত্তরা গুজব রটিয়ে ফেনীতে ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টহীন একজন বিএনপি নেতাকে ফাঁসিয়েছেন এবং পত্রপত্রিকায় তাকে অপরাধী হিসেবে প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন -
ঠিক যেভাবে নারায়ণগঞ্জে রাবের ক্ষেত্রে ঘটিয়েছেন।  

Ultimately, সত্যের জয় হবেই।
]

9.বাংলাদেশের অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়নরত আছেন।
আমরা চাই পড়াশোনা শেষ করে তারা দেশে ফিরে আসবেন এবং স্বপ্নের আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করবেন।
আমরা দেশে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তুলবো। এই কর্মযজ্ঞে দেশের মেধাবী মানুষরাই নেতৃত্ব দেবেন।
দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার - কর্মী, পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ, উন্নত অবকাঠামো গড়ে তুলে বিশ্বের সেরা ব্র্যান্ডগুলোকে আমরা বাংলাদেশে নিয়ে আসবো।

প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়নরত বাংলাদেশী ছাত্রছাত্রীদের
"নাগরিক ছাত্র শক্তি"তে যোগ দেয়ার এবং এর মাধ্যমে দেশের সাথে একটা যোগসূত্র তৈরির আহ্বান জানাবো।
   
নাগরিক শক্তি শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দল নয়, জনকল্যাণ এবং দেশ গঠনের প্ল্যাটফর্মও বটে।

10.বাংলাদেশের বিশাল জনসংখ্যা হতে পারে সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ।

আমাদের জনসংখ্যায় রয়েছে তারুণ্যের আধিক্য। দেশের ৫০ ভাগ মানুষের বয়স ২৩ বা তার কম।
এই বিশাল অল্পবয়স্ক জনগোষ্ঠীকে সম্পদে পরিণত করতে উন্নত শিক্ষায় শিক্ষিত করার উদ্যোগ নিতে হবে।  
জনসংখ্যায় অল্পবয়স্ক জনগোষ্ঠীর আধিক্য বিবেচনা করে আমাদের বাজেটে শিক্ষায় বরাদ্দ অনেক বেশি থাকা উচিত।

প্রকৃত চিত্র দেখলে, আমরা দেশে দুর্নীতি এবং অদক্ষতার ব্যাপকতা দেখি।
বাজেটে বরাদ্দের কতটুকু উন্নয়নে ব্যয় হয় আর কতটুকু দুর্নীতি - লুটপাট হয় - তা নিয়ে গবেষণা হওয়া উচিত।
আমাদের সরকারগুলোর পরিকল্পনায় ভিশন নেই, বাস্তবায়নে আন্তরিকতা বা দক্ষতা কোনটাই নেই।  
কয়েকটি মন্ত্রণালয় সচিবালয় সম্মিলিতভাবে এক একটা ভিশন বাস্তবায়নে আন্তরিকতা এবং দক্ষতার সাথে কাজ করবে, অগ্রগতির উপর
নির্দিষ্ট সময় অন্তর পর্যালোচনা হবে, দেশের বিশেষজ্ঞদের কাজে লাগানো হবে - এমন কিছু দেখা যায় না।
মাঝে মাঝে বিপুল অর্থ ব্যয়ে দুই একদিনের জন্য বিদেশী বিশেষজ্ঞ আনা হয় এবং ওটুকুতেই সার। তার মতামত কতটুকু কাজে লাগানো হয় - তা নিয়েও সন্দেহের অবকাশ আছে।

কয়েক বছর আগে (২০১১) পত্রিকায় চোখে পড়েছিল মার্কেটিং গুরু ফিলিপ কটলারকে দেশে আনা হয়েছে। তিনি বাংলাদেশকে ফোকাস নির্ধারণ করে নিজস্ব কয়েকটি ব্র্যান্ড
গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছিলেন। এই পরামর্শ মত দেশে আদৌ কোন কাজ হয়েছে কি? না হলে
বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়ে বিদেশী বিশেষজ্ঞ আনা কি শুধুই ভোটের রাজনীতিতে লোক দেখানো ব্যাপার?

একবার পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপর একটা রিপোর্টে দেখি - বাজেটের বরাদ্দকৃত অর্থে মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা বিদেশে ট্যুর করেন। এসব ভ্রমণে দেশের ট্যুরিজমের প্রচার কতটুকু হয় -
তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ আছে। বাংলাদেশকে টুরিস্ট ডেস্টিনেশান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার কোন ভিশন আছে বলেও মনে হয়নি - বাস্তবায়ন তো দূরের কথা।

বিভিন্ন খাতে যে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয় - ব্যাপক দুর্নীতি এবং চরম অদক্ষতার পর - সত্যিকারের উন্নয়ন কতটুকু হয় - তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করার যথেষ্ট কারণ আছে।
 
কাজেই আমরা সরকারকে আহ্বান জানাই, আসছে বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ অন্তত ৮% না রাখলে - গ্রহণযোগ্য হবে না এবং এই বরাদ্দের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হবে
শিক্ষাখাতে ভিশন নির্ধারণ এবং দক্ষতার সাথে বাস্তবায়ন।

বাজেটে বরাদ্দের যে পরিমাণ দুর্নীতি হয়, অদক্ষতা আর আন্তরিকতার অভাবে নষ্ট হয় - তার কিছুটা না হলেও দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলায় ব্যয় করা হোক।

No comments:

Post a Comment