Friday, December 20, 2013

সঠিক ইসলামী পথ প্রদর্শন

ইসলামী চেতনা যাতে আক্রমণাত্মক মৌলবাদের দিকে ভুল পথে না যায় বাংলাদেশ সেক্ষেত্রে সারা পৃথিবীর জন্য রোল মডেল হতে পারে।

আমরা ইসলাম যে শান্তির পথ নির্দেশ করে (ইসলাম শব্দটি এসেছে “সালাম” থেকে; সালাম অর্থ “শান্তি”) এবং সহিংসতা, আত্মহত্যাকে চরম পাপ বলে গণ্য করে সে পথ দেখিয়ে, আধুনিক জ্ঞানবিজ্ঞান এর প্রচার ও প্রসার ঘটিয়ে ("বিদ্বানের কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়ে বেশি পবিত্র" - হাদিস), একে অপরের মতামতকে সম্মান করতে শিখিয়ে জনগণকে সঠিক পথে রাখব।

আমাদের চিন্তা ভাবনা, মূল্যবোধ, ধ্যান - ধারণায় পার্থক্য থাকতে পারে - কিন্তু একসাথে বসে আলোচনা করলে আমাদের মাঝের দূরত্বটুকু দূর হয়ে যায়।

দুর্নীতি দূরীকরণ এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অর্থনৈতিক অগ্রগতি

রাজনীতিতে নানা হতাশার মাঝে বাংলাদেশের যে কটা বিষয় নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আমরা গর্ব করতে পারি তার একটা হল গত দশ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে দেশের উচ্চ জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার (৬-৭%)।

আর একটা ব্যাপার আছে যেটিতে আন্তর্জাতিক মহলে আমাদের লজ্জাজনক অবস্থান - দেশে দুর্নীতির ব্যাপকতা।


  • দুর্নীতি কমিয়ে দিতে পারলে আরও অনেক কিছুর সাথে যে ব্যাপারটি ঘটবে তা হল, আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার বেশ খানিকটা বেড়ে যাবে। 
  • আইনের শাসন প্রতিস্থিত হলে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার আরও বাড়বে। 
  • প্রবৃদ্ধির হারে আরও যোগ হবে যদি ভয় দেখিয়ে জনগণকে হরতাল পালনে বাধ্য করার সংস্কৃতি বন্ধ করা যায়।


দেশে দুর্নীতি করে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে (হলমার্ক কেলেঙ্কারি, শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারি ইত্যাদি)।
জনগণের টাকা “কালো টাকা”য় রূপান্তরিত হচ্ছে এবং এই কালো টাকা চলে যাচ্ছে দেশের বাইরে। এই সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনতে পারলে জিডিপি বেশ খানিকটা বাড়বে।

এক শেয়ার বাজারেই বিলিয়ন ডলারের দুর্নীতি হয়েছে। “The stock market capitalization of the Dhaka Stock Exchange in Bangladesh crossed $10 billion in November 2007 and the $30 billion mark in 2009, and USD 50 billion in August 2010.” [1] এরপরই হয় পতন। Market capitalization এক তৃতীয়াংশে নেমে আসে (৫০ বিলিয়ন ডলার থেকে প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলারে) - ৩০ লক্ষের বেশি বিনিয়োগকারীর অনেকে সর্বস্ব হারিয়ে ফেলেন। অনেকে আত্নাহুতি দেন।


  • আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জমি দখল বন্ধ হলে সাধারণ জনগণের সম্পত্তি জনগণের কাছেই থেকে যাবে।


তেমনই আরেকটা রুই-কাতলা আকারের দুর্নীতি ছিল পদ্মা সেতু দুর্নীতি। পদ্মা সেতু দুর্নীতি দেশের ৩ কোটি জনগোষ্ঠীকে পিছিয়ে দিয়েছে এবং অর্থনৈতিক উন্নতি, শিল্প প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণকে থামিয়ে দিয়েছে।

কুইক রেন্টাল দুর্নীতি আরেকটি বড় আকারের দুর্নীতি।


দুর্নীতি হ্রাস পেলে অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বগুলো যোগ্য বেক্তিদের হাতে নাস্ত হবে এবং যোগ্য বেক্তিরা অধিকতর দক্ষতার সাথে কর্ম সম্পাদন করবেন (অযোগ্য বেক্তিদের দুর্নীতি করে, ঘুষ দিয়ে পদ দখল বন্ধ হবে)। 
কথায় আছে, গুণীর কদর না হলে সে দেশে গুণী জন্মায় না। ভাল কাজের, দক্ষতার, মেধার মূল্যায়ন হলে প্রত্যেকে আরও ভাল কাজ করবে, দেশের চেহারা পাল্টে যাবে।

দুর্নীতি দূরীকরণ বাবসা সহজ করায় ভূমিকা রাখবে। বাবসায়িদের পদে পদে ঘুষ-চাদা দিতে হবে না। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে।

জনগণকে জোর করে হরতাল-অবরোধ পালনে বাধ্য করাকে রুখে দিতে পারলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়বে। হিসাব মতে - একদিনের হরতালে ক্ষতি হয় প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। বাস্তবে ক্ষতি আরও বেশি বলেই আমরা মনে করি। সেই সাথে আছে “জালাও-পোড়াও” - যানবাহন, কারখানা কোন কিছুই এর হাত থেকে রেহাই পায় না। দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি আরও অনেক বেশি - বিদেশি বিনিয়োগ কারিরা কি হরতাল দেখে পিছিয়ে পড়েন না?

ভারতের মাথাপিছু জিডিপি (পিপিপি) $3,991, পাকিস্তানের $3,144, আর বাংলাদেশের $2,083।
বাংলাদেশের জিডিপির মোট আকার - $324.628 বিলিয়ন। ধরা যাক, শীর্ষ দুর্নীতিবাজদের কালো টাকা দেশে ফিরিয়ে এনে বিনিয়োগ করা হল এবং তাতে ১ বছরে পণ্য এবং সেবার আকার বাড়ল $108 বিলিয়ন। তাহলে মাথাপিছু জিডিপি হবে $2,776।

এক হিসাব মতে, দেশের শীর্ষ ৯০ জন ধনী বেক্তির সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ $15 বিলিয়ন। হিসাবটি সম্ভবত কালো টাকা বাদ দিয়ে। কালো টাকাসহ হিসাব করলে দেশের শীর্ষ ধনীর একারই $15 বিলিয়ন এর উপর সম্পদ আছে বলে ধারণা। এক শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারি দেখলে সেরকম চিত্রের সম্ভবনা দেখা দেয়। বাস্তব চিত্র কতটা ভয়ানক এটি তার আভাস।

$15 বিলিয়ন কতটুকু তা বুঝতে আমরা বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের দিকে তাকাই। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ৩ ধনী কার্লোস স্লিম, বিল গেটস এবং ওয়ারেন বাফেটের প্রত্যেকের সম্পদের পরিমাণ $55 থেকে $75 বিলিয়ন ডলার। বিশ্বে বিলিয়নেয়ার (প্রায় সাত হাজার আটশ কোটি টাকার মালিক) আছেন ১৪২৬ জন [2]। 
তালিকায় বাংলাদেশি কেউ নেই। কারণ তাদের অবৈধভাবে অর্জিত কালো টাকারও হিসেব নেই।

কালো টাকা ফিরিয়ে আনতে পারলে এবং দুর্নীতি রুখে দিতে পারলে, সেই সাথে বাবসা-বিনিয়োগ-উদ্যোক্তা-শিল্প বান্ধব পরিকল্পনা হাতে নিয়ে বাস্তবায়ন করতে পারলে মাথাপিছু আয়ের দিক দিয়ে কয়েক বছরে ভারত-পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব।

“নেক্সট ইলেভেন” এ থাকা ১১ টি দেশের একটি বাংলাদেশ – একদিন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠবে এমন স্বপ্ন আমরা দেখতেই পারি।


রেফারেন্সঃ

[1] Economy of Bangladesh
[2] http://www.forbes.com/sites/luisakroll/2013/03/04/inside-the-2013-billionaires-list-facts-and-figures/
[3] 2011 Bangladesh share market scam

Monday, December 16, 2013

মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে সহিংসতা

প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের বিধান ইসলাম এ আছে। প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা না হলে সমাজে বিশৃঙ্খলা - নৈতিক অবক্ষয় দেখা দেয়। অপরাধীরা মনে করে অপরাধ করেও আইনের উরধে থাকা যাবে। মানবতাবিরধী অপরাধীদের বিচার না হলে দেশে আবার মানবতাবিরধী অপরাধ ঘটতে পারে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সব অপরাধীকেই বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

ইসলাম শব্দটি এসেছে “সালাম” থেকে; সালাম অর্থ “শান্তি”। 
ইসলাম শান্তির ধর্ম। বিনা বিচারে সহিংসতা, বিনা অপরাধে কারও উপর আক্রমণ ইসলাম সমর্থন করে না। আর বিনা কারণে মানুষ হত্যা কত বড় পাপ। (৭১ এ যারা খুন, নারীদের সম্ভ্রমহানি করেছে বা করতে সহায়তা করেছে তাদের রক্ষার জন্য ২০১৩ তে আরও খুন? এরাই নিরপরাধ বেক্তিকে খুন করার লক্ষ্যে প্রচেষ্টা চালিয়েছিল অন্যের ভিত্তিহীন উদ্দেশ্য প্রণোদিত গুজবে প্ররোচিত হয়ে - এমন অভিজ্ঞতা রয়েছে। কোন রকম বিবেক বিবেচনার ধার না ধেরে মানুষ হত্যা - এটা কিরকম বর্বরতা।) ইসলাম রক্ষার নামে সহিংসতায় উৎসাহিত করা কাউকে জেনে বুঝে বিপথে পরিচালিত করার নামান্তর মাত্র। 

হজরত মুহম্মদ (স) আমাদের শিখিয়েছেন “দেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ।” নিজের দেশের সম্পদ ধ্বংস করে কি আমরা ঈমান থেকে দূরে সরে যাচ্ছি না?

দেশবাসির প্রতি অনুরোধ, সবাই যে যার অবস্থানে থেকে দেশের যুব সমাজকে বিপথে নিয়ে যাওয়ার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবেন। শান্তির পথে, কল্যাণের পথে ফিরিয়ে আনবেন।

আমরা প্রত্যাশা করি, আমাদের যুব সমাজ ভাল-মন্দের পথ নির্ধারণে অন্যের কথায় অন্ধভাবে পরিচালিত না হয়ে নিজেদের বিচার-বুদ্ধি কাজে লাগাবেন।

আর যারা এই আহ্বানে কর্ণপাত না করে সহিংসতা, মানুষ হত্যা অব্যাহত রাখবেন, তাদের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

Sunday, December 15, 2013

গণজোয়ারের মাধ্যমে পরিবর্তন

সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছে নাগরিক শক্তির ঘোষণার জন্য।

নাগরিক শক্তির শক্তিঃ
  1. মুক্তিযোদ্ধা সমাজ 
  2. নাগরিক সমাজ
  3. ব্যবসায়ি সমাজ
  4. তরুণ প্রজন্ম
  5. গ্রামীণ নারী
  6. মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট, আলেমসমাজ
  7. রাজনৈতিক দল, নেতাকর্মীরা
  8. ঘোষণা দেওয়ার পর আমাদের “স্টার-প্যাকড” নেতৃত্ব

আমাদের অত্যন্ত শক্তিশালী তিনটি নেটওয়ার্ক আছে - তিনটি নেটওয়ার্কের প্রতিটির আওতায় মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষ আছেন।

আরও দুটি ডেমগ্রাফিক আছে - প্রত্যেকটি কয়েক মিলিয়ন মানুষের।

এরা সবাই যখন পরিবার, পরিচিতদের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়বে!

সাথে যোগ দেবেন প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদরা।

আমাদের “স্টার-প্যাকড” নেতৃত্বের পাশে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলো!

সবার উপরে আমাদের ভিশন এবং জনগণের পাশে থেকে জনগণের জন্য উন্নয়নের রাজনীতি করার অভিপ্রায়। আর মেধা - নেটওয়ার্ক এবং উন্নত ইলেকশান ক্যাম্পেইন স্ট্রাটেজি।

মানুষ সমাজসেবকদের ভোট দেবেন নাকি সন্ত্রাসীদের গডফাদার, দুর্নীতিবাজদের ভোট দেবেন?

সন্ত্রাসীদের গডফাদাররা, দুর্নীতিবাজরা কালো টাকা, পেশি শক্তি ব্যবহার করতে না পারলে (নির্বাচনী আচরণবিধি সঠিকভাবে প্রয়োগ হলে) তাদের কে ভোট দেবে? অভিজ্ঞতা থেকে জানি, এসব নির্যাতনকারী, খুনি সন্ত্রাসীদের গডফাদারদের বিরুদ্ধে মানুষের চরম ক্ষোভ - কাউকে পেলে ছাড়বেন না - প্রাণের ভয়ে চুপ করে থাকেন।

গণজোয়ার উঠবে!



কয়েকমাস আগের সার্ভেই তে AL - ৩৪% এবং BNP - ৪৮%।

শেয়ার বাজার ধ্বস, গ্রামীণ ব্যাংকে অন্যায় হস্তক্ষেপ, দুর্নীতি, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, আস্তিক-নাস্তিক প্রচার - এসব কারণে AL এর এই দশা। এই কয়েক মাসে সমর্থন আরও বেশ খানিকটা কমেছে বলেই ধারণা।

BNP কি মহান কিছু করেছে? আমরা উত্তরটা জানি। AL এর দুঃশাসনে অতিষ্ঠ জনগণ পরিবর্তন চায়। আস্তিক - নাস্তিক প্রচারও পক্ষে গেছে, যদিও ২০০১-২০০৬ তে আমরা এদেরকে দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত দেখেছিলাম।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে নির্বিচারে মানুষ খুন, অবরোধ-হরতালের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস জনগণ ভালভাবে নেইনি।

BNP র কোন কালেই কোন আদর্শ ছিল না। ভোটের আগে ইসলামী চেতনার একটা মুখোশ ধারণ করে ক্ষমতায় গিয়ে দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়ে সেই চেতনা জলাঞ্জলি দিয়েছে। ইসলামী চেতনার মুখোশ নিয়ে সুযোগ পেলে জামায়াত ইসলামীর নেতৃত্বে সংখ্যালঘুদের উপর ঝাপিয়ে পড়েছে। আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর অসাম্প্রদায়িকতার আদর্শ যা ছিল এবার তা ভূলুণ্ঠিত করেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে স্বৈরাচারী চেতনাকে তারা গ্রহণ করেছে। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে তারা শুধু বার্থ হয়নি, বরং ভূমিদস্যুতাকে লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে সর্বদলীয় সাম্প্রদায়িক হামলা চালিয়েছে।


অনেক অনেক বছর ধরে বাংলাদেশের জনগণ একটা পরিবর্তন চাচ্ছে। পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষাটা এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি।

Saturday, December 14, 2013

শিক্ষা দিয়ে, জ্ঞান দিয়ে পৃথিবীর সবকিছু অর্জন করা যায়

আমি জানি শিক্ষা দিয়ে, জ্ঞান দিয়ে পৃথিবীর সবকিছু অর্জন করা যায়।
“শিক্ষা নিয়ে” এই শিক্ষাটা আমি পেয়েছি আব্বু আম্মুর কাছ থেকে।
আমার আব্বু, আম্মু, দাদু (দাদা), নানু (নানী) সবাই শিক্ষকতা করেছেন।


আব্বু আম্মু ছোটবেলা থেকে পড়াশোনাকে সবকিছুর উপর স্থান দিয়েছেন।
আব্বু গ্রাম থেকে জীবনে উঠে এসেছেন পড়াশোনা দিয়ে।
আম্মু ছিলেন সিরিয়াস ছাত্রী।
স্কুলে একবার ডাবল প্রমোশনও নিয়েছিলেন। নানু (নানী) ভাবতেন, husband – wife দুইজনই ডাক্তার হলে পরিবারের জন্য ভালো নাও হতে পারে (বিয়ে দিবেন ডাক্তার ছেলের সাথে!)। তাই আম্মুকে Science না দিয়ে, কলেজে Humanities concentration দিয়েছিলেন। নানা অনেকদিন পর জেনে কষ্ট পেয়েছিলেন (আম্মু মেডিক্যাল-এ পড়বে – এমনটাই চাইতেন নানা)।
ইউনিভার্সিটিতেও Sociology Department-এ রেজাল্টের দিক দিয়ে সবসময় উপরের দিকে ছিলেন আম্মু।


আমার ছেলেবেলাটা কেটেছে ঢাকায়।
টালেন্টস প্রিকাডেট স্কুলে পড়তাম আমি। প্লে গ্রুপ, নার্সারি, কেজি – ৩ বছর।
প্রতিদিন ভোরে আম্মু রিকশা করে আমাকে স্কুলে পৌঁছে দিতেন আর নিজে বাসায় ফিরতেন পায়ে হেঁটে। একইভাবে ছুটি হলে হেঁটে যেতেন স্কুলে, আমাকে নিয়ে বাসায় ফিরতেন রিকশায়। প্রতিদিন সন্ধায় পড়তে বসাতেন – ঠিক যেভাবে এখন আমার ছোট্ট বোন রাইসাকে নিয়ে বসেন।


Final Term পরীক্ষার পর আমরা চিটাগং এ বেড়াতে যেতাম।
তেমনই একবারের ঘটনা।
আমি, আম্মু চিটাগং এ – নানুর বাসায়। নার্সারি Final Term পরীক্ষার পর সম্ভবত। আব্বু ঢাকা থেকে এসেছেন।
আসার আগে আমাকে ফোন করে জানতে চেয়েছিলেন – কি লাগবে।
নতুন বছরের নতুন বই নিয়ে আমার অনেক উৎসাহ। বলেছিলাম, নতুন ক্লাসের বইগুলো নিয়ে আসতে।
দেখি আব্বু নতুন বছরের বই তো এনেছেনই, সাথে নিয়ে এসেছেন একটা সাধারণ জ্ঞানের বই।
এটাই আমার প্রথম সাধারণ জ্ঞানের বই। জগত সম্পর্কে জানা শুরু আমার সেই থেকে।

ছেলেবেলায় আমার প্রিয় ছিল সাধারণ জ্ঞান (General Knowledge) এর বইগুলো – “বাংলাদেশের ডায়েরি”, “পৃথিবীর ডায়েরি” – ওগুলো। তখন তো আর আজকের মত – ইন্টারনেট, ওয়েব ছিল না!


আরেকবারের ঘটনা।
তখন সাউদি আরবে থাকি। ক্লাস টু বা থ্রি (১৯৯৪/৯৫)।
দোকানে পৃথিবীর একটা গ্লোব দেখে খুব পছন্দ হয়েছিল। লাজুক আমি গাড়িতে ফিরে আম্মুকে বললাম, এবার পরীক্ষায় ফার্স্ট, সেকেন্ড, থার্ড হলে একটা গ্লোব কিনব।
আম্মু আব্বুকে বললেন।
আব্বু বললেন, জ্ঞানের জন্য কোন মানা নেই। তোমার দাদু অভাবের মধ্যেও জ্ঞানের জন্য কার্পণ্য করেননি। (দাদি নিজের গহনা বিক্রি করে আব্বুর মেডিকেল পড়ার খরচ দিয়েছিলেন।)
আব্বু আমাকে গ্লোবটা  কিনে দিলেন।
সেদিন থেকে আমি বিস্ময় নিয়ে গ্লোবটা দেখতাম।
আর কত কত কল্পনা করতাম! (কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট হব … বাংলাদেশের রাজা … আমি যে দেশের প্রেসিডেন্ট হব – সেই দেশ সবদিক দিয়ে পৃথিবীর সেরা হবে – বাকি দেশগুলোর ধরা ছোঁয়ার বাইরে … !)
জ্ঞানের আরেকটা জগত খুলে গিয়েছিল আমার সামনে।

Friday, December 13, 2013

স্বপ্নের বাংলাদেশের চিত্রকল্প

নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় এলে স্বপ্নের বাংলাদেশ কেমন হবে তার এবং সেই স্বপ্নের বাংলাদেশে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের জীবনের একটা চিত্র জনগণের সামনে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তুলে ধরে জনগণকে সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্নে উজ্জীবিত করা হবে।

বাংলাদেশের মানুষ পরিকল্পনাবিহীন অপরাজনীতি দেখে অভ্যস্ত। জনগণ জানে না সুপরিকল্পিত সুশাসন দেশকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে।

Audience এ সবচেয়ে বেশি থাকবে তরুণ। Social media দিয়ে ছড়িয়ে পড়বে তরুণদের মাধ্যমে।

সবাই emotionally attached হবে যদি viewer রা নিজেকে এর অংশ ভাবতে পারে।

গল্পের মত করে থাকবে। “স্বপ্নের বাংলাদেশ” এ একজন কৃষকের জীবন। একজন আইটি উদ্যোক্তা। গ্রামে যুবকদের উদ্যোগ। গ্রামে গ্রামে প্রতিযোগিতা হচ্ছে - উন্নয়নের জোয়ার এসেছে। অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ। বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় এ তরুণ ছাত্র ছাত্রীরা। বাসা বাড়ি শিল্প কারখানা গড়ে উঠছে। জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলে বিজয় দিবস আর শত বছরের বাঙালি সংস্কৃতির নানা উৎসব উদযাপন করছে । গনতন্ত্রের চর্চা - নেতারা জনগণের চাওয়া পাওয়া বোঝার চেষ্টা করছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট দল বিশ্বকাপ জিতেছে - সারা দেশ উল্লাস করছে। রিকশার চাকার ঘূর্ণনে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হচ্ছে আর জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়া সেই বিদ্যুৎ দিয়ে চলছে নতুন নতুন শিল্প। বিভিন্ন দেশ বিনিয়োগ করতে এগিয়ে এসেছে। বাংলাদেশ মাথাপিছু আয়ের দিক দিয়ে অনেক দেশকে ছাড়িয়ে গেছে। আইনজীবী লড়ছেন জনগণের অধিকার আদায়ে। বাংলাদেশের কোন সাহিত্যিক বা শিল্পী আন্তর্জাতিক পুরষ্কার জয় করে এনেছেন। (মোট কথা - বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ যে যে স্বপ্ন দেখেন।)

ধারাবাহিকতা থাকলে ভাল। (যেমন sequence - রিকশার চাকার ঘূর্ণনে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হচ্ছে আর জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়া সেই বিদ্যুৎ দিয়ে চলছে নতুন নতুন শিল্প। বিভিন্ন দেশ বিনিয়োগ করতে এগিয়ে এসেছে। বাংলাদেশ মাথাপিছু আয়ের দিক দিয়ে অনেক দেশকে ছাড়িয়ে গেছে।)

দলের নাম (নাগরিক শক্তি) এবং প্রতীক (বই) আটাচড থাকবে।

যতজনকে প্রক্রিয়াটার সাথে যুক্ত করা যাবে তত ভাল। বিশেষ করে তরুণদের।

নাগরিক শক্তি নামের তাৎপর্য

“নাগরিক” সমাজ।

দেশের সকল “নাগরিক”।

অন্যায়-অবিচার-দুর্নীতির বিরুদ্ধে “শক্তি”।

নাগরিক সমাজ পথ দেখাবে। কিন্তু জনগণ পরিবর্তন আনবে।


প্রতীকঃ বই

মূলমন্ত্র: “জ্ঞানের আলোয় উন্নত বাংলাদেশ”


নাগরিক শক্তির গ্র্যান্ড ভিশনঃ সারা দেশের ১৬ কোটি বাংলাদেশীকে ঐক্যবদ্ধ করা।

নাগরিক শক্তির শিক্ষাবিষয়ক পরিকল্পনা

  • শিক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকটা মানুষের মাঝে লুকিয়ে আছে বিশাল সুপ্ত ক্ষমতা। শিক্ষার মাধ্যমে প্রত্যেকে তার সুপ্ত ক্ষমতাকে জাগিয়ে তুলে এক একটা বিশাল শক্তি হয়ে উঠতে পারে। জ্ঞান আর মেধা দিয়ে জীবনে সবকিছু অর্জন করা যায়। যে কেউ প্রায় যে কোন বয়সে সঠিকভাবে চেষ্টা করলে যে কোন কিছু হয়ে উঠতে পারে – এই বিশ্বাসটা সবার মধ্যে জাগিয়ে তুলতে হবে। মানুষগুলোকে জাগিয়ে তুলতে পারলে আর কিছু লাগবে না। এক একটা মানুষ যেখানে বিশাল শক্তি হতে পারে সেখানে ১৬ কোটি মানুষকে জাগিয়ে তুলতে পারলে আমাদের আর পিছে ফিরে তাকাতে হবে না। 
    • শিক্ষা শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না, আমরা চাইলে জীবনের প্রতিটা মুহূর্তে চারপাশ থেকে শিখতে পারি। 
    • ইতিহাসের যে কোন সময়ের তুলনায় নিজেকে উপরে তোলার সুযোগও সবচেয়ে বেশি আমাদের প্রজন্মের। আধুনিক প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন আমাদের হাতে দিয়েছে অনন্য সব আবিষ্কার - মানুষ এখন যে কোন প্রান্তে বসে যে কোন কিছু শিখতে পারে, যে কারও সাথে যোগাযোগ করতে পারে, কোটি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, কাজ করতে পারে, পারে আয় রোজগার করতে।
  • বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হবে।
  • শিক্ষাবিদদের নিয়ে শিক্ষা কমিশন গঠন করা হবে। কমিশনের পরামর্শের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী - অভিভাবকদের মতামত নিয়ে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত শিক্ষাবাবস্থার প্রতিটি পর্যায়ে আমূল সংস্কার আনা হবে। 
  • সৃজনশীল এবং বাস্তব জীবনে প্রয়োগ নির্ভর শিক্ষা বাবস্থা চালু। 
    • বই থেকে শেখা জ্ঞান দিয়ে জগতটাকে দেখতে শেখানো। 
    • “লার্নিং বাই ডুইং” (হাতে কলমে শিক্ষা) চালু করা হবে। এতে বইয়ের জগত এবং বাস্তব জীবনের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরি হবে। 
  • শিক্ষার্থীরা আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেরা শিখবে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে শিখবে। 
  • দেশের প্রত্যেকটা স্কুলে আধুনিক লাইব্রেরি গড়ে তোলা হবে। 
    • লাইব্রেরিগুলো হবে জ্ঞান চর্চা ও জ্ঞান আদানপ্রদানের কেন্দ্র। 
    • বই, উচ্চগতির ইন্টারনেটসহ কম্পিউটার এবং কিছু যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হবে। 
    • স্কুল লাইব্রেরিগুলো সবসময় খোলা থাকবে। শিক্ষার্থীরা যতক্ষণ খুশি লাইব্রেরিতে সময় কাটাতে পারবে। 
  • সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পাঠ্যসূচীতে পরিবর্তন। নৈতিকতার শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
  • পরীক্ষা পদ্ধতি, মূল্যায়ন পদ্ধতিতে সংস্কার আনা হবে।
  • শিক্ষার্থীরা মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। বিভিন্ন অলিম্পিয়াড, প্রতিযোগিতা এবং অন্যান্য উদ্যোগের মাধ্যমে মেধাবী জাতি গড়ে তোলা হবে। 
    • ছাত্র - ছাত্রী, কিশোরকিশোরী, তরুণ-বৃদ্ধ সবাই অবসরে ধাধার সমস্যার সমাধান করবে। মেধা-বুদ্ধি শানিত করবে। সূচনা হবে নতুন সংস্কৃতির। প্রত্যেকে হয়ে উঠবেন চিন্তাশীল, মেধাবী, বুদ্ধিমান।  
    • গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত গণিত অলিম্পিয়াড, বিজ্ঞান প্রকল্প এর সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
  • বাংলাদেশে বিশ্বমানের কয়েকটা বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হবে। 
    • দেশে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়ে, বিনিয়োগ নিশ্চিত করে বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে PhD ডিগ্রি প্রাপ্তদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।
    • BUET এবং DU কে এখনই বিশ্বমানের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। পরিবর্তনের হাওয়া লাগলে সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে তা ছড়িয়ে পড়বে। একে একে MIST, SUST, CUET, RU, KUET, RUET, CU, KU এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো Ranking এ উপরের দিকে উঠে আসবে। ঠিক যেভাবে ICPC কিংবা TopCoder Ranking এ আমরা শীর্ষস্থানগুলো দখল করছি। 
    • বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সত্যিকারের গবেষণা শুরু হবে - বরাদ্দ বাড়বে, গবেষণা সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনা হবে। 
    • বিশ্ববিদ্যালয় - ইন্ডাস্ট্রি এর মধ্যে যোগাযোগ গড়ে তোলা হবে। 
      • ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠ্যক্রমে পরিবর্তন আনা হবে। 
      • প্রোডাক্ট ডেভেলাপমেন্ট এবং রিসার্চে বিশ্ববিদ্যালয় - ইন্ডাস্ট্রি একসাথে কাজ করবে। 
      • কোন শিক্ষার্থীর প্রজেক্ট হয়ে উঠবে আরেকটি ইন্ডাস্ট্রির প্রোডাক্ট। 
      • ফ্যাকাল্টি মেম্বাররা প্রোডাক্ট ডেভেলাপমেন্ট এবং রিসার্চে ইন্ডাস্ট্রির কাছে ফান্ডিং এর আবেদন করবেন। 
    • প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এবং এদের শাখাগুলোর অনুমতি প্রদানে স্বচ্ছতা আনা হবে - ন্যূনতম মান নিশ্চিত করা হবে।
  • দেশের যেসব জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় নেই, সেসব জেলায় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হবে।যেগুলো আছে ওগুলোর আসন সংখ্যা বাড়ানো হবে। 
    • সুযোগ দিলে অনেকেই সর্বোচ্চ চেষ্টার মাধ্যমে “কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নিয়ে ভাল চাকরি” করতে চাইবে। কিছু কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি শুধুমাত্র এইচএসসি বা সমমানের শিক্ষার্থীদের মাঝে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার এটাই একমাত্র উপায় - অনেকে একটু বড় হওয়ার পর বুঝতে পারে!
  • বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন রাঙ্কিং প্রথা প্রবর্তিত হবে। 
    • রাঙ্কিং প্রথায় বিভিন্ন objective measures ব্যবহার করা হবে - যেগুলো নিয়ে বিতর্কের সুযোগ নেই। জার্নালে এবং কনফারেন্সে পেপার পাব্লিকেশানের উপর এত পয়েন্টস, পেপারের ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টরের উপর এত, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় সাফল্যের উপর এত, পাশ করার ৩ মাসের মধ্যে চাকরি প্রাপ্তির হারের উপর এত, শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও গবেষণা প্রোফাইলের উপর এত, ছাত্র - শিক্ষক অনুপাতের উপর এত পয়েন্টস - এরকম কিছু measures। 
    • প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের মাঝে এবং সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে মেধাবী ছাত্র ভর্তির জন্য এক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা করবে - ফলশ্রুতিতে সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের মান বাড়বে। 
    • বিষয়ভিত্তিক রাঙ্কিং প্রথা চালু করা হবে। 
    • কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়ত গর্বের সাথে বলবে, জান, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ দেশ সেরা! যাকে বলা হবে সে উত্তর দেবে, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ দেশ সেরা আর এশিয়ার সেরা ১০টার একটা!  
  • বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী দেশের কিশোর গণিতবিদদের কাছে যে ৩টি স্বপ্নের কথা বলেছিলেন তাদের মধ্যে ছিল ২০২২ সালের মধ্যে একজন বাংলাদেশী গনিতবিদের ফিল্ডস মেডল জয় এবং ২০৩০ সালের মধ্যে একজন বাংলাদেশী বিজ্ঞানীর নোবেল পুরষ্কার জয়। নাগরিক শক্তি ২০৩০ সালের মধ্যে ফিল্ডস মেডেল এবং নোবেল পুরস্কার জয়ের লক্ষ্যে গবেষণা সংস্কৃতিতে নতুন জাগরণ এবং বিশ্বমানের গবেষণা ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করবে।
  • উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম যাতে অপরাজনীতির কারণে বাঁধাগ্রস্থ না হয়, দুর্নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ (যেমন নিয়োগে অনিয়ম) না হয়, সে ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 
    • সেশন জটের কারণগুলো চিহ্নিত করে দূর করা হবে। আন্ডারগ্রাজুয়েট শিক্ষার্থীরা ৪ বছরে বাচেলারস ডিগ্রী শেষ করবে। 
    • আমরা শিক্ষাঙ্গনে সুস্থ রাজনীতির চর্চা, উদ্ভাবনী উদ্যোগ দেখতে চাই - ছাত্রছাত্রীরা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে, মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে দল বেঁধে কাজ করবে। 
  • মাদ্রাসা শিক্ষাবাবস্থার সংস্কার (সবার মতামতের ভিত্তিতে) - আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞান অন্তর্ভুক্তিকরন - যাতে মাদ্রাসা শিক্ষাবাবস্থায় শিক্ষিতরা মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং, বাবসা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও বেশি সুযোগ পায়।
  • তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রকৌশলী থেকে শুরু করে কৃষক পর্যন্ত সবার জন্য “লাইফলং লার্নিং” (জীবন ব্যাপী শিক্ষা) এর সুযোগ।


শিক্ষা নিয়ে আরও


তোমাদের জন্য লেখা


শিক্ষাবিদরা কি ভাবছেন

- ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা; উপাচার্য, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক; সভাপতি, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি।

তরুণ প্রজন্ম এখন নেতৃত্ব নিতে সক্ষম
- ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল, বিভাগীয় প্রধান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
 
 
- ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ: অধ্যাপক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ফেলো, বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেস।



শিক্ষায় বাংলাদেশী উদ্যোগ 

ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা

ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এর পদত্যাগে আমরা যারা ড. ইকবাল এর শুভানুধ্যায়ী, আমাদের যাদের কারও কারও জীবন পালটে গেছে ড. ইকবাল এর কারণে - আমরা কষ্ট পেয়েছি। আমার জীবনে যেসব ভাল ঘটনা ঘটেছে, তাদের একটি হল গণিত অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ। আমি চিন্তা করতে শিখেছি গণিত অলিম্পিয়াডের বইগুলো পড়ে। এখনও সময় পেলে সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করি।

যাই হোক, সমস্যা শুরু সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে।

আমাদের দেশের দরিদ্র ছাত্রদের পক্ষে সারাদেশ ঘুরে ভিন্ন ভিন্ন ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ সম্ভব না। সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা হলে সবাই বাড়ির কাছের কেন্দ্রে গিয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় আলাদা আলাদা ভর্তি পরীক্ষা নিলে একই দিন বা কাছাকাছি দিন দুটি ভর্তি পরীক্ষা পড়লে অবস্থাসম্পন্ন ছাত্রদেরও একটি বিশ্ব বিদ্যালয় বেছে নিতে হয়।

SUST এবং যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় একসাথে ভর্তি পরীক্ষা নেবে - এই উদ্যোগটার পেছনে সবচেয়ে জোরালো ভূমিকা রেখেছেন ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। সিলেট বাসি হয়ত এটাকে তাদের দাবি দাওয়ার সাথে সঙ্গতি পূর্ণ মনে করছে না। তারা SUST এর আলাদা ভর্তি পরীক্ষা এবং সেখানেও সিলেট বাসির কোটা আশা করে। ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এর নিজস্ব মূল্যবোধের কারণে SUST এ অবস্থানকালীন সময়ে এক পক্ষ সবসময় তার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এই দাবিটি নিয়ে এতদিন যারা তারা পাশে ছিলেন তারাও বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ায় এবং তার অনেকদিনের স্বপ্ন সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা বাতিল হওয়ায় পদত্যাগ করেছেন। ড. জাফর ইকবাল হয়ত ভাবছেন দেশের কল্যাণে কিছু করতে চাইলে পাশে থাকার মত কেউ নাই। কিন্তু ড. জাফর ইকবাল কে যারা পছন্দ করেন তারা সবসময়ই উনার পাশে ছিলেন, আছেন, থাকবেন।

২৬/১১/১৩


ড. জাফর ইকবাল এবং ড. ইয়াসমিন এর পদত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের খবর আমাদের স্বস্তি এনে দিয়েছে।

SUST কে আজকের অবস্থানে আনার পেছনে ড. ইকবালের অবদান সবচেয়ে বেশি। SUST কে গড়ে তোলার প্রচেষ্টাকে দেশবাসী স্বীকৃতি দেবে এমনটাই আমরা আশা করি। অনেক ছাত্র ছাত্রী SUST এ পড়তে যেতে চায় শুধুমাত্র ড. ইকবাল ওখানে আছেন বলে।

এর আগে ড. জাফর ইকবাল অন্যান্যদের নিয়ে মোবাইল ফোন এর মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষায় রেজিস্ট্রেশানের সুবিধা চালু করেছিলেন - এই উদ্যোগে দেশের আরও বেশি ছাত্রছাত্রী SUST এর ভর্তি পরীক্ষায় রেজিস্ট্রেশান করেছিল। SUST এ এমন ছাত্রছাত্রী নিশ্চয় খুঁজে পাওয়া যাবে যিনি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশান বাবস্থা না থাকলে যাতায়াত, থাকাখাওয়ার খরচের কথা ভেবে ভর্তি ফর্ম কিনতেই যেতেন না - তার জীবন নিশ্চয় পাল্টে গেছে যারা এই উদ্যোগটা বাস্তবায়ন করেছিলেন তাদের কারণে।


মন্দের ভাল - বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতির দাবি এবার সবার নজরে এসেছে। আমাদের প্রত্যাশা - দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রশাসন এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের দেশের দরিদ্র, মেধাবী ছাত্রদের কথা, যাতায়াতে অহেতুক অর্থ অপচয়ের কথা বিবেচনায় নেবেন।

২৭/১১/১৩

অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পক্ষে অবস্থান

(নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর পর লেখা)

বর্তমান নতুন মন্ত্রিসভার সরকারকে “সর্বদলীয়”, “অন্তর্বর্তীকালীন”, “বহুদলীয়”, “মহাজোটিয়” ইত্যাদি কোন বিশেষণে বিশেষায়িত করা যায় তা নিয়ে ভেবে সময় নষ্ট না করে আমরা সাধারণ জনগণ সরকারের কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করব এবং আমাদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরব।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ডঃ ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ নভেম্বর ২০, ২০১৩ তে প্রথম আলোতে লিখিত কিছু প্রস্তাব দিয়েছেন বর্তমান সরকারকে - “চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান পরিচালনা, বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ সরকার পরিচালিত অন্যান্য গণমাধ্যমকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির কাজে ব্যবহার করা, দলীয়ভাবে চিহ্নিত কর্মকর্তারা জনপ্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকলে তাঁদের অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া, স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনে কিছু রদবদলের মাধ্যমে নিরপেক্ষ নির্বাচন-প্রক্রিয়ার সপক্ষে একটি স্পষ্ট বার্তা পৌঁছে দেওয়া, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করার লক্ষ্যে কার্যকর প্রকাশ্য নির্দেশনা প্রদান এবং সর্বোপরি প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনকে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে পুনর্গঠিত করা।” এসব নিশ্চিত করা বিরোধী দলের মত আমলে না নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাবস্থা বাতিল করা বর্তমান সরকারের দায়িত্ব। বার্থ হলে বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন কেন সম্ভব নয় আমরা জনগণের সামনে তুলে ধরব - এ ব্যাপারে মাঠ পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।

বর্তমান সরকার যদি সরকারি সুবিধা ব্যবহার করে, লোকদেখানো ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে এবং সরকারি অর্থ ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো অব্যাহত রাখে তবে “লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড” সৃষ্টি করে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি প্রহসনের ব্যাপারে পরিণত হবে। বিরোধী দলগুলো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না, ২০ ভাগ ভোটও সুষ্ঠুভাবে পড়বে কিনা তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ আছে (অনেকগুলো আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন), বিদেশি নির্বাচনী পর্যবেক্ষকরা পর্যবেক্ষণের জন্য থাকবেন না - জনগণের অর্থে বিপুল বায়বহুল এমন একটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে জনগণ অহিংস অসহযোগ আন্দোলন গড়ে তুলবে। জনগণ নিজেদের ভোটের অধিকার রক্ষায়, স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে আমাদের পাশে থাকবে।

Thursday, December 12, 2013

ইচ্ছা পূরণের গল্প আবেগের গল্প

ইচ্ছা পূরণের একটা সত্যি সত্যি গল্প শোনাই। আজকে দুপুরে নামাজ পরে প্রথম আলোর মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধী নিয়ে বিশেষ সংখ্যাটা খুঁজছিলাম। পেলাম না। একটু পর ঠিক করলাম Barack Obama র Change we can believe in অথবা Dreams from my father বই দুইটার একটা কিনতে কেয়ারিতে যাব। কেয়ারির সামনে গিয়ে আবিষ্কার করলাম আজকে বিজয় দিবস। কাজেই শুধু কেয়ারি না, সব বই এর দোকানই বন্ধ। যাই হোক, আজকে যেহেতু বিজয় দিবস - ভাবলাম, একটা পতাকা কিনে গাড়িতে ওড়াবো। দেখা গেল, পতাকাও কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না।

আর তারপরই শুরু হল ইচ্ছাপূরণ।

১।  লালদীঘিতে দেখলাম আজকে স্বাধীনতার বইমেলা হচ্ছে। তবে সব বাংলা বই। কাজেই যে বই খুঁজছিলাম তা পাওয়া যাবে না। যাই হোক, বই দেখার ইচ্ছাটা তো পূরন হল! 

২। খালামনির বাসা থেকে ফেরার পর দেখা গেল, আমি ওয়ালেট, চাবি ফেলে এসেছি। কাজেই একটা রিকশা নিলাম। রিকশায় দেখলাম বাংলাদেশের পতাকা উড়ছে – আমার আরও একটা ইচ্ছা পূরন হল!

৩। এরপর জেবু আপুর বাসায় ঢুকেই দেখি বিছানায় প্রথম আলো পরে আছে। মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে বিচারপতি হাবিবুর রাহমান আর ড. শাহদীন মালিকের লেখা পড়া হল। সেই সাথে পূরন হল আমার আরও একটা ইচ্ছা!

(১৬/১২/১২ তে লেখা)

নাগরিক শক্তির আত্নপ্রকাশ

নাগরিক শক্তির আত্নপ্রকাশঃ ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৩। 
প্রতিবছর বিজয় দিবসের দিনে আমরা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করব।

  • মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশ নিয়ে তাদের স্বপ্নের কথা তুলে ধরবেন।
  • বিভিন্ন শ্রেণী পেশা (অন্যান্যদের মধ্যে একজন কৃষক, একজন গার্মেন্টস কর্মী, একজন রিকশা চালক থাকবেন) বিভিন্ন জাতি (পাহাড়ি) ধর্মের মানুষ তাদের প্রত্যাশা, আশা আকাঙ্খার কথা তুলে ধরবেন। (নাগরিক শক্তি জনগণের দল।)
  • একজন তরুণ ব্লগার একজন মাদ্রাসা ছাত্রকে ব্লগ লেখা শিখিয়ে দেবেন এবং মাদ্রাসা ছাত্র ইসলাম কিভাবে আমাদের পথ প্রদর্শক হতে পারে তা নিয়ে একটি ব্লগ পাবলিশ করবেন। আমাদের চিন্তা ভাবনা, মূল্যবোধ, ধ্যান - ধারণায় পার্থক্য থাকতে পারে - কিন্তু একসাথে বসে আলোচনা করলে আমাদের মাঝের দূরত্বটুকু দূর হয়ে যায়।
  • বাংলাদেশের মানুষ পরিকল্পনাবিহীন অপরাজনীতি দেখে অভ্যস্ত। জনগণ জানে না সুপরিকল্পিত সুশাসন দেশকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে। বাংলাদেশ সঠিকভাবে পরিচালিত হলে স্বপ্নের বাংলাদেশ কেমন হবে তার এবং সেই স্বপ্নের বাংলাদেশে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের জীবনের একটা চিত্র জনগণের সামনে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তুলে ধরে জনগণকে সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্নে উজ্জীবিত করা হবে। দৃঢ়তার সাথে জনগণকে জানানো হবে স্বপ্নের বাংলাদেশের লক্ষ্যে পরিবর্তন এবারই আসছে।
  • জাতি ধর্ম বর্ণ শ্রেণী পেশা নির্বিশেষে কারও উপর যাতে কখনও অন্যায় না হয়, জনগণকে এলাকায় এলাকায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে তা নিশ্চিত করতে আহ্বান জানান হবে এবং দলটি এক্ষেত্রে জনগণের পাশে থাকবে।
  • নাগরিক শক্তি জনগণের দল। জনগণ সব ধরণের মাধ্যম (ওয়েব, সেল ফোন, ইমেইল ইত্যাদি) ব্যবহার করে যাতে দলটির কাছে প্রত্যাশা, মতামত, আশা আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরতে পারে সে লক্ষ্যে বাবস্থা।
  • কয়েকটি দল বিলুপ্ত ঘোষণা করে স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে সকলে মিলে নাগরিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে - ট্রাঞ্জিশানটা স্মুথ হবে - সবাইকে নাগরিক শক্তির অংশ করে নেওয়া। প্রত্যেক দলের দলীয় প্রধান ঘোষণা দেবেন।
  • ওয়েবে আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচারিত হবে।
  • স্থানীয় পর্যায়ে আয়োজন থাকবে।
  • মেম্বারশিপ ফর্ম (সেল ফোন, ওয়েব, কাগজ - সুনাগরিক হিসেবে দেশের জন্য কি ভূমিকা রাখতে চান, দলীয় সদস্য হিসেবে কোন কোন ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে চান - তা লিখবেন।)
  • জনগণকে প্রতিটি কর্মকাণ্ডে যত বেশি সম্পৃক্ত করা যাবে - জনগণের সাথে দলটির তত বেশি আবেগের সম্পর্ক গড়ে উঠবে।
  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
    • ফেইসবুক পেইজ
    • ওয়েবসাইট (মডারেটেড ব্লগ থাকবে)
    • ইউটিউব চ্যানেল (স্বপ্নের বাংলাদেশের ভিডিও, দেশ নিয়ে ভিডিও, দলীয় কর্মকাণ্ডের ভিডিও)
    • বুকলেট
    • ডিজিটাল মিডিয়া / সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, তারুণ্য। স্বপ্নের বংলাদেশের ভিডিও (দলের নাম, প্রতীক) -> লিংকঃ ফেইসবুক, ইউটিউব পেইজ, ওয়েব সাইট (সবাই পড়তে পারবে, কিন্তু সাইটে কমেন্ট করতে / মতামত দিতে ফেইসবুক লগইন। (তা নাহলে স্প্যাম, উদ্দেশ্য প্রণোদিত কমেন্ট - অ্যাডমিন মডারেশান এর পর পাবলিশ) সাইট ব্লগে নিজেদের চিন্তা ভাবনা, প্রত্যাশা প্রকাশ করার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।)। দলটা আমাদের সবার। সবার মতামতের ভিত্তিতেই পরিচালিত হবে দল এবং দেশ। স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে উঠবে তারুণ্যের শক্তিতে। তরুণদের জন্য প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেওয়া হবে যাতে তারা বিভিন্ন কল্যাণমুখী, উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিতে পারে। লেখাগুলো ভাগ করে ইমেইজ হিসেবে শেয়ার দেওয়া হবে (দলের নাম, প্রতীক থাকবে ইমেইজে) - সবাই পড়বে, লাইক - শেয়ার দিবে এবং এভাবে ছড়িয়ে পড়বে। গ্রামে সবাই ফোন ব্যবহার করে এক্সেস করবে। কাজেই মোবাইল অপ্টিমাইজড ডিজাইন। (ডিজিটাল মিডিয়া সিকিউরিটি)
    • তরুণ তরুণীরা সবচেয়ে বেশি উৎসাহ নিয়ে কাজ করবে। টীম গড়ে তুলতে হবে। সবাই একসাথে বসে মিটিং এর পাশাপাশি ভার্চুয়ালি একসাথে কাজ করতে পারে, সাজেশান দিতে পারে, যোগাযোগ দিতে পারে সে লক্ষ্যে বাবস্থা - “ক্লোজড গ্রুপ”। তরুণ তরুণীদের মাঝ থেকেই ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে উঠবে।

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৩ - বুদ্ধিজীবী, নাগরিক সমাজ, বাবসায়ি সমাজ কে নিয়ে নাগরিক ঐক্যের আলোচনা-সভা। বুদ্ধিজীবীরা, নাগরিক সমাজের সদস্যরা, বাবসায়িরা দেশ গঠনে নিজেদের মতামত, দিক নির্দেশনা তুলে ধরবেন।

Monday, December 9, 2013

নাগরিক শক্তি

দলের নাম: নাগরিক শক্তি
প্রতীক: বই


মূলমন্ত্র: “জ্ঞানের আলোয় উন্নত বাংলাদেশ”


মূলনীতি
1. সবকিছুর উপর জাতীয় স্বার্থ
2. মুক্তিযুদ্ধের চেতনা
3. জাতি ধর্ম বর্ণ শ্রেণী পেশা নির্বিশেষে সবার একতা, সবার স্বার্থ সংরক্ষণ; সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্নে সবাই ঐক্যবদ্ধ
4. গণতন্ত্রমনা – দলের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে জনগণের মতামত, আশা আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হবে, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে
5. সকল অন্যায়, অপকর্ম, অত্যাচার, দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান


সাংগঠনিক কাঠামো
প্রেসিডেন্ট
এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট
ভাইস প্রেসিডেন্ট - ৭ জন
জেনেরাল সেক্রেটারি এবং কো-জেনেরাল সেক্রেটারি
জয়েন্ট জেনেরাল সেক্রেটারি - ১১ জন (আরও কয়েকজন যুক্ত হবেন)

The Story of Object Oriented Programming

Encapsulation, Inheritance and Polymorphism: How they came to be.

Encapsulation 
There was the local state - global state problem: functions could either access local variables or global variables. So we encapsulated set of "states" and "functions that are limited by access only to those states" into “classes” - blueprints for making objects.

Inheritance 
We had encapsulation. But for code reuse, we needed a way to modify classes by extension but not by code modification. So we invented inheritance. Later for solving diamond problem that arose in multiple inheritance we invented interface.

Polymorphism 
Now, we have a type hierarchy. Need arose for method call modification without code modification. So we invented polymorphism - a generic way to handle methods belonging to a common type hierarchy.

Design Patterns
When we applied encapsulation, inheritance and polymorphism to the development of flexible, reusable and maintainable software, common problems arose and solutions were found. Software Developers encapsulated these solutions into different "Design Patterns" - patterns for experience reuse.    


Other ways to view OOP
  • Message Passing - Objects containing states are sent messages (methods with arguments)
  • Abstract Data Type - Theoretical Model
  • Data Structures - Data (States), Operations on Data (Methods)