Wednesday, April 16, 2014

নাগরিক শক্তিঃ সংগঠন (Organization Of Nagorik Shakti)

দলের নাম: নাগরিক শক্তি

প্রতীক: বই


মূলমন্ত্র: “জ্ঞানের আলোয় উন্নত বাংলাদেশ”



মূলনীতি

1. সবকিছুর উপর জাতীয় স্বার্থ

2. মুক্তিযুদ্ধের চেতনা

3. জাতি ধর্ম বর্ণ শ্রেণী পেশা নির্বিশেষে সবার একতা, সবার স্বার্থ সংরক্ষণ; সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্নে সবাই ঐক্যবদ্ধ

4. গণতন্ত্রমনা – দলের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে জনগণের মতামত, আশা আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হবে, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে


5. সকল অন্যায়, অপকর্ম, অত্যাচার, দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান


সাংগঠনিক কাঠামো

প্রেসিডেন্ট, এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট
ভাইস প্রেসিডেন্ট - ১০ জন
জেনেরাল সেক্রেটারি এবং কো-জেনেরাল সেক্রেটারি - ২ জন
জয়েন্ট জেনেরাল সেক্রেটারি - ১৮ জন (আরও কয়েকজন যুক্ত হবেন)



দলে সিধান্ত নিতে গণতন্ত্রের চর্চা থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট, এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, জেনেরাল সেক্রেটারি এবং কো-জেনেরাল সেক্রেটারি - এর মতামতের ভিত্তিতে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে। দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকলে প্রেসিডেন্ট, প্রেসিডেন্ট এর অনুপস্থিতিতে (ফিসিকালি বা ডিজিটালি) এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট এবং এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট এর অনুপস্থিতিতে (ফিসিকালি বা ডিজিটালি) প্রেসিডেন্ট কর্তৃক মনোনীত অ্যাক্টিং এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট এর সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।


সেক্রেটারিয়েট - Secretariat

জেনেরাল সেক্রেটারি, কো-জেনেরাল সেক্রেটারি এবং জয়েন্ট জেনেরাল সেক্রেটারি এর দায়িত্বে যারা থাকবেন তারা পুরো দলটিকে গোছাবেন। দলের মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করবেন।

Energetic, enthusiastic (স্বপ্নের বাংলাদেশ, দল গড়ে তোলা এসব ব্যাপারে অনেক enthusiasm; আমরা visionary ব্যক্তিদের দেখতে চাই), সবার সাথে ভাল সম্পর্ক - রিপ্রেসেন্টেটিভ হিসেবে সবাই মেনে নেবেন, convince করার ক্ষমতা ভাল, অতীতে কোন সংগঠনকে কাছ থেকে দেখেছেন, এমন বেক্তিরা স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে জনগণকে সংগঠিত করার দায়িত্ব নিয়ে নাগরিক শক্তির সেক্রেটারিয়েটের সাথে যুক্ত হবেন।

গীতা সেনদের, দরিদ্র রিকশাচালকদের, বঞ্চিত স্রমিকদের, অসহায় কৃষকদের, কতিপয় দুর্নীতিবাজের কারসাজির কাছে সর্বস্ব হারানো শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারিদের পাশে গিয়ে দাঁড়াতে হবে। নীরব সংখ্যাগরিষ্ঠ তথা সাইলেন্ট মেজরিটি কে সংগঠিত করতে হবে।

কেউ বিরোধিতা করলে সবাই পাল্টা aggressive হয়ে আরও দূরে সরিয়ে দেয়। আমরা করবো উল্টো - তাকে আরও ভালমত বোঝার চেষ্টা করবো - তার কি কি ভুল ধারণা আছে বোঝার চেষ্টা করবো। প্রথমে যেসব ব্যাপারে একমত সেসব ব্যাপার দিয়ে এক হব। তারপর দূরত্বের ব্যাপারগুলো। আমাদের প্রত্যেককে মনে রাখতে হবে - নিজের সব ধারণা ঠিক নাও হতে পারে - অন্যের যুক্তিযুক্ত মতামত গ্রহণ করার মানসিকতা থাকতে হবে। অপরের চোখ দিয়ে, অপরের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখার গুনটি চর্চা করতে হবে। আমাদের লক্ষ্য ১৬ কোটি বাংলাদেশীকে নাগরিক শক্তির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ করা। 

আমরা যোগ্য ব্যক্তিদের মূল্যায়ন করে তাদের মন জয় করবো। এতে তাদের কাজে উৎসাহও বাড়বে।

জয়েন্ট জেনেরাল সেক্রেটারি নিয়োগ
  • বিজনেস পারসোনালিটি (ব্যবসায়িদের প্রতিনিধি) - ২ জন (একজন সিনিয়র জয়েন্ট জেনেরাল সেক্রেটারি)
  • নারী প্রতিনিধি - ১ জন 
  • জাতিগত এবং ধর্মীয় জনগোষ্ঠীদের প্রতিনিধি - ২ জন (১ জন পাহাড়ি জাতি গোষ্ঠীদের প্রতিনিধিত্ব করবেন, অপরজন সনাতনী এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের প্রতিনিধিত্ব করবেন) 
  • তরুণদের এবং যুব সমাজকে সংগঠিত করার অভিজ্ঞতা আছে, করছেন; দেশের কল্যাণে কাজ করছেন, আরও করতে ইচ্ছুক - ১ জন 
  • দেশের স্বার্থ রক্ষায়, দেশের সম্পদ রক্ষায় জনগণকে সংগঠিত করছেন - ১ জন
  • আদর্শ গ্রামীণ কৃষক, কৃষক সমাজের প্রতিনিধি - ১ জন 
জেনেরাল সেক্রেটারি সাহেব কো-জেনেরাল সেক্রেটারি সাহেবদের পরামর্শের ভিত্তিতে প্রেসিডেন্ট এবং এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট সাহেবের এর অনুমোদন সাপেক্ষে নিয়োগ দেবেন।


স্বপ্ন নিয়ে, enthusiasm নিয়ে যারা দলের সাথে যুক্ত হতে চান প্রত্যেকে যাতে দলে পদ নিয়ে (হতে পারে গ্রাম বা মফস্বল পর্যায়ে জয়েন্ট সেক্রেটারি বা মেম্বার) যুক্ত হতে পারেন তা নিশ্চিত করা হবে। এতে সবার উৎসাহ বাড়বে। প্রতিটি কর্মকান্ডে আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা জনগণের দল। নাগরিক শক্তির প্রত্যেক স্থানীয় মেম্বার গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকের দলের প্রতি আনুগত্য থাকবে। দলের প্রত্যেক নেতা এবং সদস্য নাগরিক শক্তির মূলনীতিগুলোর উপর আস্থা এবং বিশ্বাস রাখবেন। প্রত্যেকের দায়িত্ব হবে নিজের এলাকায়, পরিচিতদের মাঝে নাগরিক শক্তিকে ছড়িয়ে দেওয়া।

ব্যক্তির চেয়ে দল বড় এবং দলের চেয়ে দেশ বড় - এটি প্রতিষ্ঠিত হবে। আমাদের ক্ষেত্রে কোন নেতার চেয়ে “নাগরিক শক্তি” বড় এবং “নাগরিক শক্তি”র চেয়ে বাংলাদেশ বড়।


দলের প্রতিটি পর্যায়ে ক্ষমতার ভারসাম্য থাকবে। দলে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা প্রত্যেকের জনগণের কাছে জবাবদিহিতা থাকবে।

স্থানীয় পর্যায়ের সংগঠনগুলোতে একক কর্তৃত্বের বদলে ক্ষমতার ভারসাম্য থাকবে। কেউ নেতা হতে চাইলে জনসমর্থন নিয়ে, জনগণের মান্ডেট নিয়ে নেতা হতে হবে। 

সবার কাজ কেন্দ্রিয়ভাবে সমন্বয় করা হবে - নেটওয়ার্ক ম্যাপ করা (আমাদের নেটওয়ার্কে কারা আছেন, কিভাবে বাড়ানো যায়), দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া। [1]

নাগরিক শক্তি হবে জনগণের দল। আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেব। তৃনমূল পর্যায় থেকে নেতৃত্ব গড়ে উঠবে এবং কাউকে নেতা হতে হলে জনগণের কাছে মান্ডেট নিয়ে, জনগণের মন জয় করে নেতা হয়ে উঠতে হবে - নেতারা হবেন আক্ষরিক অর্থেই জনগণের প্রতিনিধি।

নাগরিক শক্তির নেতা কর্মীদের মাঝে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন, স্নেহের বন্ধন, ভালবাসা এবং স্রদ্ধার বন্ধন থাকবে। নাগরিক শক্তি হবে একটা কমিউনিটির মত। মানুষ কখনও নিজের পরিবার ছেড়ে যেতে পারে না। নাগরিক শক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট সবাই দলটিকে বৃহৎ একটি পরিবার হিসেবে দেখবেন। 

নাগরিক শক্তির সমর্থকদের মাঝে যোগাযোগের নতুন নতুন মাধ্যম, উপায় তৈরি করে দিতে হবে। যোগাযোগ, ইন্টারেকশানের মাধ্যমে সবার মাঝে বন্ধন দৃঢ় হবে। দেশের নতুন নতুন সমস্যা চিহ্নিত করণ এবং সমাধানে সহায়ক হবে। যারা নাগরিক শক্তির ধারণা এবং স্বপ্নগুলোর সাথে, সদস্য এবং নেতৃত্বের সাথে আবেগের বন্ধনে আবদ্ধ হবেন তারাই নাগরিক শক্তিকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেবেন।  

জনগণের আশা আকাঙ্খা সমস্যা প্রত্যাশা লিপিবদ্ধ করতে হবে। আমরা এ লক্ষ্যে নিজস্ব ডেটাবেইস গড়ে তুলব। ডেটাবেইসে বাংলাদেশ বিষয়ক সব তথ্য, জনগণের আশা আকাঙ্খা সমস্যা মতামত, বিভিন্ন সার্ভেই রেসাল্ট, আমাদের বিভিন্ন নেটওয়ার্ক, প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় দলীয় অবস্থান, প্রার্থীর অবস্থান ইত্যাদি থাকবে। এসব ডেটা এর উপর ডেটা অ্যানালাইসিস, স্ট্যাটিস্টিক্যাল অ্যানালাইসিস হবে, সার্চ করার বাবস্থা থাকবে।

নাগরিক শক্তি জনগণের অন্তর্নিহিত শক্তিতে বিশ্বাসী দল। বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষের মাঝে যে বিশাল অন্তর্নিহিত শক্তি লুকিয়ে আছে নাগরিক শক্তি তাকে জাগ্রত করবে।

দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করার পর দলের পদগুলোর জন্য নির্বাচন ঘোষণা করা হবে। 

নাগরিক শক্তির গ্র্যান্ড ভিশনঃ সারা দেশের ১৬ কোটি বাংলাদেশীকে ঐক্যবদ্ধ করা।




ন্যাশনাল কাউন্সিল - National Council


রাজনৈতিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত বা সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত বেক্তিরা, দেশের নাগরিক সমাজের সদস্যরা যারা দেশের জন্য, জনগণের জন্য, দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে কাজ করবেন, তারা Member of National Council এবং Associate of National Council হিসেবে যুক্ত হবেন।

ন্যাশনাল কাউন্সিলের Members এবং Associates এর দায়িত্বে যারা থাকবেন তারা নিজ নিজ জেলা সংগঠনের দায়িত্বও পালন করবেন।



অ্যাডভাইসারি কাউন্সিল - Advisory Council


সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত সম্মানিত বেক্তিরা, দেশের নাগরিক সমাজের সদস্যরা যারা দেশ গঠনে গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা রাখতে ইচ্ছুক এবং দলকে সঠিক পরামর্শ দিয়ে দলের পাশে থাকতে চান, তারা Advisory Council এ Adviser হিসেবে যুক্ত হবেন।

National Council এর Members, Associates এবং Advisory Council এর Advisers রা প্রত্যেকে নিজ নিজ দক্ষতা অনুযায়ী, নিজের পছন্দ অনুসারে কাজের ক্ষেত্র বেছে নেবেন। এতে কাজের ফোকাস থাকবে, কর্মপরিকল্পনা থাকবে। দল এ ব্যাপারে সর্বাত্মক সহায়তা করবে।



জনকল্যাণের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নাগরিক শক্তি

নাগরিক শক্তি জনকল্যাণের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।

নাগরিক শক্তি দেশের তরুণদের জন্য বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেবে। এ লক্ষ্যে নাগরিক শক্তি দেশের নাগরিক সমাজ ও ব্যবসায়ী সমাজ এবং তরুণদের মাঝে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে।

নাগরিক শক্তির সাথে যুক্ত যে কেউ এক একটা জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে কেন্দ্রকে জানাতে পারেন। দেশের জন্য কল্যাণকর মনে হলে কেন্দ্র থেকে সব ধরণের সহায়তা করা হবে। নাগরিক শক্তির নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে দেশের প্রতিটা অঞ্চলে পৌঁছা যাবে।

কেউ লক্ষ্য হিসেবে নেবেন দেশের প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে কোন একটা প্রকল্প - হতে পারে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে ঢেলে সাজানো। কেউ একটি এলাকার নারী অধিকার নিয়ে কাজ করবেন। কেউ যৌতুক প্রথার বিরুদ্ধে দেশব্যাপী গণসচেতনতা সৃষ্টি করবেন - সারা দেশের মানুষ তার সাথে যোগ দেবেন। সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তার জন্য জনগণকে সংগঠিত করবেন কেউ। কেউ তরুণ উদ্যোক্তাদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে নাগরিক শক্তির সহায়তায় সমাধানে কাজ করবেন। শিল্প বিকাশের পথে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানে নাগরিক শক্তির পুরো নেটওয়ার্ক ব্যবহার করবেন কোন শিল্প ব্যবসায়ী।

পুরো লক্ষ্যটাকে নাগরিক শক্তির পক্ষ থেকে কয়েক ভাগে ভাগ করে বাস্তবায়ন করা হবে। অগ্রগতি নির্দিষ্ট সময় অন্তর পর্যালোচনা করা হবে। সমস্যা, বাঁধাগুলো চিহ্নিত করা হবে এবং সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে।




নাগরিক আন্দোলন 

স্থানীয়ভাবে জনগণ বিভিন্ন ইস্যুতে (যেমন মাদক বিরোধী, যৌতুক বিরোধী) "নাগরিক আন্দোলন" গড়ে তুলবেন। "নাগরিক কর্মসূচী" দেবেন। এলাকায় এলাকায় "নাগরিক কমিটি" গড়ে তুলবেন। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের "নাগরিক আন্দোলনে" সম্পৃক্ত করবেন।
জনগণের ঐক্যবদ্ধ শক্তির প্রচেষ্টায় গড়ে উঠবে স্বপ্নের বাংলাদেশ।
নাগরিক শক্তির সমর্থকরা জনগণকে সংগঠিত করার লক্ষ্যে কাজ করবেন।   


তরুণ নেতৃত্ব

আমাদের আছে প্রাণশক্তিতে ভরপুর বিশাল একটা তরুণ প্রজন্ম। দেশের ৫০ ভাগ মানুষের বয়স ২৩ বা তারও কম। এই তরুণ তরুণীদের মাঝে স্বপ্ন, উদ্যম, উৎসাহের কোন ঘাটতি নেই। ওরা পরাজয় খুব একটা দেখেনি – তাই পরাজয় খুব একটা মানতেও চায় না। ওরা পছন্দ করে একসাথে সময় কাটাতে। দেশের তরুন তরুণীরা দল বেঁধে নতুন নতুন উদ্যোগ নিয়ে সমস্যা সমাধানে ঝাঁপিয়ে পড়বে – হতে পারে নিজেদের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন সমস্যা, হতে পারে নিজেদের এলাকার। কেউ উদ্ভাবন করে বসবে এমন কিছু যা দিয়ে অনেক অনেক মানুষের জীবনের একটা দিক পুরোপুরি বদলে যাবে। আমাদের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর তরুণ প্রজন্ম নিশ্চয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইবে!


তরুণরাই নাগরিক শক্তির প্রাণ।


তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যৎ নির্বাচনগুলোকে সামনে রেখে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে জনকল্যাণমূলক রাজনীতি করার লক্ষ্যে গড়ে তোলা হবে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সৎ, জনপ্রিয়, মেধাবী, যোগ্য কয়েকজন তরুণ-তরুণীকে আগামী সংসদ নির্বাচনে নাগরিক শক্তির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হবে।

দলে তরুণদের উপযুক্ত দায়িত্ব দেওয়া হবে। জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সম্পৃক্তকরণের পাশাপাশি পাবলিক রিলেশান্সঃ সোশ্যাল মিডিয়া, যোগাযোগ প্রযুক্তি মাধ্যম (বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মূলত সেলফোন প্রযুক্তি), প্রিন্ট মিডিয়া, টিভি মিডিয়া; সারভেয়িং; বিভিন্ন কর্মসূচী ইত্যাদি।

তরুণরা সকল অন্যায় অবিচার দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর হিসেবে ভূমিকা পালন করবেন। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সারা দেশের মানুষের চাওয়া পাওয়া তুলে ধরবেন।

আমরা চাই তরুণ তরুণীরা নতুন নতুন আইডিয়া, সৃজনশীল কর্ম পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসুক।




স্বচ্ছতা - ট্রান্সপারেন্সি

দলের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা থাকবে। দলের আয় বায়ের হিসাব (ফান্ড রেইজিং এর হিসাবসহ) নির্দিষ্ট সময় অন্তর জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।

ট্রেসারার হিসেবে একজন গ্রহণযোগ্য বেক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া হবে এবং তিনি দলের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবেন।



পার্টি উইংগস - দলীয় অঙ্গসংগঠন


এসব পার্টি উইংগস এর শীর্ষপদধারীরা সেক্রেটারিয়েটের মাধ্যমে দলের সাথে যুক্ত হবেন
  • নাগরিক তরুণ শক্তি
  • নাগরিক নারী শক্তি
  • নাগরিক কৃষক শক্তি
  • নাগরিক শ্রমিক শক্তি
  • নাগরিক ছাত্র শক্তি
  • নাগরিক ওলামা শক্তি
  • নাগরিক পাহাড়ি শক্তি
  • নাগরিক হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য শক্তি
  • নাগরিক গণজাগরণ মঞ্চ
  • নাগরিক উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারি শক্তি
  • নাগরিক প্রবাসী কর্মী শক্তি 
উৎসাহী এবং যোগ্য হলে একই ব্যক্তি একাধিক পার্টি উইংগস এর সদস্য হতে পারেন। সবার মাঝে যত বেশি ইন্টারেকশান হবে তত ভাল।  


এসব পার্টি উইংগস এর শীর্ষপদধারীরা ন্যাশনাল কাউন্সিলের মাধ্যমে দলের সাথে যুক্ত হবেন
  • নাগরিক মুক্তিযোদ্ধা শক্তি
  • নাগরিক শিল্প ব্যবসায়ি শক্তি
  • নাগরিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ি শক্তি
  • নাগরিক আইনজীবী শক্তি
  • নাগরিক চিকিৎসক শক্তি
  • নাগরিক প্রকৌশলী শক্তি
  • নাগরিক সাংবাদিক শক্তি
সারা দেশের আইনজীবীদের সংগঠিত করার কাজ শুরু করতে হবে। একইভাবে সারা দেশের চিকিৎসকদের, প্রকৌশলীদের, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়িদের, উদ্যোক্তাদের মাঝে নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে সংগঠিত করতে হবে।





অ্যাডভাইসারি কাউন্সিলের মাধ্যমে দলের সাথে যুক্ত হবেনঃ:
  • নাগরিক অর্থনীতি ফোরাম 
  • নাগরিক বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও শিক্ষা ফোরাম
  • নাগরিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ফোরাম
  • নাগরিক সামাজিক ব্যবসা ফোরাম
  • নাগরিক কৃষি ফোরাম
  • নাগরিক নগর পরিকল্পনা ফোরাম 
  • নাগরিক জাতীয় সম্পদ রক্ষা ফোরাম 
  • নাগরিক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা ফোরাম
  • নাগরিক নারী অধিকার রক্ষা ফোরাম 
  • নাগরিক ফরেইন পলিসি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক ফোরাম 
  • নাগরিক শিল্প, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ফোরাম 

সর্বজন সম্মানিত ব্যক্তিদের আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত করে পার্টি উইংগসগুলো সংগঠিত করার কাজ শুরু করতে হবে। 


নাগরিক শক্তির এলাকাভিত্তিক সংগঠকদের দায়িত্ব নির্ধারণ করে দিতে হবে। 

যেমন -

জেলা পর্যায়ে

  • নারায়ণগঞ্জ জেলা নাগরিক শক্তি আহ্বায়ক কমিটি 
  • কক্সবাজার জেলা নাগরিক শক্তি আহ্বায়ক কমিটি
  • টাঙ্গাইল জেলা নাগরিক শক্তি আহ্বায়ক কমিটি
  • মুন্সিগঞ্জ জেলা নাগরিক শক্তি আহ্বায়ক কমিটি

সিটি কর্পোরেশান পর্যায়ে 
ঢাকা 
চট্টগ্রাম 

এভাবে জেলা, উপজেলা, সিটি কর্পোরেশান, গ্রাম পর্যায়ের আহ্বায়ক কমিটি।

আহ্বায়ক মনোনয়ন 

  • নাগরিক তরুণ শক্তি
রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত, তরুণ রাজনীতিবিদদের রোল মডেল, রাজনীতিতে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তরুণদের সংগঠিত করেছেন - ৪ জন

তরুণদের এবং যুব সমাজকে সংগঠিত করার অভিজ্ঞতা আছে, করছেন; দেশের কল্যাণে কাজ করছেন, আরও করতে ইচ্ছুক - ১ জন

শিক্ষাগত যোগ্যতায় এবং কর্মক্ষেত্রে দেশের তরুণদের রোল মডেল - ১০ জন

দেশের তরুণদের সংগঠনের অংশ হিসেবে তরুণদের সংগঠিত করেছেন, নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন ঘরে ঘরে পৌঁছে  দিতে চান  - কয়েকজন 




  • নাগরিক ছাত্র শক্তি
প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ-মাদ্রাসায় সবার পছন্দের কয়েকজন আদর্শ ছাত্রছাত্রী। 

আমরা শিক্ষাঙ্গনে


  • জ্ঞান চর্চা 
  • জ্ঞানের আদান প্রদান 
  • ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য নিজেকে তৈরি করা 
  • সুস্থ রাজনীতির চর্চা, শিক্ষাঙ্গনের বিভিন্ন সমস্যা নিজেরা সমাধান করা 
  • উদ্ভাবনী উদ্যোগ 
দেখতে চাই।

ছাত্রছাত্রীরা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে, দেশের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে এবং সবকিছুর উপরে নিজেদের যোগ্য সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে দল বেঁধে কাজ করবে।




  • নাগরিক ওলামা শক্তি
দেশের আলেম ওলামাদের কাছে শ্রদ্ধেয় সম্মানিত বয়োজোষ্ঠ ব্যক্তি - ১ জন

সম্মানিত আলেম, দেশের আলেম ওলামাদের সংগঠিত করেছেন - ১০ জন




  • নাগরিক গণজাগরণ মঞ্চ
দেশের তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করেছেন - ৭ জন




  • নাগরিক উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারি শক্তি
দেশে একটা ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিভলিউশান এর সূচনায় তরুণ প্রজন্মকে সংগঠিত করতে চান, উদ্যোক্তা বা ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী হিসেবে কাজ করছেন - ১০ জন


সম্মানিত সিনিয়ার মুক্তিযোদ্ধাদের আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত করে নাগরিক মুক্তিযোদ্ধা শক্তি সংগঠন।
সম্মানিত সিনিয়ার আইনজীবীদের আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত করে নাগরিক আইনজীবী শক্তি সংগঠন।
সম্মানিত সিনিয়ার চিকিৎসকদের আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত করে নাগরিক চিকিৎসক শক্তি সংগঠন।
সম্মানিত সিনিয়ার প্রকৌশলীদের আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত করে নাগরিক প্রকৌশলী শক্তি সংগঠন।
সম্মানিত সিনিয়ার শিল্প ব্যবসায়িদের আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত করে নাগরিক শিল্প ব্যবসায়ি শক্তি সংগঠন।
সম্মানিত সিনিয়ার সাংবাদিকদের আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত করে নাগরিক সাংবাদিক শক্তি সংগঠন।


আহ্বায়ক মনোনয়ন
জেনেরাল সেক্রেটারি সাহেব কো-জেনেরাল সেক্রেটারি সাহেবদের পরামর্শের ভিত্তিতে প্রেসিডেন্ট এবং এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট সাহেবের অনুমোদন সাপেক্ষে মনোনয়ন দেবেন।



দলীয় কর্মসূচী 

জরুরি বিষয় বাদে দলীয় রাজনৈতিক কর্মসূচী ছুটির দিনগুলোতে দেওয়া হবে। এতে অর্থনীতির উপর, জনগণের উপর ক্ষতিকর প্রভাবও পড়বে না, জনসমাগমও বেশি হবে। নাগরিক শক্তি সব দলকে একই পথ অনুসরণ করতে আহ্বান জানাবে।


রেফরেন্স

নাগরিক শক্তির নেতৃত্বে গনজোয়ার

নাগরিক শক্তির Strength
  • মুক্তিযোদ্ধা সমাজ 
  • নাগরিক সমাজ
  • তরুণ প্রজন্ম
  • ব্যবসায়ি সমাজ
  • গ্রামীণ নারী
  • মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট, আলেমসমাজ
  • ক্ষুদ্র ও মাঝারী ব্যবসায়ী 
  • পাহাড়ি জনগোষ্ঠী
  • কৃষক সমাজ
  • রাজনৈতিক দল, নেতাকর্মীরা
  • ঘোষণা দেওয়ার পর আমাদের “স্টার-প্যাকড” নেতৃত্ব
  • বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ 

আমাদের অত্যন্ত শক্তিশালী তিনটি নেটওয়ার্ক আছে - তিনটি নেটওয়ার্কের প্রতিটির আওতায় মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষ আছেন।

আরও দুটি ডেমোগ্রাফিক আছে - প্রত্যেকটি কয়েক মিলিয়ন মানুষের।



গ্রামীণ নারী 
- ৮০ লক্ষ +

মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট, আলেমসমাজ - ৩০ লক্ষ +

গার্মেন্টস কর্মী - ৪০ লক্ষ

শেয়ারবাজারে ক্ষতিগ্রস্থ বিনিয়োগকারী - ৩০ লক্ষ +

তরুণ ভোটার - (১৮ - ৩৫ বছর) - মোট ভোটারের ৪৫%, অর্থাৎ ৯ কোটি + ভোটারের মধ্যে প্রায় ৪ কোটি+।
এদের overwhelming majority (প্রায় সবাই, ৯০% +) নাগরিক শক্তির সাথে থাকবেন।

ফেইসবুক ব্যবহারকারি - ৫০ লক্ষ +। এই সংখ্যা দ্রুতগতিতে বাড়ছে। ব্যবহারকারীর সংখ্যা এক কোটিতে পৌঁছাতেও খুব বেশি সময় লাগবে না। 

এদের overwhelming majority (প্রায় সবাই, ৯০% +) নাগরিক শক্তির সাথে থাকবেন।


নারী ভোটার - ৪ কোটি ৫০ লক্ষ +।
মেডিক্যাল কলেজগুলোতে আনুমানিক ৬০ ভাগ ছাত্রী। গ্রামীণ ব্যাংক - ৮৪ লক্ষ গ্রাহক, ৯৭% নারী। গার্মেন্টস - ৪০ লক্ষ কর্মীর মধ্যে প্রায় ৮৫% নারী কর্মী। 

এদের overwhelming majority (প্রায় সবাই, ৯০% +) নাগরিক শক্তির সাথে থাকবেন।


নাগরিক শক্তির পরবর্তী লক্ষ্য 


কৃষক সমাজ
আমাদের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এদের সংগঠিত করা হবে।
(প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।)

ভিন্ন ধর্মাবলম্বী, জাতিগোষ্ঠী (প্রায় ৮০ লক্ষ ভোটার)
বিএনপি-জামায়াত জোট সুযোগ পেলে ঝাপিয়ে পড়বে। আওয়ামী লীগের পক্ষে নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব না। একমাত্র নাগরিক শক্তির পক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব। নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে ২০০১ নির্বাচন উত্তর সংখ্যালঘু নির্যাতন, রামু, পটিয়া, অন্যান্য হামলা এবং সাম্প্রতিক নির্বাচনকালীন হামলাগুলোর সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে বাংলাদেশে চিরদিনের জন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত করবে। এখন জনগণকে সংগঠিত করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী, জাতিগোষ্ঠীর মন জয় করতে হবে।
(প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।)

প্রবাসে কর্মরতদের পরিবার
প্রবাসে প্রায় ১ কোটি কর্মী কর্মরত আছেন। তাদের পাঠানো ফরেইন রেমিটেন্সের অর্থ আমাদের অর্থনীতিতে একটা নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তারা একটা নতুন ডেমগ্রাফি গড়ে তুলছে। তাদের কারও কারও পরিবারের একটা অংশ গ্রামে থাকলেও ছেলেমেয়েরা শহরে পড়াশোনা, কাজ করছে। এই ডেমগ্রাফির আশা আকাঙ্ক্ষা স্বপ্ন বোঝার চেষ্টা করতে হবে। প্রবাসে কর্মরতদের বিভিন্ন সমস্যা যেমন উন্নত কাজের পরিবেশ, থাকার পরিবেশ এবং সর্বোপরি স্বাস্থ্য সুবিধা নিশ্চিত করতে ক্ষমতায় গিয়ে বাংলাদেশ এম্বেসিগুলোর ভূমিকা বাড়ানো হবে এবং এখন সবাইকে সাথে নিয়ে সরকারকে যথাযথ উদ্যোগ নিতে চাপ দেওয়া হবে। এক একটি দেশে কর্মরতদের পরিবারদের নিয়ে এক একটি সংগঠন গড়ে তোলা যায়। এভাবে শুরু করতে পারলে যারা সংগঠনে আছেন তারাই নিজেদের শক্তিশালী করতে, অধিকার দাবি দাওয়া আদায় করতে অন্যদের অন্তর্ভুক্ত করবেন।
(প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।)


এলাকাভিত্তিক ভোটার জয় 

(প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।)
আগামী নির্বাচনে চট্টগ্রাম জেলার ৯০%+ ভোটার নাগরিক শক্তির সাথে থাকবেন।
পাশাপাশি, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কক্সবাজার এবং দেশের অন্যান্য জেলায় নাগরিক শক্তির শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে উঠছে।


এরা সবাই যখন পরিবার, পরিচিতদের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়বে!

সাথে যোগ দেবেন প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদরা।

আমাদের “স্টার-প্যাকড” নেতৃত্বের পাশে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলো!

সবার উপরে আমাদের ভিশন এবং জনগণের পাশে থেকে জনগণের জন্য উন্নয়নের রাজনীতি করার অভিপ্রায়। আর মেধা - নেটওয়ার্ক এবং উন্নত ইলেকশান ক্যাম্পেইন স্ট্রাটেজি।

মানুষ সমাজসেবকদের ভোট দেবেন নাকি সন্ত্রাসীদের গডফাদার, দুর্নীতিবাজদের ভোট দেবেন?

সন্ত্রাসীদের গডফাদাররা, দুর্নীতিবাজরা কালো টাকা, পেশি শক্তি ব্যবহার করতে না পারলে (নির্বাচনী আচরণবিধি সঠিকভাবে প্রয়োগ হলে) তাদের কে ভোট দেবে? অভিজ্ঞতা থেকে জানি, এসব নির্যাতনকারী, খুনি সন্ত্রাসীদের গডফাদারদের বিরুদ্ধে মানুষের চরম ক্ষোভ - কাউকে পেলে ছাড়বেন না - প্রাণের ভয়ে চুপ করে থাকেন।

আর আওয়ামী বাংলাদেশ - জাতীয়তাবাদী বাংলাদেশের নামে দেশ বিভক্তি নয় - এবার নাগরিক শক্তির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ।

গণজোয়ার উঠবে!





তরুণদের ভাবনা

৮৯% তরুণ দেশের প্রচলিত রাজনীতিতে সন্তুস্ট নন।

৯৮% তরুণ মনে করেন মেধাবী তরুণদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের জন্য প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোতে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন।

৯১% তরুণ মনে করেন - প্রচলিত রাজনীতি গনতন্ত্রামনা রাজনীতি বিকাশের উপযুক্ত নয়।



নাগরিক শক্তি

অস্ত্র-গোলাবারুদ-ড্রোন হোক বাংলাদেশের পরবর্তী রপ্তানি পণ্য


অস্ত্র ও গোলাবারুদ হতে পারে বাংলাদেশের পরবর্তী রপ্তানি পণ্য। অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানি শুরু করলে আমরা ড্রোন এর মত আধুনিক প্রযুক্তিও অচিরেই রপ্তানি করতে পারবো।

তবে অস্ত্র ও গোলাবারুদ মত স্পর্শকাতর পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন জরুরি। অস্ত্র ও গোলাবারুদ কোন দেশে কোথায় রপ্তানি করা হচ্ছে, তাদের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেমন - রপ্তানির সময় এসব বিবেচনা করেই সিধান্ত নেবে বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা (বিওএফ)।


"অস্ত্র-গোলাবারুদ রপ্তানি করতে চায় বাংলাদেশ

অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানি করতে চায় বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা (বিওএফ)। এ ব্যাপারে অনুমোদন চেয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে বিওএফ।

১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ প্রথম চার কোটি ডলারের অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানি করেছিল। ৩০ বছর পর আবার এই উদ্যোগ নেওয়া হলেও বর্তমানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানির কোনো আইন বা নীতিমালা নেই। পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ‘অস্ত্র ছাড়া সবকিছু’ (এভরিথিং বাট আর্মস)—এই নীতি অনুসরণ করে আসছে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সেনাসদর অস্ত্র রপ্তানির বিষয়টির অনুমোদন দেয়। এর আগে অনুমোদন দিয়েছে আগের সরকারের আমলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। তৎকালীন কমিটির প্রধান ইদ্রিস আলী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি এখনো মনে করি, অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানি করা যেতে পারে।’

বিওএফের চিঠি সূত্রে জানা যায়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা পরিদপ্তর ২০১৩ সালের ২৮ জুলাই বাংলাদেশ থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানির ব্যাপারে প্রথম আগ্রহ দেখায়। এরপর ২১ জানুয়ারি এই আগ্রহের সূত্র ধরে ‘বিওএফ কর্তৃক অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানিকরণের লক্ষ্যে মতামত প্রসঙ্গে’ শীর্ষক বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয় বিওএফ।

চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সমরাস্ত্র উৎপাদনে সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে বিওএফ তার উৎপাদন পরিসর অনেক সম্প্রসারিত করেছে। ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক মান সংস্থার (আইএসও) সনদ পেয়েছে বিওএফ। অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানির অনুমোদন পাওয়া গেলে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যাবে। এ বিষয়ে পরনির্ভরশীলতা কমবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
এ জন্য তৎকালীন রপ্তানি নীতি আদেশ (২০০৯-১২) সংশোধনের অনুরোধও জানায় বিওএফ। নিষিদ্ধ পণ্য তালিকায় অস্ত্র থাকার কথা উল্লেখ করেও বিওএফ বলেছে, শর্ত সাপেক্ষে রপ্তানিবিষয়ক যে ধারাটি রপ্তানি আদেশে রয়েছে, সেটি শিথিল করে অস্ত্র রপ্তানির অনুমতি দেওয়া যায়।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, অস্ত্র রপ্তানির জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় রপ্তানি নীতি আদেশের ২.৩ ধারা সংশোধনের উদ্যোগও নিয়েছে। ‘রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ শিথিল করার ক্ষমতা’ শিরোনামের এই ধারায় বলা হয়েছে, ‘উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে সরকার পরিশিষ্ট-১-এ বর্ণিত কোনো নিষিদ্ধ পণ্য রপ্তানির অনুমতি প্রদান করতে পারবে। এ ছাড়া, সরকার বিশেষ বিবেচনায় কোনো পণ্য রপ্তানি, রপ্তানি-কাম-আমদানি অথবা পুনঃ রপ্তানির অনুমতিপত্র জারি করতে পারবে।’
বিদ্যমান রপ্তানি নীতি আদেশের পরিশিষ্ট-১-এ রপ্তানি নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকা দেওয়া রয়েছে। পরিশিষ্টের ৮.৬ অনুযায়ী ‘আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ ও সংশ্লিষ্ট উপকরণ’ রপ্তানি নিষিদ্ধ। পরিশিষ্ট-২-এ শর্ত সাপেক্ষে রপ্তানি পণ্যের তালিকা দেওয়া রয়েছে, সেখানেও অস্ত্র ও গোলাবারুদ নেই।
এতে আরও বলা হয়েছে, রাসায়নিক অস্ত্র (নিষিদ্ধকরণ) আইন, ২০০৬-এর তফসিল ১, ২ ও ৩-এ বর্ণিত রাসায়নিক দ্রব্যাদি উক্ত আইনের ৯ ধারার বিধান মোতাবেক রপ্তানি নিষিদ্ধ বা রপ্তানিযোগ্য হবে।
রপ্তানি আদেশ সংশোধনে বাণিজ্যসচিব মাহবুব আহমেদের তৈরি করা একটি সারসংক্ষেপ অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে উপস্থাপনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে গত ১০ মার্চ এ বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। যুগ্ম সচিব এ কে মফিজুল হক স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘অস্ত্র গোলাবারুদ রপ্তানির সময় দেশের অভ্যন্তরে পরিবহনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা প্রদানের লক্ষ্যে এ মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তি জানানো হলো।’
এ অনাপত্তির কথা সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, পুলিশের মহাপরিদর্শক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকা কাস্টম হাউসের কমিশনার এবং হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালককে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক সেনাপ্রধান কে এম সফিউল্লাহ বলেন, অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানি দেশের অর্থনীতির প্রসারের জন্য ইতিবাচক হবে। তবে এমন কোনো দেশে রপ্তানি করা যাবে না, যারা সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত।
আরেক সাবেক সেনাপ্রধান মাহবুবুর রহমান বলেন, অস্ত্র রপ্তানি করলে বন্ধুপ্রতিম দেশে করা উচিত। নইলে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, গাজীপুরের জয়দেবপুরে অবস্থিত সমরাস্ত্র কারখানাটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু ১৯৭০ সালে। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ পরিচালিত এই কারখানা মুক্তিযুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ১৯৮২ সালে এর আধুনিকায়নের কাজ শুরু হয়। বর্তমানে পাঁচটি কারখানা পরিচালনা করছে বিওএফ। চীন, অস্ট্রিয়া, অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, জার্মানি ও ইতালির প্রযুক্তি সহায়তায় বিওএফ বর্তমানে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ সংস্থা।
সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ভারত ও পাকিস্তান অস্ত্র-গোলাবারুদ রপ্তানি করে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলে বাংলাদেশ হবে সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে তৃতীয় অস্ত্র রপ্তানিকারক দেশ।
বিশ্বের সব দেশের ওপরই বিশ্বব্যাংক প্রতিবছর ‘বিশ্ব উন্নয়ন নির্দেশক: সামরিক ব্যয় ও অস্ত্র স্থানান্তর’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ প্রথম অস্ত্র রপ্তানি করে চার কোটি ডলার আয় করে। এর আগে বা পরে অস্ত্র বা গোলাবারুদ রপ্তানির কোনো উদাহরণ খুঁজে পাওয়া যায়নি।

শীর্ষ ১০ অস্ত্র রপ্তানিকারক: স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই) অস্ত্র উৎপাদন, রপ্তানি ও আমদানি নিয়ে সমীক্ষা করে। গত মার্চে ‘ট্রেন্ডস ইন ইন্টারন্যাশনাল আর্মস ট্রান্সফার’ শীর্ষক সমীক্ষা অনুযায়ী, বিশ্বের শীর্ষ ১০ অস্ত্র রপ্তানিকারক দেশ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, জার্মানি, চীন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, স্পেন, ইউক্রেন, ইতালি ও ইসরায়েল।


- অস্ত্র-গোলাবারুদ রপ্তানি করতে চায় বাংলাদেশ




অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানি বিষয়ক তথ্য 




বাংলাদেশে হোক ড্রোন শিল্পের বিকাশ


"আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে ঢাকার পুলিশও পিছিয়ে থাকছে না। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে নজরদারির উপকরণ হিসেবে ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) চালকবিহীন বিমান বা ড্রোন সংযুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
ওই প্রক্রিয়ার প্রাথমিক ধাপ হিসেবে আজ বুধবার ডিএমপি সদর দপ্তরে দেশের চার উদ্ভাবকের তৈরি করা একটি ড্রোন পরীক্ষামূলকভাবে ওড়ানো হয়। সদর দপ্তরের সামনের বাগানে দূর নিয়ন্ত্রিত চার পাখাওয়ালা সরাসরি মাটি থেকে উড়তে ও নামতে সক্ষম ওই ড্রোনটির (কোয়াড কপ্টার) পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন দেখেন ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশের চার যুবকের গড়ে তোলা কোম্পানি অ্যারো রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ এই ড্রোনটি বানিয়েছে। বুয়েট থেকে পাশ করা খায়রুজ্জামান বিপ্লব, শাহনেওয়াজ ভুঁইয়া, আজিজুল ইসলাম এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য পাশ করা আব্দুল্লাহ আল মামুন ওই কোম্পানির উদ্যোক্তা।
১০ মিনিটের পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন দেখার পরে ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘নিরাপত্তার জন্য ডিএমপিতে অনেকগুলো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও উপকরণ আমরা সংযুক্ত করেছি। কিছুদিন আগে মোবাইল কমান্ড কন্ট্রোল সেন্টার যুক্ত হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় আমরা ডিএমপিতে চারটি ড্রোন যুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছি। এই ধরনের কোয়াটো কপ্টার ডিএমপিতে প্রয়োজন রয়েছে।’
এদিকে ড্রোনের উদ্যোক্তারা জানান, ডিএমপিতে প্রদর্শিত যানটির নাম তাঁরা দিয়েছেন বাংলা ড্রোন। এতে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি শক্তির উত্স হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বর্তমান অবস্থায় বাংলা ড্রোন একটানা সর্বোচ্চ ২৫ মিনিট আকাশে উড়তে পারে। এটির ওজন প্রায় দেড় কেজি। এটি আরো এক কেজি পরিমাণ ওজন বহন করতে পারে। তবে ডিএমপির চাহিদা অনুযায়ী আরো উন্নত বৈশিষ্ট্যের যান বানানো সম্ভব। আর ঘুড়ি-১ নামে আরেকটি কোয়াড কপ্টার নির্মাণাধীন আছে। এটি সর্বোচ্চ তিন কেজি ওজন বহন করতে পারবে।
এ বিষয়ে পুলিশ কমিশনার বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘এ দেশীয় উদ্যোক্তাদের উত্সাহিত করাও একটা অন্যতম লক্ষ্য।’ দেশীয় প্রযু্ক্তিতে তৈরি করা মোবাইল কমান্ড সেন্টারের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটি তৈরি করতে বিদেশের তুলনায় তিন ভাগের এক ভাগ খরচ হয়েছে। আমরা নিচ থেকে দেখেছি, এবার উপর থেকে দেখতে চাই। ইতিমধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে। আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখছি।’
উদ্যোক্তা শাহনেওয়াজ ভুঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, দুই বছর আগে প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিতে তাঁরা ড্রোন নিয়ে গবেষণা করছেন। গতকাল প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য ছিল ডিএমপি ড্রোনে কী ধরণের বৈশিষ্ট্য চায়, তা নির্ধারণ করা। যেমন: এই ড্রোনের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, ক্যামেরা বা অন্যান্য পর্যবেক্ষণযন্ত্র ধারণ ক্ষমতা, একনাগাড়ে চলার ক্ষমতা ইত্যাদি ডিএমপির চাহিদার ওপরে নির্ভর করবে। তিনি বলেন, ‘এমনিতে এই ধরণের কোয়াড কপ্টার কম্পিউটার থেকে বেতারের মাধ্যমে খুব সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এর গতিপথও নির্দিষ্ট করে দেওয়া যায়, যাতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি এলাকা পর্যবেক্ষণ করে আবার আগের জায়গায় ফিরে আসতে পারে।’
শাহনেওয়াজ বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি। ডিএমপি এই ড্রোন নিলে তাঁরাই হবে আমাদের প্রথম গ্রাহক।’
ডিএমপির জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মাসুদুর রহমান বলেন, ‘ড্রোনের কী কী বৈশিষ্ট্য থাকতে হবে তা চার উদ্যোক্তা প্রকৌশলীকে বলা হয়েছে। তাঁরা গবেষণা করে জানালে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
পুলিশ কর্মকর্তারা আরও জানান, এই উড়োযানে শক্তিশালী লেন্সসহ ক্যামেরা বহনক্ষমতা, সহজ নিয়ন্ত্রণ, একনাগাড়ে অনেকক্ষণ ওড়ার ক্ষমতাসহ বেশ কিছু বৈশিষ্ট্যের কথা প্রকৌশলীদের জানানো হয়েছে।
অ্যারো রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশের আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আমরা ডিএমপির সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি। বিষয়টি আমরা গবেষণা শুরু করেছি। পরে আর্থিক ব্যয় ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে আবারও কথা বলব।’
এর আগে ২০১২ সালের এপ্রিল মাসে বর্ষবরণের নিরাপত্তা মহড়ায় প্রথমবারের মতো একটি বোমা অপসারণকারী রোবটের ব্যবহার করে ডিএমপি। সম্প্রতি যুক্ত হয় মোবাইল কন্ট্রোল।"

- ড্রোন দিয়ে নজরদারি করবে ঢাকার পুলিশ 






"বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মনুষ্যবিহীন বিমান তৈরির চেষ্টা নিয়ে সারা দেশে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যেই নবীন গবেষকদের ‘নিয়ম’ মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।
বৃহস্পতিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ধরনের ‘পরীক্ষামূলক ড্রোন বা রিমোট কন্ট্রোল চালিত বিমান/হেলিকপ্টার’ ওড়ানোর আগে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ও বিমান বাহিনীর অনুমোদন নিতে হবে।

আইএসপিআর বলছে, বাংলাদেশের আকাশসীমায় সব ধরনের বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হয় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের বিধি এবং বিমান বাহিনীর নির্ধারিত নিয়ম মেনে।

ফলে ‘নির্ধারিত আকাশ পথগুলো’ ছাড়া অন্য স্থানের আকাশে এসব ড্রোন বা রিমোট কন্ট্রোল চালিত হালকা বিমান ওড়ালে তা সামরিক-বেসামরিক উড়োজাহাজের নিরাপত্তার জন্য ‘মারাত্মক ঝুঁকি’ সৃষ্টি করতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

“বাংলাদেশের আকাশসীমা রক্ষার গুরু দায়িত্ব বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর উপর অর্পিত বিধায় বাংলাদেশের আকাশে যে কোনো ধরণের উড্ডয়নের ব্যাপারসমূহ বিমান বাহিনী কর্তৃপক্ষের অবহিত হওয়া অত্যাবশ্যক।”

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের ফ্লাইট সেফটি ও রেগুলেশনস বিভাগের পরিচালক এস এম নাজমুল আনাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, যে কোনো ধরনের ‘ফ্লাইং মেশিন’ আকাশে ওড়াতে গেলে আগে তাদের অনুমতি নেয়ার নিয়ম।

“যেগুলো খেলনা ফ্লাইং অবজেক্ট, ৫ বা ১০ ফুট ওপরে ওঠে- সেগুলোর কথা আলাদা। কিন্তু যেটাকে ড্রোন বলা হচ্ছে- সেটি আরো বড়, আরো ক্ষমতাশালী। হয়তো ক্যামেরাও লাগানো রয়েছে, এগুলো ১০০ থেকে ২০০ ফুট উঠতে পারে। এগুলোর ক্ষেত্রে অবশ্যই অনুমতি নিতে হবে।”

পরীক্ষামূলক উড্ডয়নেও অনুমতি লাগবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “অনেকেই না জেনে ওড়াচ্ছেন। হয়তা তারা নিয়মই জানেন না। তবে বিষয়টি আমাদের জানা থাকতে হবে। তা না হলে হয়তো সেই সময় সেই দূরত্বে একটি লো-ফ্লাইং হেলিকপ্টার উড়ে গেল, তখন কি হবে?”

- ‘ড্রোন’ ওড়াতে অনুমতি লাগবে

Tuesday, April 15, 2014

বাংলাদেশে বিদেশীদের বিনিয়োগে বাঁধা দূরীকরণ

নাগরিক শক্তি দেশী ব্যবসায়ীদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে দেশে শিল্পের বিকাশে বিদেশী বিনিয়োগের পথে বাঁধাগুলো দূর করতে সম্ভাব্য সবরকম পদক্ষেপ নেবে। 

আমরা সরকারকে বিদেশী বিনিয়োগের পথে যুক্তিসংগত বাঁধাগুলো দূর করার লক্ষ্যে যথাযথ উদ্যোগ নিতে আহ্বান জানাই।

"সস্তা শ্রম ও ইউরোপসহ উন্নত দেশগুলোতে জিএসপি সুবিধার হাতছানিতে ছুটে আসা বিদেশি ব্যবসায়ীদের বিমুখ হতে সময় লাগে না। বিষয়টি নিয়ে তাঁরা রীতিমতো গবেষণা করেছেন। প্রতিবেদনও তৈরি করেছেন। এই গবেষণা প্রতিবেদন থেকে বিদেশিদের চোখে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ১৩টি বড় বাধার কথা জানা গেছে। তাঁরা এগুলো সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে বলেছেন, এসব বাধা দূর না করা হলে বাংলাদেশ থেকে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা মুখ ফিরিয়ে নিতেই থাকবেন।


বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের বাধাসংক্রান্ত এই গবেষণা প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে জাপান এক্সটারনাল ট্রেড অরগানাইজেশন (জেট্রো), কেআরআই ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন, মিৎসুবিশি ইউএফজে রিসার্চ অ্যান্ড কনসালটিং এবং মুড়ি হামাদা অ্যান্ড মাৎসুমুটু। 

বাংলাদেশে থাকা জাপানি বিনিয়োগকারী এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী বিদেশি উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে এ প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে তারা। জাপানের ট্রেড পলিসি ব্যুরোর দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়াবিষয়ক পরিচালক মিকিও এওকি ও জেট্রোর নয়াদিল্লি কার্যালয়ের ডিরেক্টর অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি রিসার্চার ইচিরো অ্যাবে গতকাল মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদের কাছে এ গবেষণা প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। এ সময় বাণিজ্যসচিবকে তাঁরা জানিয়েছেন, আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক জটিলতা এবং বিজিএমইএর মৌখিক আপত্তির কারণে পোশাক খাতসহ অন্যান্য অনেক খাতে বিনিয়োগ করতে আসা জাপানি ব্যবসায়ীরা ফিরে গেছেন। বাংলাদেশে গাড়ি প্রস্তুতকারী শিল্প প্রতিষ্ঠার আগ্রহের কথাও জানান তাঁরা।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা বাধাগুলো হলো- 
১. শিল্প ও সেবাখাতে বিদেশি বিনিয়োগের আইন-কানুন ও অবস্থা সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকা। 
২. ইউডি না দেওয়ার মাধ্যমে বিজিএমইএ দ্বারা পোশাক খাতে বিনিয়োগে পরোক্ষ নিষেধাজ্ঞা আরোপ।
৩. কেন্দ্রীয়ভাবে সংশ্লিষ্ট আইন-কানুন ও বিধি-বিধান ইংরেজিতে রূপান্তর না করা। 
৪. বিনিয়োগ বোর্ড শক্তিশালী করে ওয়ান স্টপ সার্ভিস ব্যবস্থা না থাকা। 
৫. জমির ধরন ও মালিকানা নির্ণয়ে জটিলতা। 
৬. বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন পেতে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর জটিলতা। 
৭. স্থানীয় বাজারে পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে রাজস্ব বোর্ডে ‘বিক্রয় মূল্য’র নিবন্ধন জটিলতা। 
৮. চলতি মূলধন জোগাতে বৈদেশিক মুদ্রায় ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা। 
৯. বৈদেশিক মুদ্রায় অ-বাণিজ্যিক রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে বাধা। 
১০. বন্ডেড ওয়্যারহাউস ব্যবস্থায় স্থানীয় বাজারে পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা না থাকা। 
১১. বাজার মূল্যের সঙ্গে তুলনা করে শুল্কারোপ করা, যা প্রকৃত মূল্যের চেয়ে বেশি। 
১২. স্থানীয় জনবল নিয়োগের বাধ্যবাধকতা এবং 
১৩. পিপিপি আইন কার্যকর না হওয়া।"




নাগরিক শক্তির অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আরও 

জনতার ঐক্যের শক্তির মাধ্যমে অন্যায় এবং অন্যায়কারীকে রুখে দাঁড়ানো - ২

নাগরিক শক্তির স্থানীয় সমর্থকদের উদ্যোগে কক্সবাজারের চকরিয়ায় ৪০-৫০ জন ডাকাত, তাঁদের অভিভাবকসহ ডাকাতির জীবন থেকে ফিরে নতুন জীবন শুরু করার শপথ নিয়েছে। 



"চকরিয়ায় ডাকাতি না করার শপথ


কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার চিরিঙ্গা ইউনিয়নের সওদাগর ঘোনা সাইক্লোন শেল্টারে গতকাল সোমবার বিকেল চারটায় চিরিঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ডাকাতদের শপথবাক্য পাঠ করানো হয়েছে।

ডাকাতেরা শপথবাক্য পাঠ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। এ জন্য তাঁরা পুলিশ প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতাও কামনা করেছেন। পুলিশ প্রশাসনও সর্বক্ষেত্রে তাঁদের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ওই শপথ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহামঞ্চদ ফরহাদ, জামিনে বেরিয়ে আসা ডাকাতসর্দার মনজুর আলম, ইউপি সদস্য গিয়াস উদ্দিন। পরে শপথবাক্য পাঠ করান ইউপি চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন।

ওই শপথ অনুষ্ঠানে ৪০-৫০ জন ডাকাত, তাঁদের অভিভাবক ও স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন। চকরিয়া উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ডাকাত রয়েছে এই সওদাগর ঘোনা গ্রামে। স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগটি যদি কাজে আসে তাহলে উপজেলায় ডাকাতির সংখ্যা অনেকাংশে কমে যাবে। ফিরে আসবে স্বস্তি।"
"কয়েক বছর আগে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় গিয়েছিলাম সরেজমিন প্রতিবেদন করার জন্য। বিষয়টা আগেই নির্ধারিত ছিল। কিন্তু থানা সদরে পৌঁছানোর পরপরই শুনলাম, আগের রাতে ভয়াবহ ডাকাতি হয়েছে এখানকার একটি বাড়িতে। নির্ধারিত বিষয়টি আপাতত স্থগিত রেখে ছুটে যাই সেই বাড়িটিতে। গিয়ে দেখি ডাকাতেরা বাড়ির লোকজনকে মেরে গুরুতর জখম করার পর সোনা, নগদ টাকাসহ মূল্যবান সবকিছুই নিয়ে নির্বিঘ্নে পালিয়েছে। খোঁজখবর করার সময়ই শুনতে পাই, একই রাতে আরও কয়েকটি বাড়িতে ডাকাতি হয়েছে। অবাক হয়েছিলাম গ্রামের লোকজনের প্রতিক্রিয়া দেখে। যেন এটাকেই নিয়তি বলে মেনে নিয়েছেন তাঁরা। থানা-পুলিশের সঙ্গে কথা বললাম। তাঁরাও অসহায়ত্ব পকাশ করলেন। জেনেছিলাম, শুধু আনোয়ারা না, পার্শ্ববর্তী বাঁশখালী বা চকরিয়ায়ও ডাকাতি প্রায় নিয়মিত ঘটনা। ওই ঘটনার পরদিন প্রথম আলোয় আনোয়ারার ডাকাতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। তাতে অবস্থার যে খুব পরিবর্তন হয়েছিল, তা-ও বলা যায় না।
গত ১৭ মার্চ চকরিয়া উপজেলার চিরিঙ্গা ইউনিয়নের সওদাগরঘোনা সাইক্লোন শেল্টারে ৪০-৪৫ জন ডাকাত ও তাঁদের অভিভাবকেরা এসে পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি এবং এলাকার লোকজনের উপস্থিতিতে ঘোষণা দেন যে তাঁরা আর কোনো দিন ডাকাতি করবেন না। এমনকি এলাকায় কোনো ধরনের ডাকাতির ঘটনা হলে তাঁরাই খুঁজে এনে ডাকাতদের পুলিশের হাতে সোপর্দ করবেন।
আবেগঘন একটি পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল সভায়। ডাকাতদের কেউ কেউ অকপটে বলেছেন, অনেক অন্যায় করেছেন তাঁরা, একবার সুযোগ পেলে প্রায়শ্চিত্ত করবেন এবং বউ-ছেলে-মেয়ে নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করবেন।


চকরিয়া এলাকায় চিংড়িঘেরে ডাকাতির বিষয়টি ছিল প্রায় নিয়মিত ঘটনা। তা ছাড়া বাড়িঘর বা চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে গাড়ি আটকে ডাকাতির ঘটনাও ঘটেছে বহুবার। ডাকাতদের এ রকম ‘আত্মসমর্পণ’ বা আত্মসংশোধনের ঘোষণায় নিশ্চয় কিছুটা স্বস্তি পাবেন ভুক্তভোগীরা।

ডাকাতিপ্রবণ এলাকা আনোয়ারা ও বাঁশখালীতেও খোঁজ নিয়েছি। সেখানকার সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেল, ডাকাতির ঘটনা সেখানেও আজকাল প্রায় নেই বললেই চলে।"

Designing Information Interface For The Next 5 Billion

Designing Information Interface For The Next 5 Billion

Internet For All

5 Billion more people will join the Internet and other information services users in less than a decade. Many of them would be poor from developing countries, unable to read or write. The challenge is to develop information interfaces for those 5 Billion people. 




New Interface
  • New Multimedia interface to the Information World for people all over the world
    • Not browsers (URLs, Hyperlinks, Documents), as we know them today.  
  • Speech Recognition 
    • Local languages 
  • Machine Translation 
  • Multimedia Content 
  • Search Engines with natural language speaking assistant 
  • Personal Assistants with natural language speaking assistant
    • Apple Siri
    • Google Now 
  • Cheap, more powerful Computers with new architectures, built from different materials would be required for meeting the computational demand of Machine Translation and Speech Recognition in the Cloud.
    • Continuation of Moore's Law by shifting paradigms from current architecture and hardware to new and better alternatives.    


Devices and Network
  • Cheap Smartphone 
  • Internet for all
    • Google Loon 

Data
  • Data utilized for changing the lives of people.
    • Healthcare
    • Education

Physical Digital
  • Physical Digital Products 
  • Cheap 3D Printers 
  • Fab labs 
    • Free downloadable designs for products 

References

গণজাগরণ মঞ্চ নিয়ে বক্তব্য

গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র নিয়ে বক্তব্য

বাংলাদেশের জনগণের চোখে ডাঃ ইমরান এইচ সরকারই গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র।

  • শাহবাগের আন্দোলন, সৃজনশীল বিভিন্ন কর্মসূচী ঘোষণা  
  • রানা প্লাজা ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে দাঁড়ানো 
  • সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নির্বাচনকালীন হামলার প্রতিবাদ জানানো, পাশে দাঁড়ানো 
- গণজাগরণ মঞ্চের সব কর্মকাণ্ডে আমরা ডাঃ ইমরান এইচ সরকারের অগ্রগণ্য ভূমিকা দেখেছি।

আওয়ামী লীগের কয়েকজন সন্ত্রাসী গণজাগরণ মঞ্চ নিয়ে কি ঘোষণা দিয়েছে - বাংলাদেশের জনগণের তা নিয়ে মাথা বাথা নেই।



গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীদের উপর ছাত্রলীগ যুবলীগের সন্ত্রাসীদের হামলার নিন্দা 

আমরা গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীদের উপর ছাত্রলীগ এবং যুবলীগের সন্ত্রাসীদের হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি, জড়িত সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

"শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীদের ওপর হামলায় অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে প্রজন্ম চত্বরে মিডিয়া সেলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনায় মামলা করতে গেলে থানার ভেতরে আবারও দুই পক্ষের মারামারির ঘটনা ঘটে।


ইমরান এইচ সরকার বলেন, যুবলীগ নেতা নাসিম রূপক ও ছাত্রলীগ নেতা শেখ আসমানের নেতৃত্বে এই হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি।"

- গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীদের ওপর হামলা, আহত ৬

‘কর্মীদের ওপর হামলা হলে অন্য কর্মীরা শাহবাগ থানায় অভিযোগ দায়ের করতে যায়। কিন্তু ওসির রুমের সামনে অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের সামনেই লাঠি ও রড দিয়ে মঞ্চের কর্মীদের ওপর আবার হামলা চালায় আবির ও শিশির।এতে মঞ্চের কর্মী অরণ্য শাকিলের মাথা ফেঁটে যায় এবং নবেন্দু শাহা জয়ের হাত ভেঙে যায়।’

- গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীদের ওপর হামলা, আহত ১০


ছাত্রলীগ, যুবলীগের সন্ত্রাসীরা খুন, চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মে জড়িত। ছাত্রলীগ, যুবলীগের এসব সন্ত্রাসী এবং তাদের মদদদাতাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে। বদি, ওসমানদের জন্য যে ভয়ানক পরিণতি অপেক্ষা করছে - এদেরও আইন এবং বিচারের মুখোমুখি হয়ে একই পরিণতি বরণ করতে হবে।



গণজাগরণ মঞ্চ নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের আবেগ 



"পাঠক কাজী রহমান: যেভাবেই হোক, একটা জাগরণ তো এসেছে। একে সবাই মিলে ধরে রাখতে পারলে খুব ভালো হয়। যাদের জমছে না, তারা সরে যাক। স্বল্পসংখ্যক হলেও শুধু নিবেদিতপ্রাণরাই থাকুক এর সঙ্গে। যুবক-তরুণদের আশার আলো হয়ে। যাদের দৃষ্টি থাকবে অন্ধকার অতীতের দিকে নয়, বরং উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে। আজ না হোক কাল যারা দেশকে দেবে গর্ব করার মতো দিন। আমি যদি তাদের সঙ্গে না-ও থাকি, আমার আত্মা, আমার চেতনা যেন থাকে তাদের সঙ্গে। মানুষের হাসি দেখে আমি যেন বলতে পারি—এই তো আমার দেশ। আমি তো এদেরই একজন (ছিলাম)!


শফিক রহমানের মন্তব্য: আওয়ামী লীগের মূল উদ্দেশ্য ছিল এই গণজাগরণ মঞ্চকে কাজে লাগানো এবং যাতে কোনো ধরনের সরকারবিরোধী আন্দোলন না হতে পারে, তা নিশ্চিত করা। ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগের এ রকমের নাটকের মঞ্চ আর যে কত দেখতে হবে, সেটাই এখন ভাবার বিষয়!

সায়েম সজল: কোনো সন্দেহ নেই গণজাগরণ মঞ্চ তৈরি হয়েছিল স্বতঃস্ফূর্তভাবেই। সরকার তার প্রয়োজনমতো মঞ্চকে ব্যবহার করেছে মাত্র।

পরাগ রহমান: আওয়ামী লীগ বড় বড় ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, সংগঠন থেকে শুরু করে অনেক নিচু লেভেল পর্যন্ত যখন, যাদের দরকার মনে করেছে, ব্যবহার করেছে আর ব্যবহার শেষে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে।

শিকদার দস্তগীর: শুরুতেই জানতাম, এর প্রয়োজনীয়তা সরকারের কাছে একসময় ফুরিয়ে যাবে। আওয়ামী লীগ কী জিনিস নতুন প্রজন্মের যারা জানত না, তারা এদের চিনে নিক।

কাজী এস আহমদ: যেভাবেই মঞ্চের শুরুটা হোক না কেন জনসমর্থন পাওয়ামাত্র সরকার এটাকে ছাত্রসংগঠন এবং তাঁবেদার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের মাধ্যমে গ্রাস করে এদের ব্যবহার করে এবং কাজ হয়ে গেলে ছুড়ে ফেলে দেওয়াটা আওয়ামী লীগের চরিত্র।"

"গত বছর এই সময় সারা বাংলাদেশ কাঁপছে আবেগ, আনন্দ ও বিস্ময়ে। শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ ঘুমকাতুরে বাঙালিকে ঘাড় ঝাঁকিয়ে, চুলের মুঠো উঁচিয়ে রাস্তার মাঝখানে টেনে নামিয়েছিল। লাখ লাখ মানুষ, তাদের মধ্যে যেমন রয়েছে সদ্য স্কুলে যাওয়া কিশোর, তেমনই অশীতিপর বৃদ্ধ, ভিড় জমিয়েছিল শাহবাগ চত্বরে। দেশের প্রতিটি পত্রিকার শিরোনামে শাহবাগ, টিভি চ্যানেলগুলোর চৌপ্রহরের তাজা ধারাভাষ্যে শাহবাগ। বিদেশের তথ্যমাধ্যমেও সেই ঘটনা সমান গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার পায়। নিউইয়র্ক টাইমস-এর প্রথম পাতায় সচিত্র প্রতিবেদনে একদিকে বিস্ময়, অন্যদিকে উদ্বেগ। কেউ কেউ শাহবাগের টগবগে তরুণদের সঙ্গে আমেরিকার ‘অকুপাই ওয়াল স্ট্রিট’ আন্দোলনকারীদের মিলও খুঁজে পায়। তাহরির স্কয়ারের তরুণ মিসরীয়দের আন্দোলনের সঙ্গে তাদের তুলনাও স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসে।

শাহবাগ আন্দোলনের বাহ্যিক লক্ষ্য ছিল একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের সুবিচার নিশ্চিত করা। সেই বিচার-প্রক্রিয়া এগিয়েছে, কিন্তু এখনো সমাপ্ত হয়নি। এখনই যদি এই আন্দোলন থামিয়ে দেওয়া হয়, তাতে শুধু তাদেরই লাভ হয়, যারা সে বিচার-প্রক্রিয়া সম্পন্ন হোক, তা চান না বা তা বিলম্বিত হলে অধিক রাজনৈতিক মুনাফা আছে বলে বিশ্বাস করেন। শাহবাগ আন্দোলনের যুদ্ধাপরাধী-বিরোধী এই বাহ্যিক প্রকাশ ছাড়াও একটি অন্তর্গত চেহারা আছে, তা হলো একাত্তরের চেতনার নবায়ন। শাহবাগ আমাদের বুঝিয়েছিল, শুধু একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারকার্য সম্পন্ন করে আমাদের স্বপ্নের সেই বাংলাদেশের নির্মাণ সম্পূর্ণ হবে না। একাত্তর মানে শুধু যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নয়; একাত্তর মানে এক নতুন বাংলাদেশ, এক গণতান্ত্রিক, বহুপক্ষীয়, গণকল্যাণমুখী, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। শাহবাগের তরুণেরা বুঝেছিল, ক্ষমতার বৈঠা যাঁদের হাতে, অথবা যাঁরা ঘাপটি মেরে বসে আছেন কখন ক্ষমতার কুরসিতে বসবেন, তাঁদের দ্বারা সে লক্ষ্য অর্জিত হবে না, কারণ তাঁদের অনেকেই সে চেতনায় আদৌ বিশ্বাসী নন।"

- শাহবাগ, তাহরির, অকুপাই...





গণজাগরণ মঞ্চ নিয়ে আরও 


    "শাহবাগের গণজাগরণের মাধ্যমে প্রচলিত রাজনীতির বাইরে তারুণ্যদীপ্ত একটা নতুন রাজনীতির প্রত্যাশাও প্রতিফলিত হয়েছিল। আমাদের বহু চেনা ডান এবং বামদলগুলোর বাইরে শাহবাগ চেতনায় উদ্বুদ্ধ একটা নতুন তরুণ রাজনৈতিক শক্তির সম্ভাবনা সেখানে সুপ্ত ছিল।

    তাদের আরও বৃহৎ প্রেক্ষাপটে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনেতিক পরিকল্পনা নিয়ে গণমানুষের আরও কাছাকাছি যেতে হবে, তাদের আস্থা অর্জন করতে হবে। যে জন্য প্রয়োজন সীমাহীন সততা, আত্মত্যাগ। পেশিশক্তি, অর্থশক্তি নয়, সাইলেন্ট মেজরিটির আস্থাই কেবল হতে পারে তাদের শক্তির উৎস। সে ক্ষেত্রে অবশ্য তাদের গণজাগরণ মঞ্চ বা শাহবাগ চত্বরের কাঠামোর বাইরে আসতে হবে।

    ভবিষ্যত বাংলাদেশের একটা ছবি হঠাৎ আলোর ঝলকানির মতো শাহবাগ চত্বরে ফুটে উঠেছিল। ছবিটি আবছা, যেমন থাকে ফিল্মের নেগেটিভে। নানা প্রক্রিয়ায় সেই অস্পষ্ট ছবিকে স্পষ্ট করে তুলতে হয়।

    এখন যাদের সকালের আকাশের মতো বয়স– নানা মেরুকরণের মাধ্যমে ত্যাগী, নিষ্কলুষ একদল তারুণ-তরুণীই শাহবাগে জেগে ওঠা আগামী বাংলাদশের ছবিটা ষ্পষ্ট করবেন বলে বিশ্বাস করি।" 


    ছাত্রলীগ 

    Friday, April 11, 2014

    Looking Back And Connecting The Dots

    Sometimes, it seems amazing when you look back at time and try to connect the dots. 

    I came back to America last November (2011) with a newly found interest in Biology and Business. 

    For me, one of the best things about living in America at that time was fast Internet connection. When you have fast internet connection, you do stuffs that you wouldn't do otherwise. For me, it was downloading books - thousands of them!

    If I find a subject area or topic interesting, I usually try to learn as much as I can from books and the web. Then while learning about the topic, whenever I come across a new topic that I find interesting, I start following the same procedure 
    for the new topic of interest (recursively; if you prefer Computer Science terminologies!) – serendipity in action! 

    I have always been fascinated by the prospects of improving health and brain power. Previously, my idea was to invent new technologies (e.g., stem cells, engineered organs etc.) for better health and more brain power. Books and ideas (e.g., human body version 2.0) of Ray Kurzweil and others have always inspired me. 

    My interest in Biology led me to books - which helped me discover that both health and brain power can be improved dramatically by natural means. Reading those books, I became aware of the benefits that a sound health can bring into your life. I incorporated a lot of health practices to my life. A lot actually - 

    • aerobic exercises and strength training 
    • mindfulness and deep breathing 
    • lots of blueberries and strawberries and nuts and yogurt 
    • and a whole lot of other changes in my diet plus supplements 
    • and I even started flossing! 

    My quantifiable success - I lost about 40 pounds in a span of 6-9 months (from 192/194 to around 150)! 

    My interest in Business, besides showing me ways to handle social problems in more elegant ways, led me to an advice: "Isolation is dangerous". So I made myself a lot more social than I was.

    Then, being social and conversing with others (time period: December 2011 - March 2012), I found out that I could actually think a lot better than I thought I did and I was amazed.

    I was amazed at how much I had managed to learn by myself. I have never had the opportunity of learning from very good teachers or very smart peers (excluding a few days during Math Olympiad back in 2005). I had no one to guide me. I learned to guide myself.

    I was inspired.

    So when I came back to Bangladesh in March 2012, my inspired self returned to unsocial life spending time on nerdy stuffs!

    Now, I am eagerly waiting to find out where my previous experiences take me next. 




    Life is never this simple. I have left out a lot of details. But this is surely an outline.


    (Written sometime in May-June 2012; enhancements later)

    Monday, April 7, 2014

    Planning For An America That Lives Up To Dreams Of Its People

    Planning For An America That Lives Up To Dreams Of Its People


    • American Energy 
      • Oil and Gas Boom [1] +
      • Fuel Efficiency Addon For Cars (Energy Savings) +
      • Internet Of Things At Home (Energy Savings)
      • Improvements in Renewable Energy Technologies
    • American Manufacturing [1]
      • Cloud Manufacturing [2] 
        • "Made in USA" Revolution!
        • America becomes a manufacturing super-power!
        • America revolutionizes the world by manufacturing Physical Digital Systems. [3] [4] [5]
      • Reduction in Unemployment. 
    • American Education
      • Better Education System [1]
      • Education Platform [2]
    • American Healthcare [2]
      • Redesigning American Healthcare [1] 
    • American R&D
      • Research Platform [1]
        • More fruitful Research
      • Interdisciplinary Research [2]
        • Cross pollination of ideas.
    • American Law & Order
      • Dramatic Improvement. Dramatic drop in crime rate.
        • Introduction of Advanced Technologies.
        • Change in Society.
    • America in World Stage
      • America leads in every sector.
      • America - A force for good. [1]
    • American States
      • Plan for each and every of America's States. 
      • Smart Cities.
    • American Dream
      • The only country in the world where if you work hard, no matter where you came from and where you are now, you can turn your dreams into reality! 

    Articles

    American Energy
    American Manufacturing
    American Education

    American Healthcare

    American R&D

    America in World Stage
    American Immigration Laws

    Oil And Gas Boom In America

    "The U.S. oil boom has put European refineries out of business and undercut West African crude suppliers. Now domestic drillers threaten to roil Asian markets and challenge producers in the Middle East and South America.

    Fifteen European refineries have closed in the past five years, with a 16th due to shut this year, the International Energy Agency said, as the U.S. went from depending on fuel from Europe to being a major exporter to the region. Nigeria, which used to send the equivalent of a dozen supertankers of crude a month to the U.S., now ships fewer than three, according to the U.S. Energy Information Administration. And cheap oil from the Rocky Mountains, where output has grown 31 percent since 2011, will soon allow West Coast companies to cut back on imports of pricier grades from Saudi Arabia and Venezuela that they process for customers in Asia, the world’s fastest-growing market.

    With U.S. exports of gasoline and other refined products hitting a record last month and the country on pace to become the world’s largest oil producer by 2015, five years faster than the IEA’s earlier predictions, industry advocates such as Senator Lisa Murkowski of Alaska are calling for an end to 39-year-old restrictions on U.S. crude exports.

    In a measure of just how quickly the oil market has changed, President Barack Obama unveiled in March 2011 a goal considered so outrageous that correspondent Christopher Mims wrote on the environmental news website Grist that it could be accomplished only by “an economic crash bigger than any ever seen in U.S. history, or perhaps an alien race forcing all of us to take to our bicycles.” 
    Obama said that by 2025 the U.S. would cut crude imports by one-third.

    It didn’t take 14 years. It took less than three."



    American Energy

    Saturday, April 5, 2014

    Approach To Research In Theoretical Physics

    Approach To Research In Theoretical Physics
    • Start with the foundations. Study how one body of theory was build upon the other.
      • Quantum Theory
      • Relativity Theory
      • Quantum Field Theory
      • Elementary Particle Models & Theories
    • Study how different theories were proposed that helped us explain experimental observations and filled deficiencies in our understandings.
      • Examples 
        • Quantum Theory of light proposed to explain 
          • blackbody radiation (Max Planck) and 
          • photoelectric effect (Albert Einstein). 
        • Pauli Exclusion Principle proposed to explain differences in electron behavior.
        • Alternative Models? Theories? 
      • When theories are build upon one another, deficiency in an earlier theory propagates to later theories and experimental scientists tend to ignore “outliers” and average out the rest. 
        • Important points 
          • To experimental scientists the speed of light, the strength of electromagnetic field of an electron, etc. are not constants but varying quantities that should be ignored because they are "constants"! Uncertainty Principle helps this cause. 
          • A theory is just a mathematical model, nothing more than that. By definition, it doesn't reflect ultimate reality. It's just an approximation. As we have gained more and more knowledge and invented better tools for measurement, we have developed more and more accurate mathematical models to describe the Universe. 
            • Newton's Laws of motion served us well (and still does). But the laws were approximations. Einstein's Special Theory Of Relativity proposes more accurate "approximations".
      • Imagine, how much of Physics has to be rewritten if one of the fundamental theories prove to be fundamentally deficient.
    • Experimentation - Measurements <> Theory

    Possible Foreign Policy For America In The Middle East

    Syria
    • No support for Sunni extremists. [1]
    • Encourage Iran to stop support for Shiite extremists. 
    • Peace talks / Negotiations - An interim neutral "Caretaker Government" holding elections. [2] 
    • Threat of international court - Crime against humanity. 


    Saudi Arabia  
    • Relies on America for consolidating its dominance in the Middle East. 
    • Message to the Saudis - It's not necessary to crush your opponent for regional dominance. Better - bolster your own economy.

    Iran

    • Why can't the West form close ties with Iran (with Nuclear deals)? 


    Egypt 
    • Above all, mass killings, etc. of Muslim brotherhood supporters has to be stopped immediately. 


    Encourage both Iran and Saudi Arabia to bolster their economies - more economic interdependence, more commerce with America with benefit to both.


    Factors

    • Our increasing Energy independence. 
    • Circumstances in Russia-Ukraine.



    Notes on Foreign policy

    Consider both

    • what is beneficial to you
    • what is beneficial to the country you are considering (view from their perspective)
    If it's non-zero sum, you can make them work with you so that it's beneficial to both.


    Both sides involved in a relationship feel comfortable when each has interests for which it knows that the other depends on it.
    US - Saudi relationship (since 1945)

    "Things That Think" From Prof. Neil Gershenfeld

    Neil Gershenfeld [1], an MIT Professor, published a book "When Things Start to Think" [2] back in 1999. 

    Here are some of his "things that think":

    • Books that can change into other books 
    • Musical instruments that help beginners engage and virtuosi do more 
    • Shoes that communicate through body networks 
    • Printers that output working things instead of static objects 
    • Money that contains behavior as well as value 



    A Note On "Revolutionary", as opposed to "Evolutionary", Innovations


    For truly original innovations (new paths, etc.) you have to combine two or more separate fields. (If the invention or idea was already somewhere else in your chosen field, then it’s not considered “revolutionary”; rather just “evolutionary”.) That amounts to saying that for truly creative innovations, you have to master (or at least have an overview of) more than one field. 
    • Neil Gershenfeld combining Physics and Computer Science 
    • Ed Boyden [3] applying Physics and EE to Neuroscience (his work on Optogenetics [4]) 
    stand out.

    Among research institutes, MIT Media Lab [5] provides the kind of environment where faculties and students across different disciplines work together and share the same space which leads to more cross-pollination of ideas. It's no surprise that both Prof. Neil and Ed work at the Media Lab!


    Reference

    Thursday, April 3, 2014

    Machine Learning Algorithms: Brief Introduction

    Machine Learning Algorithms: Brief Introduction

    Supervised Learning
    You have examples of inputs and outputs. You have to learn a model that turns inputs into outputs.

    • Decision Tree Learning
      • If you want to learn a propositional logic-based theory.
      • Learning from features 
        • Propositional sentences on features.
        • If 18 < age < 35, sex = male, location = Chittagong, Then the person is likely to vote for “Nagorik Shakti”.
    • Bayesian Learning
      • Flat input (vectors, etc.); not features.
        • Language Applications heavily use Bayesian Learning.
      • Counting occurrences (Frequency - Probability). 
      • Apply Bayes rule; rigorous definition of terms - not required; rather define terms to suit your purpose and computational power. 
    • Neural Network Learning
      • Learn weights on inputs.
        • Learning parameters of equations. 
    • Genetic Programming
      • You join programs together, mutate programs to see if your program can generate required outputs from inputs.
      • How do you represent programs?
        • You represent programs as trees (remember Context free grammar - CFG?) Lisps are natural, but any language can be used. 


    Knowledge Based Learning
    You have some knowledge. As you gain new knowledge, how do you incorporate it to your existing knowledge base?
    • Explanation Based Learning
      • You solve a problem and extract general principles from your solution for future reuse to other problems.
      • Suppose, you have logically inferred that A => B => C => D. Then you can conclude (and learn) that A => D. From that point on, whenever you see A, you can replace it with D. This is Explanation Based Learning in action.
      • One kind of memoization (storing results to avoid recomputation), but much more general.
    • Relevance Based Learning
      • You know a general rule. You learn something. And then using the general rule that you knew before and the newly learned knowledge, you infer (learn) a new generalization.
      • You knew A & B => C. You learn that A and B are true. You infer (learn) that C is true.
    • Inductive Logic Programming
      • From examples of logical sentences, you infer (and hence learn) general rules.
      • Example: From examples of family relations (say, Jack is Father of Anthony, Sam is Grandparent of Jill, etc. you learn that
        • for all Z and X, Grandparent(Z, X) => Parent(Z, Y) & Parent(Y,X) for some Y. 
        • Can induce new terms / relation. For example, ILP can learn "Parent" from examples of Father and Mother relations.
        • Inductive Logic Programming has been used to make Scientific Discoveries! 
          • Learning new relations and predicates are as important a step in scientific discovery as forming new rules. Introduction of the concept “acceleration” helped Newton form his famous law F (force) = ma (mass * acceleration). Without the concept of acceleration (which Galileo had invented earlier), it would have been very difficult for Newton to come up with a law that describes relationship between Force and rate of change in position of an object.
          • In the above example, we saw that our ILP program invented the concept “Parent” and used it to learn (and compactly represent) the rule for “Grandparent”.


    More on Machine Learning
    This is my 200th Post on tahsinversion2.blogspot.com!