Wednesday, March 26, 2014

নাগরিক শক্তির প্রতীক্ষায় দেশের নাগরিক সমাজ, রাজনীতিবিদরা ও জনগণ

নাগরিক শক্তি আমাদের দেশের নাগরিক সমাজের অনেক বছরের ভিশনের বাস্তবায়ন।

অর্থনীতি ও ভোটের রাজনীতি
- ড. আকবর আলি খান: সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা।

দশম জাতীয় নির্বাচন ইলেকশন নয় সিলেকশন
- ব্যারিস্টার রফিক-উল হক: বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।
 

মধ্যমেয়াদি সংকটের পথে বাংলাদেশ?
- ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য : অর্থনীতিবিদ, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

সুস্থ অর্থনীতিকে ধ্বংস করছে অসুস্থ রাজনীতি
- সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, ব্যবসায়ী নেতা ও এপেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা।

বাংলাদেশ একদিন বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পাবে
- ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা; উপাচার্য, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক; সভাপতি, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি। 

"এখন দেশে চলছে নগ্ন ক্ষমতার লড়াই। মূল্যহীন, অর্থহীন, আদর্শহীন, দেশপ্রেমহীন ক্ষমতার লড়াই।
একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে গণতন্ত্রের এই অবস্থা আমি কোনোক্রমেই আশা করিনি।

তৃতীয় গনতান্ত্রিক শক্তির দিকে নজর দেওয়ার সময় এসেছে।
নাগরিকদের গনতান্ত্রিক অধিকার সম্পর্কে আরও সোচ্চার হতে হবে।
আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ এর জন্য দুইদলের কাছে যেন নির্ভরশীল না থাকি।"
‘গণতন্ত্র’ শব্দটাই আর ব্যবহার করা উচিত নয়: মাহফুজ আনাম (ভিডিও)

আমরা এই রাজনীতির তীব্র নিন্দা জানাই
প্লিজ, এ নির্বাচন করবেন না
- মাহফুজ আনাম: সম্পাদক, দ্য ডেইলি স্টার।

যে নির্বাচনে সবাই হারবে
একাদশ সংসদই এখন লক্ষ্য
- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন: সাবেক নির্বাচন কমিশনার।

নীরব সংখ্যাগরিষ্ঠর কথা
সমঝোতার ভিত্তিতে টেন্ডার ভাগাভাগির মতো
- ড. হোসেন জিল্লুর রহমান: সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদ।

ব্যবসা উপযোগী পরিবেশ দরকার
- আতিকুল ইসলাম: সভাপতি, বিজিএমইএ।

তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি হতে চায় নাগরিক ঐক্য
নাগরিক ঐক্য 
- মাহমুদুর রহমান মান্না: আহ্বায়ক, নাগরিক ঐক্য।

দেশটা শুধু রাজনীতিবিদদের নয়
দূষিত রাজনীতি তরুণদেরই পাল্টাতে হবে 
রাজনীতিতে তৃতীয় শক্তির আবছা রেখা
- মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর: মিডিয়া ও উন্নয়নকর্মী।



“স্বাধীনতার পর দেশের সমগ্র জনগোষ্ঠীকে এক করার, সবার পক্ষে কথা বলার, সবার হয়ে কাজ করার মতো কোনো দল আসেনি। সবাই নিজ নিজ স্বার্থে চলেছে, এখনো চলছে। যারা বাঙালিদের স্বার্থের কথা বলেছে, তারা পাহাড়িদের কথা ভুলে গেছে। যারা মুসলমানের স্বার্থ রক্ষার কথা বলেছে, তারা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টানদের স্বার্থের কথা মনে রাখেনি। যারা জনগণতান্ত্রিক বিপ্লব করবে বলে বুলন্দ আওয়াজ তুলেছিল, তাদের চিন্তায়-কর্মেই জনগণের জায়গা ছিল না। আর সাধারণ মানুষের অবোধগম্য এসব অচেনা স্লোগান দিতে দিতে তারা একসময় জনগণ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
ফলে বাংলাদেশে গরিব-দুঃখী মানুষের পক্ষে কথা বলার রাজনীতিটাই হারিয়ে গেল।

আসলে কোনো রাজনৈতিক দলই গোটা দেশকে ধারণ করতে পারছে না। তারা কেউ আওয়ামী লীগকে ধারণ করে, কেউ বিএনপিকে, কেউ বা জাতীয় পার্টি বা জামায়াতকে। সবাই গোষ্ঠীগত স্বার্থে মগ্ন। ব্যক্তিস্বার্থে মশগুল। ৪২ বছর ধরেই আমরা নীতি-আদর্শের চেয়ে ক্ষমতাকেই বড় করে দেখছি।

আমরা এমন একটি রাজনৈতিক দল চাই, যে দলটি সব ভেদাভেদ ভুলে বাংলাদেশের সব মানুষকে হেফাজত করবে। কারও নাগরিক অধিকার ও মানবাধিকার হরণ করবে না। ধর্ম ও জাতিগত পরিচয়ে কারও প্রতি বৈষম্য দেখাবে না। আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান সুযোগ ও অধিকার ভোগ করবে। যে দলটি আইনের শাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় মনোযোগী হবে, এবং ব্যক্তি, দল ও গোষ্ঠীর ঊর্ধ্বে জাতীয় স্বার্থকে স্থান দেবে।

হেফাজতে ইসলাম বা অন্য কোনো ধর্ম নয়, কোনো বিশেষ জনগোষ্ঠী নয়, যে দলটি বাংলাদেশের সব মানুষের অধিকার ও স্বার্থ দেখবে, আমরা সেই দলের অপেক্ষায় আছি।“
হেফাজতে বাংলাদেশ চাই

নির্দলীয় সরকারের দাবি মেনে নিন : আল্লামা শফী
সংকট সমাধানে দুদলকে সমঝোতার আহ্বান

হেফাজতে ইসলামের আমীর আহমদ শফি।

দেশ ও জাতি এক গভীর সংকটময় মুহূর্ত অতিক্রম করছে

- হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব হাফেজ মুহাম্মদ জুনায়েদ বাবুনগরী। 

আমাদের আম-আদমিরা কোথায়?

চাই অহিংস নৈতিক শক্তির উত্থান

কৃষি ও খাদ্যচিন্তাই জন্ম দেয় দেশনায়ক
- শাইখ সিরাজ: পরিচালক ও বার্তাপ্রধান, চ্যানেল আই।

"শাহবাগের সমাবেশকে অভিনন্দিত করি একটি কারণে। তা হলো, এটি দেখিয়ে দিল যেকোনো পুঞ্জীভূত পাপের বিরুদ্ধে, জঘন্য পাপীদের বিরুদ্ধে অথবা অন্যায়-অবিচার- অত্যাচারের বিরুদ্ধে কিংবা দুর্নীতির বিরুদ্ধে বাংলার মানুষের ফুঁসে ওঠার ক্ষমতা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন অনেক বেশি। তবে প্রতিবাদকে সৃষ্টিশীলতার দিকে নিয়ে যেতে দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্ব দরকার।
যে রাষ্ট্র আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি সীমাহীন রক্তের বিনিময়ে, সেই রাষ্ট্রযন্ত্রটিতে মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটছে না। শাসকশ্রেণী ৪০ বছর যাবৎ পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে ক্ষমাহীন ব্যর্থতার। বর্তমান আইন প্রণয়নব্যবস্থা, শাসন বিভাগ ও বিচারব্যবস্থা মানুষের কাছে আর গ্রহণযোগ্য নয়। শাহবাগে সমাবেশে যোগদানকারীদের চোখমুখ থেকে যে বিষয়টি বিচ্ছুরিত হচ্ছে তা হলো, বাংলাদেশের মানুষ আজ চায় না এই রাষ্ট্রব্যবস্থা। তারা চায় বর্তমান রাজনৈতিক ধারার পুনর্গঠন। তারা ভেঙে দিতে চায় এই নষ্ট ব্যবস্থা। কিন্তু উপায়টি খুঁজে পাচ্ছে না। তবে আমরা বলতে পারি, ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়েই যায়।
পূর্ণ হোক সাধারণ মানুষের ইচ্ছা। জয় হোক নিপীড়িত মানুষের।"
জেগে উঠলেই জয় হয় মানুষের

- সৈয়দ আবুল মকসুুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।


গণজাগরণ মঞ্চ কি রাজনৈতিক দল হয়ে উঠছে

দেশের সবচেয়ে প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন
- ড. শাহদীন মালিক, আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট এবং অধ্যাপক, স্কুল অব ল, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি।

মিথ্যা, মিথ্যাচার, অপপ্রচার
- ড. আসিফ নজরুল: অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

"আমার ব্যক্তিগত ধারণা এই মুহুর্তে সারা পৃথিবীর সাথে সাথে বাংলাদেশও একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পৌঁছেছে। আমরা দিল্লীর নির্বাচনে দেখেছি, আম আদমী পার্টি নামে একটা তরুণদের রাজনৈতিক দল সব হিসেব ওলট-পালট করে ক্ষমতায় চলে এসেছে। যেহেতু বাংলাদেশে বিশাল একটা তরুণদের দল আছে, অনেক হিসেবে তারা ভারতবর্ষের তরুণদের থেকে বেশি রাজনীতি সচেতন। তাই তারা চাইলেই কী এই দেশের রাজনীতির জগতেও একটা ওলট-পালট করে ফেলার ক্ষমতা রাখে না?

আমাদের এতো কষ্টের এতো ভালোবাসার দেশকে আমরা যেভাবে চাই, যদি সেভাবে গড়ে তোলা না হয় তাহলে কী এই দেশেও নতুন একটা রাজনৈতিক শক্তি গড়ে উঠতে পারে না? যার চালিকা হবে নতুন প্রজন্ম।"

এক দুই এবং তিন: মুহম্মদ জাফর ইকবাল

ঐক্যবদ্ধ থেকে ষড়যন্ত্র মোকাবেলার আহ্বান জানিয়েছে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা

তরুণ সমাজকেই রাস্তায় নেমে আসতে হবে: মুহম্মদ জাফর ইকবাল

তরুণ প্রজন্মের কাছে প্রার্থনা: মুহম্মদ জাফর ইকবাল

তরুণ প্রজন্ম এখন নেতৃত্ব নিতে সক্ষম
- ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল, বিভাগীয় প্রধান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। 

ভর্তি, মান ও দক্ষ জনশক্তি
- ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ: অধ্যাপক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ফেলো, বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেস।

বিষচক্রের ফাঁদে বাংলাদেশ
মুক্তিযুদ্ধ ও ইসলাম কারও একার নয়
- আনু মুহাম্মদ: অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

নির্বাচনে জিততে চাইলে জনগণের পক্ষ নিন
- রফিউর রাব্বি, সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক।



রাজনীতিবিদরা

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সবার ঐক্য কামনা
- জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ: সাবেক রাষ্ট্রপতি, সাবেক সেনাপ্রধান ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান।

ঐকমত্যের সন্ধানে
দেশের ১৬ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান
- ড. কামাল হোসেন: বাংলাদেশের সংবিধানের প্রণেতা, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও গনফোরাম সভাপতি।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান

- অধ্যাপক এ.কিউ.এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, FRCP (Glasgow), FRCP(Edin.).: সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট।

৫ জানুয়ারী ইলেকশন হয়নি- হয়েছে সিলেকশন

- বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী: সভাপতি, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ।

জনগণ তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি চায়
- আ স ম আবদুর রব: সভাপতি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)।

এককেন্দ্রিক শাসনব্যস্থা আর নয়
জাতীয় পার্টি নির্বাচনে নেই : জি এম কাদের
- গোলাম মোহাম্মদ কাদের: সংসদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী।

"বঙ্গবন্ধু মানুষকে ভালবাসা দিয়ে সম্মান দিয়ে কাছে টানতেন কিন্তু (বর্তমান নেতৃত্ব) জানে কেমন করে প্রদীপ্ত প্রতিভাকে দমিয়ে রাখা যায়। 
বঞ্চিত মানুষের বিজয় হবেই - কেউ রুখতে পারবে না।"
পতাকা দিবস।
বঙ্গবন্ধুর নির্দেশ ও আমার অন্তর্দ্বন্দ্ব
নুরে আলম সিদ্দিকী: মুক্তিযুদ্ধের সময়কার স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদের অবিসংবাদিত নেতা।

সংসদ থেকে গ্রাম পর্যন্ত পুরো দেশ ইজারা নিয়েছে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি
মাহী বি চৌধুরী: বিকল্পধারা বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব। 

তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি নিয়ে রাজনীতিবিদরা
হাসিনাকে পদত্যাগের আহ্বান বি চৌধুরী, রব, কাদের সিদ্দিকীর



নাগরিক শক্তির প্রতীক্ষায় তরুণ প্রজন্ম

তরুণরাই নাগরিক শক্তির প্রাণ। 

রাজনীতি নিয়ে তরুণদের মাঝে যে অনীহা ছিল, হতাশা ছিল - আমরা তা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছি। তরুণরা এখন সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নিয়ে, আদর্শের রাজনীতি নিয়ে স্বপ্ন দেখছে, রাজনীতিতে আসতে চাইছে।

"সহমত হব আমরা সবাই একবাক্যে যে সাধারণ মানুষ বড় নিরুপায় ঠিকই, কিন্তু দিন বদলায়ও। ভেতরে ভেতরে ধূমায়িত হচ্ছে ক্ষোভ। কার্যকারণ আবিষ্কার করতেও শিখছে মানুষ। আমাদের এখানে রাজা নেই বহুকাল। রানিরা আছেন। এসব দুর্দশার কারণ তাঁরা। তাঁদের দম্ভ। ক্ষমতার লোভ। ইদিপাসেরও তাই ছিল। নিয়তির চেয়েও ভয়ংকর হলো মানুষের সম্মিলিত শক্তি। মানুষ তার পক্ষের শক্তিকে ঠিক খুঁজে নেয়। পাতা উল্টে দেখুন। ইতিহাস সাক্ষী।"
প্রিয় নাগরিকবৃন্দ, শুনুন..., মাহমুদুজ্জামান বাবু: গায়ক ও সংস্কৃতিকর্মী।

গণজাগরণ মঞ্চের পর্যবেক্ষণ রিপোর্ট
- ডাঃ ইমরান এইচ সরকার: মুখপাত্র, গণজাগরণ মঞ্চ।

"লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সত্য ও সৎ থাকলে সবকিছুই সম্ভব। আর আমি যে কাজই করি না কেন আত্মবিশ্বাস থাকে প্রচুর। আমি মনে করি নতুনরা কাজ করলে যে কোন জায়গাতেই পরিবর্তন আসে। এটা প্রমাণিত। সেই বিশ্বাস থেকেই পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়ে আমি রাজনীতিতে আসতে চাই।"
জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া, ছোট ও বড়পর্দার সামপ্রতিক সময়ের আলোচিত মুখ।



"সারা দেশের মানুষ দুই দলের কাছে জিম্মি হয়ে আছি। আমার কাছে বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে এটাই প্রধান বাধা হিসেবে মনে হয়।"
- ইব্রাহীম

"আমরা এখনও যদি চিহ্নিত করতে পারি কারা আমাদেরকে পিছনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে তাহলে আমরা আরও সচেতন হতে পারবো "
- নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নাবিল আহমেদ

"প্রত্যেক দলের মধ্যে যদি দেশপ্রেম জাগ্রত হয় তাহলেই এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব।"
- মাদ্রাসা ছাত্র শামিম আহমেদ

“দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার পালাবদল যে দুটি দলের মধ্যে হচ্ছে তাদের বাদ দিয়ে গণতান্ত্রিক উপায়ে নতুনদের হাতে দেশ পরিচালনা করার সুযোগ করে দিতে হবে।”
- শম্পা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী

সূত্র - বাংলাদেশের ভবিষ্যত নিয়ে কি ভাবছে তরুণ প্রজন্ম? বিবিসি বাংলা





“আমার মনে হয় আমাদের পৃথিবীতে যে change আসে - আমাদেরই সেই change আনতে হয়। Be the change you want to see.”

“যে কোন Change এর জন্য Revolutionary Character লাগে। Charismatic কোন Leader থাকলে তার পিছনে এমনিতেই তরুণরা যাবে। কারণ আমরা ৫০% এর উপরে। আমাদের দেশে তো আমাদেরই Power বেশি। আমরা যদি এমন কোন তরুণ পাই - সে হতে পারে নতুন কোন বঙ্গবন্ধু , নতুন একজন জিয়া - এরকম একজন মানুষ হতে হবে। যে Actually আমাদের Move করাতে পারে।”

“বাংলাদেশের যে দুইটি রাজনৈতিক দল আছে, তাতে তরুণদের অংশগ্রহণ দেখতে পাই না। নতুন একটি রাজনৈতিক দল দেখতে চাই।”

“আমি রাজনীতি করতে চাই। আমার মনে হয়, আমরা যদি না আসি - আমার মনে হয় না এটা বদলাবে। এখন যেসব existing দল আছে আমার মনে হয় না তারা আমাদের চাওয়া পাওয়ার কোন খেয়াল রাখে। আমি চাই যোগ্য কোন দল আসুক। নতুন কেউ আসুক। নতুন ধারার রাজনীতি।”

“আমি রাজনীতি আসতে চাই, কারণ আমি যদি কাঁদা পরিস্কার করতে চাই, তাহলে অবশ্যই কাঁদায় নামতে হবে এবং গাঁয়ে কাঁদা লাগাতে হবে।”

“আমরা যারা সচেতন, আমরা যারা পরিবর্তন চাই, আমরা কেন এগুই না? আমরা সবাই - সুশীল সমাজ, তরুণ সমাজ সবাই মিলে কেন একটা প্ল্যাটফর্মে আসতে পারছি না?”

“যতদিন পর্যন্ত না আমরা নতুন একটা দল না করবো, নতুন Political culture তৈরি করবো - ততদিন পর্যন্ত আমার মনে হয় না প্রচলিত দলগুলো আমাদের সাথে compete করার জন্য change আনবে।”


সূত্র - মাক্সিমাস তরুণকণ্ঠ | ১ম পর্ব

 

"আমি নিজেও একসময় রাজনীতিতে বিশ্বাস করতাম না। রাজনীতিকে গালাগালি করতাম, ঘেন্না করতাম। কিন্তু খুব recently আমিও নিজস্ব উপলব্ধি থেকে মানুষের জন্য কিছু করার জন্য Politics এর সাথে কিছুটা হলেও involved হয়েছি।”

“তরুণদের কারনেই আজকে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির রায় কার্যকর হয়েছে। এক্ষেত্রে আমরা সফল।”

“একটা চেতনা আসা দরকার আমরাও কিছু করতে পারি। আমরা যতই ব্লগিং করি, ফেইসবুকিং করি, At the end of the day আমাদের একটা প্ল্যাটফর্মে আসতে হবে। আমাদের রাজনীতিতে যেতে হবে শেষ পর্যন্ত একটা innovative কিছু করার জন্য। আমরা যতদিন না রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেব, আমরা যে পরিবর্তনটা চাই বাংলাদেশের জন্য সেই পরিবর্তনটা আনা সম্ভব না।”

“তরুণরা এখন innovative কিছু চায়। innovative কিছু চিন্তা ধারা তারা প্রকাশ করতে চায় এবং তারা চাই যে একটা different কিছু হোক দেশের মধ্যে। দেশটা যাতে সুন্দরভাবে এগিয়ে যায়। কিন্তু তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না কারণ পুরনোরা ভাবে তাতে আগের মত দেশ চলবে না।”

“তরুণ প্ল্যাটফর্মের অংশ হিসেবে তরুণরা নাগরিক সমাজে অংশগ্রহণ করতে পারে।”

সূত্র - মাক্সিমাস তরুণকণ্ঠ | ২য় পর্ব



যেসব মূলনীতির ভিত্তিতে নাগরিক শক্তির নেতৃত্বে সবাই ঐক্যবদ্ধ হবেন:

১. সবকিছুর উপর জাতীয় স্বার্থ

২. মুক্তিযুদ্ধের চেতনা

৩. জাতি ধর্ম বর্ণ শ্রেণী পেশা নির্বিশেষে সবার একতা, সবার স্বার্থ সংরক্ষণ; সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্নে সবাই ঐক্যবদ্ধ

৪. গণতন্ত্রমনা – দলের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে জনগণের মতামত, আশা আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হবে, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে

৫. সকল অন্যায়, অপকর্ম, অত্যাচার, দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান

নাগরিক শক্তির মূলমন্ত্র: “জ্ঞানের আলোয় উন্নত বাংলাদেশ”

নাগরিক শক্তির গ্র্যান্ড ভিশনঃ সারা দেশের ১৬ কোটি বাংলাদেশীকে ঐক্যবদ্ধ করা।


সংগঠন
নাগরিক শক্তিঃ সংগঠন



নাগরিক সমাজ পথ দেখিয়ে দেয়।
কিন্তু স্থায়ী এবং সত্যিকারের পরিবর্তনের জন্য জনগণের মাঝ থেকেই পরিবর্তন আসতে হয়।
বাংলাদেশের ১৬ কোটি জনগণ এবার নাগরিক শক্তির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হতে প্রস্তুত।

আর আওয়ামী বাংলাদেশ - জাতীয়তাবাদী বাংলাদেশের নামে দেশ বিভক্তি নয়, এবার নাগরিক শক্তির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ।

No comments:

Post a Comment