Showing posts with label Relationship. Show all posts
Showing posts with label Relationship. Show all posts

Saturday, March 1, 2014

প্রিন্সেস শামিতা তাহসিনকে লেখা খোলা চিঠি - ৭

একজন Designer শুধুমাত্র একটা Object বা Product ডিজাইন করেন না, মানুষের Interaction, Experience ও ডিজাইন করেন।

Designer হিসেবে তুমি ভাববে একটা সমস্যা সমাধানে Technology
 কিভাবে ব্যবহার করা যায়।

ডিজাইন প্রসেস একটা প্রশ্ন দিয়ে শুরু কোরো। প্রশ্ন আমাদের জ্ঞানে শূন্যস্থান দেখিয়ে দেয়, আমাদেরকে ফোকাসড রাখে। যেমন একটা প্রশ্ন হতে পারে - কাগজের বই পড়তে যে সুবিধাগুলো পাওয়া যায়, ওগুলো ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসে আনতে ডিভাইস কিভাবে ডিজাইন করতে হবে?

সামনে Internet Of Things চারপাশে ছড়িয়ে পড়বে। চারপাশের সবকিছু Internet এর মাধ্যমে connected থাকবে, একটা যন্ত্র আরেকটা যন্ত্রের সাথে communicate করবে। তখন তুমি করবে Experience Design। 


ব্যাপারটা কেমন? 

ধর, একটা লোক কোন supermarket এ গেলো। Supermarket এর কম্পিউটারগুলো করল কি - লোকটার পকেটে থাকা স্মার্টফোন ব্যবহার করে লোকটাকে চিনে নিল আর তার সম্পর্কে সমস্ত তথ্য Internet থেকে সংগ্রহ করে supermarket এর বিভিন্ন screen এ লোকটা পছন্দ করতে পারে এমন সব product এর advertisements দেখাল - বিক্রি বাড়ানোর জন্য। সবকিছু কিন্তু যন্ত্রই করছে। একজন Experience Designer হিসেবে  Supermarket এ লোকটার পুরো  Experience, Interaction তুমি ডিজাইন করবে। 

Screen দেখতে কেমন হবে? কোথায় কোথায় Screen সাজানো থাকবে? Software লোকটা সম্পর্কে কি কি তথ্য জেনে নেবে? Advertisements গুলো কেমন হবে?  
এমন সব প্রশ্ন দাঁড় করিয়ে Design এর মাধ্যমে answer দিতে হবে। 

আর তখন কি হবে জানো? 

কেউ যখন জানতে চাইবে আমার ওয়াইফের নাম কি, আমি উত্তর দেব, আর্কিটেক্ট অ্যান্ড ডিজাইনার প্রিন্সেস শামিতা তাহসিন!    



Design 2.0

Monday, February 17, 2014

প্রিন্সেসকে লেখা চিঠি - ৪


সময় কাটছে কেমন?

নতুন কিছু ডিজাইন করতে দেই - কি বল?

বিভিন্ন রকম Wearable Technology ডিজাইন করতে পারবে?

মানে এমন সব Technology যেগুলো মানুষ পরে।

যেমন ধর Google Glass.

কিংবা ধর, Smart watch.

Wearable Technology ডিজাইন করতে তোমাদের মেয়েদের খুব দরকার! মানুষ আবার এসব ব্যাপারে খুব ফ্যাশন সচেতন কিনা!

তুমি কি কখনও বিচ্ছিরি দেখতে একটা চশমা, তা যত হাই টেকই হোক না কেন, পরে ঘুরবে?

আরেকটা ব্যাপার মনে রেখো - Extreme Conditions, যখন Smart Phone হাতে নিয়ে দেখার সুযোগ থাকে না, তখন Wearable Technology অনেক কাজের হয়ে উঠে।

যেমন ধর, আমি সাঁতার পারি না, কিন্তু তুমি পারো। তুমি আমাকে শিখিয়ে দিলে। তুমি এত ভাল শেখালে যে আমি একেবারে সময় মেপে সাঁতার কাটা শুরু করলাম! আমি কি সাঁতার কাটার সময় বারবার Smart Phone বের করে “কেমন করছি” - তা দেখতে পারবো?

মোটেই না। কাজেই তোমাকে আমার জন্য একটা Smart Glass ডিজাইন করে দিতে হবে - goggles এর মত, কিন্তু glass এ সময় ওঠে।

আমার এমন একটা Smart Glass পেলে আর কি লাগে! তুমি খেতে ডাকলেও দেখা যাবে সাঁতার আগের বারের চেয়ে দ্রুত কাটছি কিনা তা মাপায় ব্যস্ত!

দাও না এমন একটা Smart Glass এর ডিজাইন!

Smart Glass, Smart Watch এর মত আর কি কি Wearable Technology হতে পারে? Wristband হতে পারে। আর? শার্ট বা জামায় sensor? দেহের কোন একটা quantity নির্দিষ্ট সময় পর পর মাপবে। অসুস্থদের কাজে আসতে পারে। আর কিছু?

ওগুলোতে কি কি feature থাকতে পারে? User Interface কেমন হবে? User কিভাবে interact করবে?

হেই! ডিজাইন করার সময় Flexible Electronics এর কথা মাথায় রাখতে পারো। চারপাশে যেসব Electronic Gadget দেখো, ওগুলো বাঁকানো যায় না - rigid. Flexible Electronics বাঁকানো যায়। চিন্তা ভাবনা করে দেখতে পারো Flexible Electronics দিয়ে কি কি বানানো যায়।  




(১৫/২/১৪)

Saturday, February 1, 2014

প্রিন্সেসকে লেখা চিঠি - ৩

অ্যাই!
তুমি সবকিছু একটু বেশি বেশি উপভোগ করতে চাও? পড়াশোনায় বেশি কন্সান্ট্রেশান চাও? স্ট্রেস ফ্রি লাইফ চাও? অনেক অনেক হ্যাপি হতে চাও?


আজকে একটা নতুন জিনিস শেখাই - মাইন্ডফুলনেস (Mindfulness)

কঠিন নামের আড়ালে ব্যাপারটা আসলে খুবই সহজ - যা-ই করছ, একটু বেশি বেশি মনোযোগ দিয়ে করা।


ধর, ভাত খাচ্ছ। নাহয় একটু বেশি মনোযোগ দিয়ে খেলে। ফ্রাইড চিকেনের ঝাল টেস্ট আর আচারের টক টেস্ট একটু ভালমত অনুভব করলে।

কিংবা ধর গান শুনছো। প্রতিটা বাক্য নিজের বলে কল্পনা করলে। প্রিয় ইন্সট্রুমেন্টাল মিউসিকের বিট মনের চোখে দেখলে।

আবার ধর বই পড়ছ। যা পড়ছ সবকিছু মনের চোখে দেখে নিলে।

আর মাঝে মাঝে করলে কি একদম কিছু না করে টরে শুধু চুপ হয়ে বসে থাকলে। হাতের উপর মৃদু বাতাস বয়ে যাওয়া অনুভব করলে। মনোযোগ কখনও কালকের একটা ঘটনার দিকে চলে গেলো। আবার মনোযোগ ফিরিয়ে আনলে। এবার নিঃশ্বাসের উপর। কয়েক সেকেন্ড ধরে শ্বাস নিয়ে লাংগস ভরে ফেললে। আবার কয়েক সেকেন্ড ধরে শ্বাস ছাড়লে। এভাবে অনেকবার।

মানে যা - ই করছ শুধু তাতেই মনোযোগ।


তাতে কি হবে জানো?

ফ্রাইড চিকেনটা আগের চেয়ে বেশি মজা লাগবে!

আগের চেয়ে বেশি সুমধুর লাগবে প্রিয় গানটা!

পড়াশোনায় কন্সান্ট্রেশান বাড়বে। অল্প সময়ে অনেক কিছু শিখে নিতে পারবে।

আর স্বাস্থ্য ভাল থাকবে।


এরপর আরও দারুণ ব্যাপার!

মন খারাপ? টেনশান হচ্ছে? শরীরের ঠিক কোন কোন জায়গায় মন খারাপ লাগাটা ফীল করছ থার্ড পারসন ভিউ থেকে মনোযোগ দিয়ে বোঝার চেষ্টা করতো। টেনশান কোথায় ফীল করছ? এবার ওটাকে দূর করার চেষ্টা কর। মনে মনে বিশ্বাস কর, তুমি চাইলেই ওটা দূর করতে পারবে। কিছুদিন ট্রাই কর। সত্যি সত্যি মন খারাপ দূর করে ফেলতে পারবে!

আমাদের হয় কি, পারিপার্শ্বিকের একটা ঘটনা দেখে ইমোশানাল রেসপন্স হিসেবে মন ভাল বা খারাপ হয়। রেসপন্সটা অটোম্যাটিক। অন্তত এতদিন তোমার বেলায় তাই ছিল। আজকে থেকে তুমি চাইলেই ইমোশানাল রেসপন্সটা নিউট্রালাইয করতে পারো! 

আমি বলেছিলাম না, “পারিপার্শ্বিক” আমাদের যতটা না মন ভাল বা খারাপ করে তার চেয়ে বেশি করে “পারিপার্শ্বিক দেখে আমরা কি ভাবলাম”।

এবার বুঝলে?


Saturday, December 21, 2013

প্রিন্সেসকে লেখা চিঠি - ১


পড়াশোনা কর।

ডিজাইন নিয়ে ভাবতে ইচ্ছা করলে ভাব, আঁকতেও পারো।

Fresh eyes দিয়ে সবকিছু দেখো। ধর, একটা টেবল দেখছ। সবাই যে চোখে টেবল টাকে দেখে সেভাবে দেখলে তুমি নিজে টেবল ডিজাইন করবে কিভাবে? বরং একটা বাচ্চা যে চোখ দিয়ে টেবল টাকে দেখে, বা ধর তুমি মঙ্গল গ্রহে গেছ - সেখানকার একটা অদ্ভুত টেবল যে দৃষ্টি দিয়ে দেখবে সেই দৃষ্টিতে দেখো।

ওয়াও! কেমন অদ্ভুত একটা জিনিস! চারটা পায়ের উপর দাঁড়িয়ে। ওভাল সাইজের। সবাই মিলে এটার উপর খায়? ওভাল না হয়ে রেকটেঙ্গুলার হলে কেমন হত? আরেকটু ছোট হলে? রঙটা কেমন যেন! আরেকটু বাদামি হলে… হুম, দারুন হত।


একটা exercise দেই। একটা E-Book 2.0 ডিজাইন করতে পারবে? স্পেসিফিকেইশান বলে দেই। ফাঙ্কশানালিটি হবে E-Book Reader, Tablet এর মত, কিন্তু বই পড়তে যে সুবিধাগুলো পাওয়া যায় - যেমন ধর কয়েকটা পাতা একসাথে খোলা রাখা, দ্রুত এক পাতা থেকে আরেক পাতায় যাওয়ার সুবিধা, ওজনে হালকা, তারপর ধর কোন পাতায় চাইলে কিছু নোট করে, মার্ক করে রাখা যাবে - ওগুলো থাকতে হবে। চিন্তা করার সময় কোন constraint রেখো না - নতুন কি আনা যায় ভাবো। যেমন ধর, iPhone multi-touch screen introduce করেছে। User Interface এ নতুন আর কি থাকতে পারে ভাবো।
ট্রাই করে দেখো। ডিজাইনের কিন্তু কোন শেষ নাই। একটা ডিজাইন দাঁড় করাও, তারপর ওটাকে আরও ভাল কর, আবার কিছু যোগ কিছু বাদ - এভাবে।




তোমরা ডিজাইনাররা Multi-touch screen ডিজাইন করে বাচ্চাদের কি শিখিয়েছ দেখো! বাচ্চারা ম্যাগাজিনকেও touch screen ভাবছে!




ওয়েব পেইজ ডিজাইনও ট্রাই করতে পারো। ফটোশপ দিয়ে ডিজাইন কর - ভাল লাগে কিনা দেখো। দেখতে ভাল লাগে - এমন সাইটগুলো কেন দেখতে ভাল লাগছে বোঝার চেষ্টা কর।

সবকিছু নিয়ে ভাব। সবকিছু ভালভাবে বোঝার চেষ্টা কর। কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে, ব্যাংক কিভাবে কাজ করে, একটা বাড়ি কোন কোন অংশের জন্য সুন্দর লাগছে - কোন কোন অংশ পাল্টে ফেলে আরও সুন্দর করা যায়।

পড়াশোনা, চিন্তা ভাবনার জন্য আমি কিছু Power Tools ব্যবহার করি। তোমাকে শিখিয়ে দেবো। তোমার মাঝে কত Potential লুকিয়ে ছিল - কখনও খেয়াল করনি - অবাক হয়ে দেখবে। Undergrad বেশি বেশি course নিয়ে তাড়াতাড়ি শেষ করে ফেলতে পারবে!

জীবনের সমস্যাগুলো নিয়ে ভেবে মন খারাপ না করে তোমার কি কি আছে - তা নিয়ে ভাব।

আমরা সবাই happy, satisfied, fulfilled হতে চাই। আসলে আমাদের প্রত্যেকের জীবনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত - নিজে হ্যাপি হওয়া, আর যতগুলো মানুষকে পারা যায় হ্যাপি করা। আমরা মনে করি, অনেক টাকা রোজগার, চাকরিতে ওই পদ, পছন্দ হওয়া ডায়মন্ড সেট কিংবা ওই পুরষ্কারটাই জীবনের লক্ষ্য হওয়া উচিত। কিন্তু আসলে এগুলো লক্ষ্য না। লক্ষ্য হল - এগুলো অর্জনের মাধ্যমে হ্যাপি হওয়া। পুরষ্কার কিংবা পদ happy, satisfied, fulfilled হওয়ার tools, মূল লক্ষ্য না। মূল লক্ষ্য - happiness, satisfaction, fulfillment

কাজেই যেসব ব্যাপার ভাবলে মন খারাপ হয়, ওগুলো ভেবে মন খারাপ করা মানে নিজে নিজে ইচ্ছা করে জীবনে হেরে যাওয়া। গড তোমাকে যে ব্লেসিংসগুলো দিয়েছেন ওগুলো নিয়ে ভাব - কত ভাল লাগবে!

বড় কোন স্বপ্নকে লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে তাতে নিজেকে উজাড় করে দাও - জীবনটা অনেক বেশি অর্থপূর্ণ মনে হবে। স্বপ্নের পথে একটু একটু করে এগোনোকে happy হওয়ার tool হিসেবে ব্যবহার কর।

Happiness এর আরেকটা Secret হল Happiness relative। ধর, একটা কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছ - সামান্য একটু স্বস্তি এলে কি যে ভাল লাগবে! আবার ধর প্রতিটা দিনই অনেক মজার। তখন এত মজার মাঝেও bored feel করবে। অনেক অনেক বেশি exciting কিছু না হলে ভাল লাগবে না! এমন সময়ে happy হওয়ার উপায় হল - কঠিন সময়গুলোর কথা ভাবা, কাছের মানুষ যাদের জীবন তুলনামূলকভাবে সাধারণ তাদের কথা ভাবা। Happiness feel করে তারপর সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে ভুলো না!

সবচেয়ে বড় যে সত্যটা বলতে চাইছি তা হল - আমাদের "পারিপার্শ্বিক" আমাদের যতটা না happy বা unhappy করে, তার চেয়ে বেশি করে আমরা "পারিপার্শ্বিক দেখে মনে মনে কি ভাবলাম"।

এই ব্যাপারগুলো তুমি নিজের জীবনেও অ্যাপলাই কর, কাছের মানুষদেরও শেখাতে পারো।
 

তুমি প্রিন্সেস - তোমাকে রোল মডেল হতে হবে - এটা সবসময় মাথায় রেখো।