Showing posts with label Democracy. Show all posts
Showing posts with label Democracy. Show all posts

Friday, January 17, 2014

নাগরিক শক্তির পক্ষে গনজোয়ার

নাগরিক শক্তির শক্তিঃ
  1. মুক্তিযোদ্ধা সমাজ 
  2. নাগরিক সমাজ
  3. ব্যবসায়ি সমাজ
  4. তরুণ প্রজন্ম
  5. গ্রামীণ নারী
  6. মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট, আলেমসমাজ
  7. ক্ষুদ্র ও মাঝারী ব্যবসায়ী 
  8. পাহাড়ি জনগোষ্ঠী
  9. কৃষক সমাজ
  10. রাজনৈতিক দল, নেতাকর্মীরা
  11. ঘোষণা দেওয়ার পর আমাদের “স্টার-প্যাকড” নেতৃত্ব

আমাদের অত্যন্ত শক্তিশালী তিনটি নেটওয়ার্ক আছে - তিনটি নেটওয়ার্কের প্রতিটির আওতায় মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষ আছেন।

আরও দুটি ডেমগ্রাফিক আছে - প্রত্যেকটি কয়েক মিলিয়ন মানুষের।



গ্রামীণ নারী - ৫০ লক্ষ +

মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট, আলেমসমাজ - ৩০ লক্ষ +

গার্মেন্টস কর্মী - ৪০ লক্ষ

শেয়ারবাজারে ক্ষতিগ্রস্থ বিনিয়োগকারী - ৩০ লক্ষ +

তরুণ ভোটার - (১৮ - ৩৫ বছর) - মোট ভোটারের ৪৫%, অর্থাৎ ৯ কোটি + ভোটারের মধ্যে প্রায় ৪ কোটি+।
এদের overwhelming majority নাগরিক শক্তির সাথে থাকবে।

ফেইসবুক ব্যবহারকারি - আনুমানিক ৫০ লক্ষ - এই সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। এদের overwhelming majority নাগরিক শক্তির সাথে থাকবে।

নারী ভোটার - ৪ কোটি ৫০ লক্ষ +।
মেডিক্যাল কলেজগুলোতে আনুমানিক ৬০ ভাগ ছাত্রী। গ্রামীণ ব্যাংক - ৮৪ লক্ষ গ্রাহক, ৯৭% নারী। গার্মেন্টস - ৪০ লক্ষ কর্মীর মধ্যে প্রায় ৮৫% নারী কর্মী।

আমাদের এলাকা ভিত্তিক ভোটার হিসাবে যেতে হবে।


নাগরিক শক্তির পরবর্তী লক্ষ্য

কৃষক সমাজ
আমাদের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এদের সংগঠিত করা হবে।
(প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।)

ভিন্ন ধর্মাবলম্বী, জাতিগোষ্ঠী (প্রায় ৮০ লক্ষ ভোটার)
বিএনপি-জামায়াত জোট সুযোগ পেলে ঝাপিয়ে পড়বে। আওয়ামী লীগের পক্ষে নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব না। একমাত্র নাগরিক শক্তির পক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব। নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে ২০০১ নির্বাচন উত্তর সংখ্যালঘু নির্যাতন, রামু, পটিয়া, অন্যান্য হামলা এবং সাম্প্রতিক নির্বাচনকালীন হামলাগুলোর সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে বাংলাদেশে চিরদিনের জন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত করবে। এখন জনগণকে সংগঠিত করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী, জাতিগোষ্ঠীর মন জয় করতে হবে।
(প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।)

প্রবাসে কর্মরতদের পরিবার।
প্রবাসে প্রায় ১ কোটি কর্মী কর্মরত আছেন। তাদের পাঠানো ফরেইন রেমিটেন্সের অর্থ আমাদের অর্থনীতিতে একটা নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তারা একটা নতুন ডেমগ্রাফি গড়ে তুলছে। তাদের কারও কারও পরিবারের একটা অংশ গ্রামে থাকলেও ছেলেমেয়েরা শহরে পড়াশোনা, কাজ করছে। এই ডেমগ্রাফির আশা আকাঙ্ক্ষা স্বপ্ন বোঝার চেষ্টা করতে হবে। প্রবাসে কর্মরতদের বিভিন্ন সমস্যা যেমন উন্নত কাজের পরিবেশ, থাকার পরিবেশ এবং সর্বোপরি স্বাস্থ্য সুবিধা নিশ্চিত করতে ক্ষমতায় গিয়ে বাংলাদেশ এম্বেসিগুলোর ভূমিকা বাড়ানো হবে এবং এখন সবাইকে সাথে নিয়ে সরকারকে যথাযথ উদ্যোগ নিতে চাপ দেওয়া হবে। এক একটি দেশে কর্মরতদের পরিবারদের নিয়ে এক একটি সংগঠন গড়ে তোলা যায়। এভাবে শুরু করতে পারলে যারা সংগঠনে আছেন তারাই নিজেদের শক্তিশালী করতে, অধিকার দাবি দাওয়া আদায় করতে অন্যদের অন্তর্ভুক্ত করবেন।
(প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।)


এরা সবাই যখন পরিবার, পরিচিতদের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়বে!

সাথে যোগ দেবেন প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদরা।

আমাদের “স্টার-প্যাকড” নেতৃত্বের পাশে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলো!

সবার উপরে আমাদের ভিশন এবং জনগণের পাশে থেকে জনগণের জন্য উন্নয়নের রাজনীতি করার অভিপ্রায়। আর মেধা - নেটওয়ার্ক এবং উন্নত ইলেকশান ক্যাম্পেইন স্ট্রাটেজি

মানুষ সমাজসেবকদের ভোট দেবেন নাকি সন্ত্রাসীদের গডফাদার, দুর্নীতিবাজদের ভোট দেবেন?

সন্ত্রাসীদের গডফাদাররা, দুর্নীতিবাজরা কালো টাকা, পেশি শক্তি ব্যবহার করতে না পারলে (নির্বাচনী আচরণবিধি সঠিকভাবে প্রয়োগ হলে) তাদের কে ভোট দেবে? অভিজ্ঞতা থেকে জানি, এসব নির্যাতনকারী, খুনি সন্ত্রাসীদের গডফাদারদের বিরুদ্ধে মানুষের চরম ক্ষোভ - কাউকে পেলে ছাড়বেন না - প্রাণের ভয়ে চুপ করে থাকেন।

আর আওয়ামী বাংলাদেশ - জাতীয়তাবাদী বাংলাদেশের নামে দেশ বিভক্তি নয় - এবার নাগরিক শক্তির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ।

গণজোয়ার উঠবে!

আগামী নির্বাচনে নাগরিক শক্তির লক্ষ্য মোট প্রদত্ত ভোটের ৭০%+ ভোট নিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার।







কয়েকমাস আগের সার্ভেইতে AL - ৩৪% এবং BNP - ৪৮%।

শেয়ার বাজার ধ্বস (কারসাজির মাধ্যমে ৩০ লক্ষাধিক বিনিয়োগকারির সর্বস্ব কেড়ে নেওয়া), গ্রামীণ ব্যাংকে অন্যায় হস্তক্ষেপ (৮৪ লক্ষ গ্রাহকের ব্যাংককে ভেঙে ১৯ টুকরা করার প্রচেষ্টা; এমন একটি ব্যাংক যেটি শুধুমাত্র দারিদ্র্য দূর করেনি, ব্যাংকের মালিকানায় গ্রাহকদের অংশও দিয়েছে), দুর্নীতি (হলমার্ক, পদ্মা সেতু ইত্যাদি), সন্ত্রাসী কার্যকলাপ (ত্বকী হত্যা, সাগর-রুনি হত্যা), চাঁদাবাজি (ছাত্র লীগ, যুব লীগ, পরিবহণক্ষেত্র ইত্যাদি), মাদক ব্যবসা করে দেশের তরুণ সমাজকে বিপথে নেওয়া, আস্তিক-নাস্তিক প্রচার - এসব কারণে AL এর এই দশা। ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত সিটি করপরেশান নির্বাচনগুলোতে আমরা এর প্রতিফলন দেখেছিলাম। গত কয়েক মাসে সমর্থন আরও বেশ খানিকটা কমেছে।

BNP কি মহান কিছু করেছে? আমরা উত্তরটা জানি। AL এর দুঃশাসনে অতিষ্ঠ জনগণ পরিবর্তন চায়। আস্তিক - নাস্তিক প্রচারও পক্ষে গেছে, যদিও ২০০১-২০০৬ তে আমরা এদেরকে দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত দেখেছিলাম।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে নির্বিচারে মানুষ খুন, অবরোধ-হরতালের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস জনগণ ভালভাবে নেইনি। BNP র সাংগঠনিক দুর্বলতা, নেতাকর্মীদের কমিটমেন্টের অভাব ফুটে উঠেছে।

BNP র কোন কালেই কোন আদর্শ ছিল না। ভোটের আগে ইসলামী চেতনার একটা মুখোশ ধারণ করে ক্ষমতায় গিয়ে দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়ে সেই চেতনা জলাঞ্জলি দিয়েছে। ইসলামী চেতনার মুখোশ নিয়ে সুযোগ পেলে জামায়াত ইসলামীর নেতৃত্বে সংখ্যালঘুদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ধ্বংস করেছে। আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর অসাম্প্রদায়িকতার আদর্শ যা ছিল এবার তা ভূলুণ্ঠিত করেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে স্বৈরাচারী চেতনাকে তারা গ্রহণ করেছে। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে তারা শুধু বার্থ হয়নি, বরং ভূমিদস্যুতাকে লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে সর্বদলীয় সাম্প্রদায়িক হামলা চালিয়েছে।


দেশ এবং জনগণ এখন নাগরিক শক্তির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার অপেক্ষায়।


আরও
নাগরিক শক্তির ইলেকশান ক্যাম্পেইন স্ট্রাটেজি

Thursday, January 9, 2014

আমাদের দেশের গনতন্ত্র - নির্বাচিত স্বৈরাচারী একনায়কত্ব

"রাশিয়ার জার ও ভারতের মোগল সম্রাটের চেয়েও বেশি ক্ষমতা ভোগ করেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী।"
- ড. আকবর আলি খান [1]


"ব্যক্তিবিশেষের ইচ্ছা-অনিচ্ছার শাসনকে বলে স্বৈরশাসন, যা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই জনকল্যাণমূলক বা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হয় না।

সরকার যদি ব্যক্তিকেন্দ্রিক হয় এবং জনকল্যাণে পরিচালিত হচ্ছে না দেখা যায়, তবে তা নির্বাচিত হলেও গণতান্ত্রিক সরকার নয়, বরং তাকে নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্র বলা যায়।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে সংসদ সদস্যদের সংসদীয় দলের প্রধানের মতামত মানা বাধ্যতামূলক। বর্তমানে সরকারপ্রধান দলীয় প্রধান ও সংসদীয় দলের প্রধান। সে কারণে প্রধানমন্ত্রী তাঁর নিজস্ব যেকোনো মতামত সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সংসদে গ্রহণীয় করার জন্য দলীয় সংসদ সদস্যদের ওপর চাপিয়ে দিতে সক্ষম।

সংসদের সর্বোচ্চ পদ স্পিকার। এ পদের জন্য সংসদ সদস্যদের ভোটে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় নির্বাচন ও অপসারণের ব্যবস্থা আছে। ফলে দলীয় যেকোনো ব্যক্তিকে স্পিকার নির্বাচন এবং পছন্দ না হলে যখন-তখন অপসারণের ক্ষমতা সংসদীয় দলের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর আছে।

সংসদীয় পদ্ধতিতে সরকারের জবাবদিহির প্রধান জায়গা সংসদ। স্পিকার যিনি সংসদ পরিচালনার কর্তৃত্বপ্রাপ্ত ও সংসদে সরকারি দলের সাংসদেরা যাঁরা সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং সে কারণে ভোটের মাধ্যমে সংসদে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও অনুমোদন করতে সক্ষম, তাঁরা সবাই প্রধানমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে। দেখা যায়, সংসদে সরকারি যেকোনো প্রস্তাব প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই গৃহীত হয়। এ কারণে সংসদকে সরকারি সব কাজের বৈধতাদানকারী রাবার স্ট্যাম্প সংসদ হিসেবে অনেকে আখ্যায়িত করে থাকেন।

বিচার বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিশিষ্টজনেরা, দেশের সচেতন সমাজের অনেকে ও ভুক্তভোগীদের কাউকে কাউকে আক্ষেপ করতে দেখা যায়, কাগজে-কলমে যা-ই থাক, বিচার বিভাগ তার কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা বাস্তবে লাভ করেনি। বাস্তবে সরকার বলতে সরকারপ্রধান বা প্রধানমন্ত্রীকে এককভাবে বোঝায়। ফলে সুনির্দিষ্টভাবে বললে বিচার বিভাগ এখনো সরকারপ্রধানের প্রভাবমুক্ত নয়।

রাষ্ট্রপতির পদটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসন। দল-মতনির্বিশেষে সবার আশ্রয়স্থল হওয়ার কথা। সে লক্ষ্যে পদটি দলনিরপেক্ষ ও সর্বজনগ্রাহ্য ব্যক্তি দ্বারা পূর্ণ করা বাঞ্ছনীয়। সংবিধানের বিধানগুলো কিছুটা সে লক্ষ্যে প্রণীত। কিন্তু বাস্তবে সংসদ সদস্যদের অগোপনীয় ব্যালটের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ফলে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক সাংসদেরা দলীয় নেতা, প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের ও অনুগত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করতে বাধ্য থাকেন। এমনকি সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলে (যেমনটা বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও ইতিপূর্বের বিএনপির ছিল) যখন-তখন প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা বাস্তবায়নে বা মন রক্ষা করে চলতে ব্যর্থ হলে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সম্ভব।

বর্তমান পদ্ধতিতে সরকারপ্রধান শুধু সরকারি প্রশাসনের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রক নন, একই সঙ্গে সরকারি দল ও সংসদের নিয়ন্ত্রক, রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও বিচার বিভাগ তার প্রভাবের আওতায়। ফলে প্রধানমন্ত্রীর পদটি বর্তমান পদ্ধতিতে রাষ্ট্রের সর্বময় কর্তৃত্বের অধিকারী, যা বাধাহীনভাবে কোনো জবাবদিহি ছাড়া ব্যবহার করা যায়। এককথায় স্বৈরাচারী একনায়কত্ব। ফলাফল যা অনিবার্য, তা হলো ভুলত্রুটি, অনিয়ম, সুশাসনের অভাব ও দুর্নীতির বিকাশ।

আগেই বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশাসনের সব ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত। সে কারণে সরকারপ্রধান পরোক্ষ ক্ষমতাগুলোও সরাসরি ব্যবহারের প্রয়াস নিলে তা সম্ভবপর হয়। ফলে সাধারণ দৈনন্দিন কাজ থেকে শুরু করে যেকোনো সমস্যা সমাধানে সরকারপ্রধান জড়িত হয়ে পড়েন এবং তাঁর নির্দেশনা ছাড়া কোনো কাজের অগ্রগতি হয় না।

যেহেতু সরকারপ্রধান সব কাজে জড়িত হয়ে পড়েন, সব ধরনের দুর্নীতি, অনিয়ম, দুর্ঘটনা ও অঘটনের দায়-দায়িত্ব (যদি তিনি সরাসরি দায়ী না-ও হন) স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় তাঁর ওপরই বর্তায়। সেই দায়িত্বভার কাঁধে নিয়ে এ ধরনের সরকারপ্রধানদের ক্ষমতার বাইরে থাকা নিরাপদ হয় না। ফলে যেনতেন প্রকারে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার এবং পুনরায় ক্ষমতায় যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে দলীয়করণ, দুর্নীতি, দলীয় সন্ত্রাস লালন-পালন ক্ষমতায় যাওয়ার ও ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার প্রয়াসের অংশ বলে অনেকে মনে করেন।"

- এককেন্দ্রিক শাসনব্যস্থা আর নয়, গোলাম মোহাম্মদ কাদের, সংসদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী।

রেফারেন্স
[1] জার, মোগল সম্রাট ও প্রধানমন্ত্রী

Sunday, December 29, 2013

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে স্বৈরতান্ত্রিক চেতনা

বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার ছিল না বলে, গনতান্ত্রিক অধিকার ছিল না বলে, ৭০ এর নির্বাচনে জয়ী হয়েও আমরা সরকার গঠন করতে পারিনি বলে, ৭১ এ “ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে” তুলে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম। আজ যে দলটি জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা তো দূরের কথা - ন্যায্য অধিকার কেড়ে নিয়েছে এবং একটি তামাশার নির্বাচনের মাধ্যমে গনতন্ত্রকে ভূলুণ্ঠিত করেছে, সেই দলটি কিভাবে দাবি করে, তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করছে?

আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখার মত যে প্রশংসনীয় কাজটি করেছে তা হল মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করিয়েছে। কিন্তু এই আওয়ামী লীগকে এবং আওয়ামী লীগ সভানেত্রীকে আমরা ৯৬ এর নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামী এবং মানবতাবিরধী যুদ্ধাপরাধী গোলাম আজমের সাথে দহরম মহরম দেখেছিলাম।

বিদেশী শক্তিকে তুষ্ট করতে যারা দেশের স্বার্থ বিরোধী চুক্তি করতে দ্বিধা করে না তাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দাবি আজ বড় হাস্যকর শোনায়। (জনসমর্থনহীন একদলীয় স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে বিদেশী শক্তির সমর্থনের মুখাপেক্ষী হতে হয়।)

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার দাবি এবং আওয়ামী লীগের বিরোধিতাকারি সবাইকে যুদ্ধাপরাধীদের দোসর এবং সাম্প্রদায়িক হিসেবে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালানো ভোটার টানতে আওয়ামী লীগের মার্কেটিং স্ট্রাটেজি ছাড়া কিছুই না। যিনি এমন ব্যবসা চালু করেছেন যেখান থেকে মালিক শুধুমাত্র প্রাথমিক বিনিয়োগ তুলে নেওয়া ছাড়া কোন লভ্যাংশ নেবেন না এমন আদর্শ ব্যক্তিকেও "ঘুষখোর" হিসেবে আওয়ামী লীগ মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালিয়েছে।

ক্ষমতার লোভে দেশ বিকিয়ে দিয়ে আসবেন না - এতটুকু আস্থাও আমরা রাখতে পারছি না।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দাবিদার দলটি আজ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, বিচার বিভাগ তথা সমগ্র প্রশাসনকে সম্পূর্ণভাবে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে স্বৈরতান্ত্রিক চেতনাকে ধারণ করছে।

"মুক্তিযুদ্ধ নামাবলী গায়ে দিলেই যা খুশি তাই করবার এখতিয়ার তৈরি হয় না। ১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো স্বৈরতন্ত্র সাম্প্রদায়িকতা আধিপত্য আর বৈষম্যের বিরুদ্ধে, মানুষের মুক্ত একটি ভূখন্ডের জন্য। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তাই কখনোই চোর ডাকাত আর সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি হতে পারে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মানে কখনোই মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার বিসর্জন দেওয়া হতে পারে না। গণতন্ত্রের সঙ্গে কখনো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা-র বিরোধিতা হতে পারে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কখনোই নিপীড়ন, প্রতারণা, বর্বরতা, বৈষম্য, আধিপত্য সমর্থন করতে পারে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কখনোই অপরাধীদের অপরাধের বর্ম হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের চিহ্ন ব্যবহার অনুমোদন করতে পারে না।"

- আনু মুহাম্মদ, অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

আরওঃ




রেফরেন্স
১. ৭০ এর সাধারণ নির্বাচন
২. Autocracy বা স্বৈরতন্ত্র
৩. Jamaat-e-Islami Pakistan

ফলোআপ
দেশ বিকিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া কি তবে শুরু হয়ে গেছে?
ক্ষমতার লোভে কি আমরা কি টেস্ট খেলার অধিকার হারাবো?
"The reality for the BCB is that we cannot afford to go against the BCCI," the BCB director said. "..majority in the board believe that favouring India would be the best option for us."
আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান সাবেরের

আওয়ামী লীগ জানে, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে তারা কখনই ক্ষমতায় আসতে পারবে না। কাজেই মরিয়া হয়ে ক্ষমতা ধরে রাখতে বিদেশী শক্তিকে তুষ্ট করতে একদিকে তারা দেশ বিকিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া আরও চরমভাবে শুরু করবে এবং অন্যদিকে জনগণের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনসহ সংবিধান লঙ্ঘন করবে।

নাগরিক শক্তি জনগণকে নিয়ে দেশের জনগণ, সম্পদ এবং সর্বোপরি সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে।  

Sunday, December 22, 2013

স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের সম্পৃক্তকরণ - ১

আমাদের Beautiful Bangladesh কে স্বপ্নের বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাণশক্তিতে ভরপুর তরুণ-তরুণীদের উপর আমাদের নির্ভরতা থাকবে সবচেয়ে বেশি।



তরুণদের কাছে “স্বপ্নের বাংলাদেশ” এর ভিডিও চিত্র / শর্ট ডকুমেন্টারি আহবান করা যায়। আমরা জানতে চাই, দেশ নিয়ে তরুণদের ভাবনা। জানতে চাই, তরুণরা স্বপ্নের বাংলাদেশে কি কি দেখতে চান। তরুণরা টীম গঠন করে তাদের সৃজনশীলতা দিয়ে স্বপ্নের বাংলাদেশ কেমন হবে তার একটা চিত্র ফুটিয়ে তুলে প্রস্তাব দেবেন। সবচেয়ে ভাল প্রস্তাবগুলোকে টীমের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে স্পন্সরের মাধ্যমে ফান্ড দেওয়া হবে। ফান্ড দিয়ে বাছাইকৃত টিমগুলো ভিডিও চিত্র / শর্ট ডকুমেন্টারি তৈরি করবেন। সেরাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হবে। সেরা ক্লিপ্স / ডকুমেন্টারিগুলো আমরা নাগরিক শক্তির ওয়েবসাইটে রাখব। ফেইসবুক, ইউটিউব, ফোন এর মাধ্যমে ছড়িয়ে দেব। আমাদের দলের নির্বাচনী ইশতেহারে কোন কোন প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করা যায় তা পর্যালোচনা করা হবে। সবচেয়ে বড় কথা - আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকবে নতুন প্রজন্মের স্বপ্নগুলো বাস্তবায়নে।

একইসাথে দেশের সব নাগরিকদের কাছে বাংলাদেশ নিয়ে স্বপ্নের কথা লেখার আহবান করা যায়। প্রত্যেকে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্র, অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে লিখবেন। অর্থনীতিবিদরা লিখবেন দেশের অর্থনৈতিক বাবস্থা সংস্কার নিয়ে, বাবসায়ি-উদ্যোক্তারা লিখবেন বাবসা-বাণিজ্যের সংস্কার-সম্ভাবনা নিয়ে, আইনজ্ঞরা লিখবেন বিচার বিভাগ নিয়ে, শিক্ষাবিদরা লিখবেন শিক্ষাবাবস্থা নিয়ে, চিকিৎসকরা লিখবেন স্বাস্থ্য বাবস্থা নিয়ে, শিল্পী - সংস্কৃতি কর্মীরা লিখবেন সংস্কৃতি নিয়ে, প্রতিরক্ষা বাবস্থা নিয়ে লিখবেন বিশেষজ্ঞরা, প্রকৌশলীরা লিখবেন প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সম্ভবনা নিয়ে, আলোকিত মানুষ ও আলোকিত সমাজ গড়ে তোলার উপায় নিয়ে লিখবেন কেউ কেউ। আমাদের ওয়েবসাইটে দেশ নিয়ে ভালবাসা আর স্বপ্নের কথার লেখাগুলো রাখা হবে। পরবর্তীতে নির্বাচিত লেখাগুলো বই আকারে প্রকাশ করা যায়।

নাগরিক শক্তির নির্বাচনী ইশতেহার তৈরিতে লেখাগুলো ভূমিকা পালন করবে। জনগণের দল হিসেবে নাগরিক শক্তির সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকবে জনগণের স্বপ্ন বাস্তবায়নে।

Friday, December 13, 2013

অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পক্ষে অবস্থান

(নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর পর লেখা)

বর্তমান নতুন মন্ত্রিসভার সরকারকে “সর্বদলীয়”, “অন্তর্বর্তীকালীন”, “বহুদলীয়”, “মহাজোটিয়” ইত্যাদি কোন বিশেষণে বিশেষায়িত করা যায় তা নিয়ে ভেবে সময় নষ্ট না করে আমরা সাধারণ জনগণ সরকারের কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করব এবং আমাদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরব।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ডঃ ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ নভেম্বর ২০, ২০১৩ তে প্রথম আলোতে লিখিত কিছু প্রস্তাব দিয়েছেন বর্তমান সরকারকে - “চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান পরিচালনা, বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ সরকার পরিচালিত অন্যান্য গণমাধ্যমকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির কাজে ব্যবহার করা, দলীয়ভাবে চিহ্নিত কর্মকর্তারা জনপ্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকলে তাঁদের অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া, স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনে কিছু রদবদলের মাধ্যমে নিরপেক্ষ নির্বাচন-প্রক্রিয়ার সপক্ষে একটি স্পষ্ট বার্তা পৌঁছে দেওয়া, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করার লক্ষ্যে কার্যকর প্রকাশ্য নির্দেশনা প্রদান এবং সর্বোপরি প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনকে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে পুনর্গঠিত করা।” এসব নিশ্চিত করা বিরোধী দলের মত আমলে না নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাবস্থা বাতিল করা বর্তমান সরকারের দায়িত্ব। বার্থ হলে বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন কেন সম্ভব নয় আমরা জনগণের সামনে তুলে ধরব - এ ব্যাপারে মাঠ পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।

বর্তমান সরকার যদি সরকারি সুবিধা ব্যবহার করে, লোকদেখানো ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে এবং সরকারি অর্থ ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো অব্যাহত রাখে তবে “লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড” সৃষ্টি করে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি প্রহসনের ব্যাপারে পরিণত হবে। বিরোধী দলগুলো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না, ২০ ভাগ ভোটও সুষ্ঠুভাবে পড়বে কিনা তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ আছে (অনেকগুলো আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন), বিদেশি নির্বাচনী পর্যবেক্ষকরা পর্যবেক্ষণের জন্য থাকবেন না - জনগণের অর্থে বিপুল বায়বহুল এমন একটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে জনগণ অহিংস অসহযোগ আন্দোলন গড়ে তুলবে। জনগণ নিজেদের ভোটের অধিকার রক্ষায়, স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে আমাদের পাশে থাকবে।

Thursday, December 12, 2013

নাগরিক শক্তির আত্নপ্রকাশ

নাগরিক শক্তির আত্নপ্রকাশঃ ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৩। 
প্রতিবছর বিজয় দিবসের দিনে আমরা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করব।

  • মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশ নিয়ে তাদের স্বপ্নের কথা তুলে ধরবেন।
  • বিভিন্ন শ্রেণী পেশা (অন্যান্যদের মধ্যে একজন কৃষক, একজন গার্মেন্টস কর্মী, একজন রিকশা চালক থাকবেন) বিভিন্ন জাতি (পাহাড়ি) ধর্মের মানুষ তাদের প্রত্যাশা, আশা আকাঙ্খার কথা তুলে ধরবেন। (নাগরিক শক্তি জনগণের দল।)
  • একজন তরুণ ব্লগার একজন মাদ্রাসা ছাত্রকে ব্লগ লেখা শিখিয়ে দেবেন এবং মাদ্রাসা ছাত্র ইসলাম কিভাবে আমাদের পথ প্রদর্শক হতে পারে তা নিয়ে একটি ব্লগ পাবলিশ করবেন। আমাদের চিন্তা ভাবনা, মূল্যবোধ, ধ্যান - ধারণায় পার্থক্য থাকতে পারে - কিন্তু একসাথে বসে আলোচনা করলে আমাদের মাঝের দূরত্বটুকু দূর হয়ে যায়।
  • বাংলাদেশের মানুষ পরিকল্পনাবিহীন অপরাজনীতি দেখে অভ্যস্ত। জনগণ জানে না সুপরিকল্পিত সুশাসন দেশকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে। বাংলাদেশ সঠিকভাবে পরিচালিত হলে স্বপ্নের বাংলাদেশ কেমন হবে তার এবং সেই স্বপ্নের বাংলাদেশে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের জীবনের একটা চিত্র জনগণের সামনে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তুলে ধরে জনগণকে সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্নে উজ্জীবিত করা হবে। দৃঢ়তার সাথে জনগণকে জানানো হবে স্বপ্নের বাংলাদেশের লক্ষ্যে পরিবর্তন এবারই আসছে।
  • জাতি ধর্ম বর্ণ শ্রেণী পেশা নির্বিশেষে কারও উপর যাতে কখনও অন্যায় না হয়, জনগণকে এলাকায় এলাকায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে তা নিশ্চিত করতে আহ্বান জানান হবে এবং দলটি এক্ষেত্রে জনগণের পাশে থাকবে।
  • নাগরিক শক্তি জনগণের দল। জনগণ সব ধরণের মাধ্যম (ওয়েব, সেল ফোন, ইমেইল ইত্যাদি) ব্যবহার করে যাতে দলটির কাছে প্রত্যাশা, মতামত, আশা আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরতে পারে সে লক্ষ্যে বাবস্থা।
  • কয়েকটি দল বিলুপ্ত ঘোষণা করে স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে সকলে মিলে নাগরিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে - ট্রাঞ্জিশানটা স্মুথ হবে - সবাইকে নাগরিক শক্তির অংশ করে নেওয়া। প্রত্যেক দলের দলীয় প্রধান ঘোষণা দেবেন।
  • ওয়েবে আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচারিত হবে।
  • স্থানীয় পর্যায়ে আয়োজন থাকবে।
  • মেম্বারশিপ ফর্ম (সেল ফোন, ওয়েব, কাগজ - সুনাগরিক হিসেবে দেশের জন্য কি ভূমিকা রাখতে চান, দলীয় সদস্য হিসেবে কোন কোন ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে চান - তা লিখবেন।)
  • জনগণকে প্রতিটি কর্মকাণ্ডে যত বেশি সম্পৃক্ত করা যাবে - জনগণের সাথে দলটির তত বেশি আবেগের সম্পর্ক গড়ে উঠবে।
  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
    • ফেইসবুক পেইজ
    • ওয়েবসাইট (মডারেটেড ব্লগ থাকবে)
    • ইউটিউব চ্যানেল (স্বপ্নের বাংলাদেশের ভিডিও, দেশ নিয়ে ভিডিও, দলীয় কর্মকাণ্ডের ভিডিও)
    • বুকলেট
    • ডিজিটাল মিডিয়া / সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, তারুণ্য। স্বপ্নের বংলাদেশের ভিডিও (দলের নাম, প্রতীক) -> লিংকঃ ফেইসবুক, ইউটিউব পেইজ, ওয়েব সাইট (সবাই পড়তে পারবে, কিন্তু সাইটে কমেন্ট করতে / মতামত দিতে ফেইসবুক লগইন। (তা নাহলে স্প্যাম, উদ্দেশ্য প্রণোদিত কমেন্ট - অ্যাডমিন মডারেশান এর পর পাবলিশ) সাইট ব্লগে নিজেদের চিন্তা ভাবনা, প্রত্যাশা প্রকাশ করার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।)। দলটা আমাদের সবার। সবার মতামতের ভিত্তিতেই পরিচালিত হবে দল এবং দেশ। স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে উঠবে তারুণ্যের শক্তিতে। তরুণদের জন্য প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেওয়া হবে যাতে তারা বিভিন্ন কল্যাণমুখী, উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিতে পারে। লেখাগুলো ভাগ করে ইমেইজ হিসেবে শেয়ার দেওয়া হবে (দলের নাম, প্রতীক থাকবে ইমেইজে) - সবাই পড়বে, লাইক - শেয়ার দিবে এবং এভাবে ছড়িয়ে পড়বে। গ্রামে সবাই ফোন ব্যবহার করে এক্সেস করবে। কাজেই মোবাইল অপ্টিমাইজড ডিজাইন। (ডিজিটাল মিডিয়া সিকিউরিটি)
    • তরুণ তরুণীরা সবচেয়ে বেশি উৎসাহ নিয়ে কাজ করবে। টীম গড়ে তুলতে হবে। সবাই একসাথে বসে মিটিং এর পাশাপাশি ভার্চুয়ালি একসাথে কাজ করতে পারে, সাজেশান দিতে পারে, যোগাযোগ দিতে পারে সে লক্ষ্যে বাবস্থা - “ক্লোজড গ্রুপ”। তরুণ তরুণীদের মাঝ থেকেই ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে উঠবে।

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৩ - বুদ্ধিজীবী, নাগরিক সমাজ, বাবসায়ি সমাজ কে নিয়ে নাগরিক ঐক্যের আলোচনা-সভা। বুদ্ধিজীবীরা, নাগরিক সমাজের সদস্যরা, বাবসায়িরা দেশ গঠনে নিজেদের মতামত, দিক নির্দেশনা তুলে ধরবেন।

Monday, December 9, 2013

নাগরিক শক্তি

দলের নাম: নাগরিক শক্তি
প্রতীক: বই


মূলমন্ত্র: “জ্ঞানের আলোয় উন্নত বাংলাদেশ”


মূলনীতি
1. সবকিছুর উপর জাতীয় স্বার্থ
2. মুক্তিযুদ্ধের চেতনা
3. জাতি ধর্ম বর্ণ শ্রেণী পেশা নির্বিশেষে সবার একতা, সবার স্বার্থ সংরক্ষণ; সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্নে সবাই ঐক্যবদ্ধ
4. গণতন্ত্রমনা – দলের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে জনগণের মতামত, আশা আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হবে, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে
5. সকল অন্যায়, অপকর্ম, অত্যাচার, দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান


সাংগঠনিক কাঠামো
প্রেসিডেন্ট
এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট
ভাইস প্রেসিডেন্ট - ৭ জন
জেনেরাল সেক্রেটারি এবং কো-জেনেরাল সেক্রেটারি
জয়েন্ট জেনেরাল সেক্রেটারি - ১১ জন (আরও কয়েকজন যুক্ত হবেন)

Friday, November 29, 2013

Peace in Syria

The Syrian civil war has to end. We want peace.

Iran can play a vital role. Russia and Iran can converse with the rest of Middle East and Western countries to make the Syrian government and all the different groups sit together, find a roadmap that is acceptable to everyone and end the civil war and restore peace.

As a first step, military and arms support from outside countries should be stopped immediately. More than 110,000 people have lost their lives. What is the point of adding more to that?

The veto power in the United Nations has been a major roadblock.

People belonging to the “rebels” groups who have lost their family members are not ready to accept Bashar Al-Assad as the President.

Democracy has to be restored. People should be given the right to choose their own leaders and representatives and it's the responsibility of leaders to win people's hearts.


Followups
'Massive evidence' links Syrian regime to war crimes, U.N. official says
Iran Moves to Assert Clout on Syria