Saturday, August 9, 2014

আজকের উপলব্ধিতে বাংলাদেশ (৭/৮/১৪)

1.অর্থনীতি শিল্প বাণিজ্যে অগ্রগতি

রিজার্ভে নতুন রেকর্ড

- ২০১৪-১৫ অর্থবছরে শুভ সূচনা হল।
এখন থেকে বাংলাদেশ বিভিন্ন পরিসংখ্যান এবং সূচকে নতুন নতুন রেকর্ড স্থাপন করবে।

2.২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর আব্বু বলেছিলেন, স্পীকারের দায়িত্ব প্রফেসর এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে দিলে সবচেয়ে ভালো হবে। উনি এত সুন্দর করে সংসদ চালাতেন!
প্রফেসর অফ মেডিসিন ডাঃ বদরুদ্দোজা চৌধুরী বিটিভিতে স্বাস্থ্য বিষয়ক একটা অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করতেন। সেই অনুষ্ঠানের প্রশংসা শুধু আমার কার্ডিওলজিস্ট বাবা-ই করতেন না, আরও অনেকেই করতেন।

বাংলাদেশের ১৩তম রাষ্ট্রপতি প্রফেসর বদরুদ্দোজা চৌধুরী সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবনশীলতায় পূর্ণ একজন মানুষ।

সাহিত্য চর্চাও করেছেন তিনি।
মেডিক্যাল কলেজে পড়ার সময় বিতর্ক চর্চা করতেন। (এসময় নাটকও লিখেছেন!)

২০০১ এর জাতীয় নির্বাচনের আগে টিভিতে একটি অনুষ্ঠান প্রচারিত হত। অনেকের ধারণা, ২০০১ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভরাডুবির পিছনে সেই অনুষ্ঠানের একটা বড় ভূমিকা ছিল। বাংলাদেশের রাজনীতিতে মিডিয়ার সফল ব্যবহারের সূচনাও সেখানে।
বিএনপি সরকার গঠনের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী "আগামী ১০০ দিনের কর্মসূচী" ঘোষণা করেছিলেন।
নির্বাচনের আগে এবং সরকারের গঠনের পরের - দুটো উদ্যোগেরই মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রফেসর বদরুদ্দোজা চৌধুরী।      

সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রফেসর বদরুদ্দোজা চৌধুরী বিকল্প ধারা গঠনের পর দেশের রাজনীতিতে পরিবর্তনের স্বপ্ন শুধু আমিই দেখিনি, আজকে যারা নাগরিক শক্তির সাথে আছেন - তাদের অনেকেই দেখেছিলেন।
বিকল্প ধারা এবং গণফোরাম সারা দেশে জনগণের মতামত জানতে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছিল।
অন্যরকম একটা উদ্যোগ।
রাজনৈতিক সমাবেশে যা হয় তা হল জনগণ গিয়ে নেতাদের বক্তব্য শুনে আসেন।
কিন্তু বিকল্প ধারা এবং গণফোরাম আয়োজিত সেই অনুষ্ঠানগুলোতে জনগণ নিজেদের বক্তব্য প্রকাশ করার সুযোগ পেত।
এখনকার মত এতগুলো টিভি চ্যানেল তখন ছিল না। কাজেই এই ধরণের উদ্যোগ সেই সময়ের জন্য অনন্য।
এই অনুষ্ঠানগুলোর মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রফেসর বদরুদ্দোজা চৌধুরী এবং তার সুযোগ্য পুত্র সাবেক সাংসদ মাহী বি. চৌধুরী।


3.একজন ব্যর্থ মানুষের গল্প: ড. আসিফ নজরুল

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেনের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা।


4."দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ" গড়ে তোলায় অগ্রগতি

অর্থপাচার মামালায মোশাররফের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন 

এমপি আফজালকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

"কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ মোঃ আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।"

বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।
বাংলাদেশে জনগণের ক্ষমতা অধিষ্ঠিত হচ্ছে।
অন্যায় করে কেউ পার পাবে না।
দুর্নীতি যেই করুক না কেন - সরকার দলীয় সাংসদ হোক - তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

5.অন্যায় অপরাধ্মুক্ত উন্নত চট্টগ্রাম জেলা গড়ে তোলায় অগ্রগতি

আমার নিজের জেলা চট্টগ্রামকে নতুন করে গড়ে তোলা হবে। বন্দর নগরী চট্টগ্রাম হবে একবিংশ শতাব্দীর সব সুযোগ সুবিধা সম্বলিত আধুনিক একটি নগর।

চশমা খাল থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
- দেশের ক্ষতিকারক অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হবে।
কিন্তু মনে রাখতে হবে - অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গিয়ে নিম্নবিত্ত শ্রেণীর মানুষরা যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হন। নিম্নবিত্ত শ্রেণীর মানুষের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে হবে।

চট্টগ্রামে গাঁজা বিক্রেতা নারীর কারাদণ্ড

মিরসরাইয়ে ৮ রেস্তোরাঁ মালিককে জরিমানা

6."মাদকমুক্ত বাংলাদেশ" গড়ার পথে অগ্রগতি

বাংলাদেশ মাদকমুক্ত হওয়ার পথে।
বাংলাদেশের নাগরিকদের দেশ নিয়ে গর্ব করার মত অর্জনের ভান্ডারে আরেকটা অর্জন কিছুদিন পর যোগ হবে।
বাংলাদেশ হবে পৃথিবীর প্রথম অবৈধ মাদকমুক্ত দেশ।

কুলাউড়ায় ২ লাখ ভারতীয় বিড়ি আটক

- ২০১৪-১৫ অর্থবছরের জন্য ঘোষিত বাজেটে সিগারেট এবং তামাকজাত পণ্যের উপর শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। এতে বিরি-সিগারেটের দাম বাড়বে এবং ব্যবহারকারীরা নিরুৎসাহিত হবে।
এছাড়া দেশে তামাকের চাষ হত এমন জমিতে গার্মেন্টস শিল্পের উপযোগী তুলা উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাস্তবায়িত হওয়ার পর গার্মেন্টস শিল্পের জন্য ব্যবসায়ীদের আর বিদেশ থেকে তুলা আমদানি করতে হবে না।

তামাক চাষে অনীহা সৃষ্টিতে ১৪৯ উপজেলায় তুলাচাষ প্রকল্প
"নাগরিক শক্তির অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা"র অংশ ছিল উপরের দুটি উদ্যোগ।

টেকনাফে ইয়াবাসহ মা-মেয়ে আটক
সেনবাগে মাদকসহ আ’লীগ নেতা আটক

9."অবৈধ অস্ত্রমুক্ত বাংলাদেশ" গড়ার পথে অগ্রগতি

বাংলাদেশের কোন নাগরিকের কাছে অবৈধ অস্ত্র - মেনে নেওয়া হবে না।
দেশের প্রত্যেকটি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হবে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে কাজ করছেন।

খিলগাঁওয়ে অস্ত্রসহ আটক ২

10.অন্যায় অপরাধমুক্ত সিলেট জেলা গড়ে তোলায় অগ্রগতি

সিলেটে বিশেষ অভিযানে ৯৭ অপরাধী গ্রেফতার
"সিলেট মহানগর পুলিশ মিডিয়া সূত্র জানায়, বিশেষ অভিযানে ৬৩ জন ওয়ারেন্ট আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া মাদক মামলায় ১৫ জন এবং মাদকসহ ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
২৩ লিটার মদ, ৩৫ পিস ইয়াবা, ২০ পুরিয়া হেরোইন, ৫ কেজি গাঁজা এবং ৪ বোতল ফেনসিডিলও উদ্ধার করা হয়েছে।"

11.ভেজাল খাদ্য ও ওষুধ এবং ফরমালিনমুক্ত  বাংলাদেশ গড়ে তোলায় অগ্রগতি

খুলনায় ভেজাল শিশুখাদ্য বিক্রি মামলায় দুই ব্যবসায়ীর জরিমানা
মানিকগঞ্জে ৮ চাল ব্যবসায়ীর জরিমানা
রাজশাহীতে নকল ওষুধ কারখানার সন্ধান, আটক ২

12.অন্যায় অপরাধ্মুক্ত উন্নত কক্সবাজার জেলা গড়ে তোলায় অগ্রগতি

কক্সবাজারে ৪০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
- দেশের ক্ষতিকারক অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হবে।
কিন্তু মনে রাখতে হবে - অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গিয়ে নিম্নবিত্ত শ্রেণীর মানুষরা যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হন। নিম্নবিত্ত শ্রেণীর মানুষের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে হবে।

13.বাংলাদেশের ৬০টি জেলা সফর করলেন মজীনা

মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডান মজীনা বাংলাদেশে শুধুমাত্র একজন রাষ্ট্রদূতই নন, তিনি বাংলাদেশের সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যকে নিজের মাঝে ধারণ করেছেন। বাংলাদেশের মাঝে, এদেশের মানুষের মাঝে অনন্য সম্ভাবনা তিনি দেখেন।
লুঙ্গি পরে রিকাশায় বসে আন্তরিক ডান মজীনা - ছবিটি বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে সবসময় থাকবে।  

14.কৃষিতে নবজাগরণ

শিগগিরি কৃষক পাচ্ছে রোগ মুক্ত চারা উৎপাদন পদ্ধতি

15.১০ লাখ ভিওআইপি সরঞ্জামসহ আটক ২ (banglanews24.com)

16.বাংলা সাহিত্য শিল্প সংস্কৃতির অগ্রযাত্রা

ফেসবুকে ভেরিফাইড হানিফ সংকেত (banglanews24.com)

17.বাংলায় কথা বলতে বাংলানিউজে আইইউবি (IUB)র তিন মার্কিন ছাত্র (banglanews24.com)

"যুক্তরাষ্ট্রের এই তিন শিক্ষার্থীসহ মোট ১৩ জন বিদেশী শিক্ষার্থী বিএলআই-এ বাংলা শিখছেন। প্রতি বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ক্রিটিকাল ল্যাঙ্গুয়েজ স্কলারশিপ নিয়ে দেশটির শিক্ষার্থীরা আসেন বাংলাদেশে।"  

18.বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে
দেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি (যেমন - রামপাল)
বা
দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব বিবেচনা না করে তড়িঘড়ি করে বড় চুক্তিতে যাওয়া (যেমন - নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন)
- না করে এখনই কিছু ব্যবস্থা নিতে হবে।

আমাদের existing power plantsগুলোর efficiency বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ শুরু করতে হবে।
"বিদ্যুৎ চুরি"-র বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে।  
"সিস্টেম লস" - কমানোর লক্ষ্যে ব্যবস্থা নিতে হবে।
বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
নির্মাণাধীন প্ল্যান্টগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে।
গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর যন্ত্রপাতির সংস্কার করে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা ৫০% এর বেশি বাড়ানো সম্ভব। এজন্য এক হিসেব মতে খরচ হবে আনুমানিক ৫০০০ কোটি টাকা - যা বিশ্বব্যাংক এবং এডিবি (ADB) দিতে প্রস্তুত।

টেকনিক্যাল কাজগুলোতে বিদেশী Expertise এর উপর নির্ভরতা আমাদের কমাতে হবে।
প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষম দেশী ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশান আমি গড়ে তুলবো।

কিছুদিন পর দেশে রিকশার চাকার ঘূর্ণনে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। বন্যার পানি রূপান্তরিত হবে বিদ্যুতে। Renewable Energy Sector এ বাংলাদেশ হবে বিশ্বের মডেল।


19.সবার মতামতের ভিত্তিতে পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে প্রণীত গ্রেডিং পদ্ধতির ত্রুটিগুলো দূর করে গ্রেডিং পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হবে।

বর্তমান পদ্ধতিতে হাজার শিক্ষার্থী কিংবা লক্ষ শিক্ষার্থী একই গ্রেইড পায়। ফলাফল দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের মেধা যাচাইয়ের উপায় নেই।
আগে মেধা তালিকায় স্থান করে নেওয়ার জন্য ছাত্র ছাত্রীরা পড়াশোনা করত। এখন সেই অনুপ্রেরণা নেই।
বিজ্ঞান এবং গণিতের বিষয়গুলোতে শুধু ৮০ নাম্বার পাওয়ার লক্ষ্য মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের মেধা বিকাশের অন্তরায়।
প্রাপ্ত নাম্বার প্রকাশ করা হয় না অথচ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সবার অজান্তে ব্যবহার করা হয় - এখানে অস্বচ্ছতা রয়েছে।

20.বাংলাদেশের অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়নরত আছেন।
আমরা চাই পড়াশোনা শেষ করে তারা দেশে ফিরে আসবেন এবং স্বপ্নের আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করবেন।
আমরা দেশে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তুলবো। এই কর্মযজ্ঞে দেশের মেধাবী মানুষরাই নেতৃত্ব দেবেন।
দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার - কর্মী, পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ, উন্নত অবকাঠামো গড়ে তুলে বিশ্বের সেরা ব্র্যান্ডগুলোকে আমরা বাংলাদেশে নিয়ে আসবো।

প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়নরত বাংলাদেশী ছাত্রছাত্রীদের
"নাগরিক ছাত্র শক্তি"তে যোগ দেয়ার এবং এর মাধ্যমে দেশের সাথে একটা যোগসূত্র তৈরির আহ্বান জানাবো।
 
নাগরিক শক্তি শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দল নয়, জনকল্যাণ এবং দেশ গঠনের প্ল্যাটফর্মও বটে।


21.বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিং করবে ইউজিসি

ইউজিসির এই যুগোপযোগী সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই।

রাঙ্কিং প্রথায় objective measures, যেগুলো নিয়ে বিতর্কের সুযোগ নেই - ব্যবহার করার প্রস্তাব রাখছি। যেমন - ছাত্রছাত্রীদের পাশ করার নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে
চাকরি প্রাপ্তির হার, শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সাফল্য, ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত, নিজস্ব ক্যাম্পাসের অবস্থা,
শিক্ষকদের গবেষণাপত্র প্রকাশের সংখ্যা, গবেষণাপত্রের ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর ইত্যাদি।

এ ধরণের objective measures ব্যবহৃত হলে স্বচ্ছতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়, ছাত্র শিক্ষক অভিভাবক সবার কাছে গ্রহণযোগ্যতা থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রাঙ্কিং এ নিজেদের
অবস্থান উন্নয়নে আন্তরিকতা দেখাবে।  

আমরা মনে করি, মানসম্পন্ন রাঙ্কিং প্রথা প্রবর্তিত হলে দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মেধাবী ছাত্র ভর্তির লক্ষ্যে নিজেদের মান উন্নয়নে সচেষ্ট হবে।

নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে দেশের সরকারি, বেসরকারি সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য রাঙ্কিং প্রথা প্রবর্তন করবে। পাশাপাশি বিষয়ভিত্তিক রাঙ্কিং প্রথা প্রচলন করবে।

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর গর্বিত ছাত্র বলবে, জানো, আমাদের ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট দেশের সবগুলো ইউনিভার্সিটির মাঝে রাঙ্কিং এ সেরা!
যাকে বলা হবে সে সাথে সাথে উত্তর দেবে, আমাদের ইউনিভার্সিটির আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্ট রাঙ্কিং এ সারা দেশে শীর্ষে!

22.নাগরিক শক্তি সরকার গঠন করে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করবে।
স্থানীয় সরকারগুলোকে শক্তিশালী করা হবে।
স্থানীয় সরকারে বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো হবে।
স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিরা তাদের ক্ষমতা এবং বরাদ্দকৃত বাজেট দিয়ে স্থানীয় সমস্যার সমাধান করবেন, স্থানীয় উন্নয়ন নিশ্চিত করবেন।

23.উচ্চশিক্ষা

১.প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকদের জন্য নিজস্ব Ranking প্রথা প্রবর্তনের প্রস্তাব করছি। এতে শিক্ষকরা নিজেদের মান উন্নয়নে সদা সচেষ্ট থাকবেন।
আবার মানসম্পন্ন শিক্ষকদের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মেধাবী শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করতে সমর্থ হবেন।

  • ছাত্রছাত্রীদের দেওয়া Points এর ভিত্তিতে; গবেষণাপত্র প্রকাশ ও একটা মানদণ্ড (Research Culture গড়ে তোলা)
  • ৩ মাস পরপর Ranking প্রকাশ - শিক্ষকদের নিজেদের অবস্থান উন্নত করার সুযোগ প্রদান;
  • শিক্ষকরা Online Resources যেমন Coursera, EdX, Udacity ইত্যাদি ব্যবহার করে নিজেদের সমৃদ্ধ করবেন।

২.বিশ্ববিদ্যালয় - ইন্ডাস্ট্রি Collaboration; বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং, বিজ্ঞান, ব্যবসা ইত্যাদি অনুষদের শিক্ষার্থী - শিক্ষক ইন্ডাস্ট্রির কাছে নতুন প্রকল্প প্রস্তাব করবেন - ইন্ডাস্ট্রি প্রকল্পটিকে নতুন প্রোডাক্ট হিসেবে বাজারে আনা যায় কিনা বিবেচনা করে দেখবে। কোন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর প্রজেক্ট হবে অপর একটি ইন্ডাস্ট্রির প্রোডাক্ট।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্সগুলোর পাঠ্যসূচি নির্ধারণে ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা বিবেচনায় নিতে হবে। ইন্ডাস্ট্রিতে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাক্টিকাল কোর্সগুলো পরিচালনার সুযোগ দেওয়া যায়।

৩.শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নতুন Competition, Contest প্রচলন; শিক্ষার্থীরা এসব প্রতিযোগিতার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে নিজেদের মানোন্নয়ন ঘটাবেন।
দেশের ইন্ডাস্ট্রিগুলো যেসব সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে ব্যর্থ হচ্ছে, সেসব সমস্যা শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিযোগিতা হিসেবে উপস্থাপন করার সংস্কৃতি চালু করতে হবে।  

৪.বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রত্যেক Course এ শিক্ষার্থীদের অন্তত একটা মানসম্পন্ন Project সম্পন্ন করতে হবে। প্রয়োজনে Project অন্য একজন শিক্ষক তদারক করবেন। শিক্ষার্থী নিজে Project করেছেন কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে।

৫.প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগকৃত শিক্ষক - উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মান ইউজিসি কর্তৃক তদারকির প্রস্তাব করছি।

(রেফরেন্স: নাগরিক শক্তির শিক্ষা উন্নয়ন পরিকল্পনার রূপরেখা)


24.প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি এজুকেশান (১ম শ্রেণী থেকে ৮ম শ্রেণী) এ পরিবর্তন আনা হবে। 

৩টি বিষয়ের উপর জোর দেওয়া হবে
১. গাণিতিক দক্ষতা
২. ইংরেজি দক্ষতা
৩. কম্পিউটার দক্ষতা
       সার্চ করে, ওয়েব ব্যবহার করে যে কোন তথ্য খুঁজে বের করা;
       কম্পিউটারে হিসেবনিকেশ / কম্পিউট করতে শেখা; 
       ScratchAlice ধরণের শিশুতোষ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রোগ্রামিং এ হাতেখড়ি; 

আমরা জানি, দেশে গণিত, ইংরেজি এবং কম্পিউটারে দক্ষ শিক্ষকের অভাব রয়েছে, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে।
এই তিনটি দক্ষতা গড়ে তুলতে দেশের সব স্কুলে ইন্টারনেট সংযোগসহ কম্পিউটার এবং প্রজেক্টার সরবরাহ করা হবে। স্ক্রিনে শিক্ষার্থীদের lessons পরিবেশিত হবে। শিক্ষার্থীরা কম্পিউটারে পাঠ নেবে। 

প্রজেক্টার সাশ্রয়ী করতে প্রয়োজনে আমিই দেশে প্রজেক্টার উৎপাদন করবো।

25.গার্মেন্টস শিল্পে কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি (যেমন অগ্নি নির্বাপক ইত্যাদি) সাশ্রয়ে উৎপাদন করবো।
গার্মেন্টস শিল্পে অটোমেশানের মাধ্যমে তুলনামূলকভাবে কম খরচ করে প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানো যায় কিনা - দেখবো।
গার্মেন্টস শিল্পে কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশের সকল গার্মেন্টসের মালিকদের সেইফটি কোড মেনে চলার আহ্বান জানাই। গার্মেন্টস মালিকদের উদ্যোগ
বিদেশী অর্ডারের পরিমাণ এবং এক্সপোর্ট অনেকখানি বাড়িয়ে দিবে।

26.a.উন্নত অবকাঠামো নির্মাণ (যেমন
চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন,
গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ,
পদ্মা সেতু নির্মাণ,
মহাসড়কগুলোর প্রশস্থতা বাড়ানো),
[সবার জন্য:
ধরা যাক, সরকার ঢাকা - চট্টগ্রাম মহাসড়কের প্রশস্ততা বাড়ালো।
এতে যানজট কমবে।
যানজট কমলে পণ্য পরিবহনে পেট্রোল / ডিজেল খরচ কমবে।
পণ্য পরিবহণে খরচ কমলে পণ্যের দাম কমবে।
আবার, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হলে, সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ হলেও পণ্যের খরচ কমবে।
পাশাপাশি, ব্যবসায়ীদের আস্থা বাড়বে। লাভ নিয়ে অনিশ্চয়তা কমবে।
পণ্যের দাম কমলে দেশের মানুষের স্বস্তি ফিরবে।
আবার ব্যবসার পরিবেশ উন্নততর হলে দেশের অর্থনীতি, উৎপাদনশীলতা, জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়বে।
বিদেশী বিনিয়োগকারীরা, যারা সর্বোচ্চ লাভ চান, বিনিয়োগের সিধান্ত নিতে একটা দেশের পণ্য পরিবহণ ব্যবস্থা, মহাসড়কগুলোর অবস্থা বিবেচনায় নেন।
নিজের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কল্পনা করুন। আপনি যুক্তরাষ্ট্রের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের CEO। আপনি মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবেন। বিনিয়োগ বাংলাদেশে করবেন নাকি মায়ানমারে করবেন - তা নির্ধারণ করতে নিশ্চয়
দুই দেশের পণ্য পরিবহণ সুবিধা, মহাসড়কগুলোর অবস্থা বিবেচনায় নেবেন।

আমি যা দেখাতে চেয়েছি তা হল - সরকার উন্নত অবকাঠামো নির্মাণ করলে - তা একটা দেশের অর্থনীতিতে কিভাবে প্রভাব রাখে।

আবার, কেউ অফিসে কাজ করেন। মহাসড়কগুলোর প্রশস্ততা বাড়িয়ে যানজট কমাতে পারলে অফিসে কম সময়ে পৌঁছা যাবে।
মানুষের জীবন থেকে যে সময় যানজটের কারণে হারিয়ে যেত, সে সময় ফিরে আসবে। কেউ হয়ত আগে বই পড়ার সময় পেতেন না। যানজট কমার কারণে বই পড়তে পারবেন।]

b.প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ
(নতুন নতুন renewable source (রিকশা, নদী স্রোত) থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন,
বঙ্গোপসাগরে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান, দেশের বিভিন্ন স্থানে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশীয় কোম্পানির মাধ্যমে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান (আমি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবো),
দেশের জন্য সবচেয়ে উপযোগী এবং দেশের স্বার্থের সাথে কোনরকম সংঘাত নেই [রামপাল কিংবা নিউক্লিয়ার বনাম - বাংলাদেশের স্বার্থ] বিদ্যুৎ উৎপাদন উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন,
বৈদ্যুতিক গ্রিডগুলোর efficiency বাড়ানো, অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা ইত্যাদি),

c.প্রয়োজনীয় কর্মশক্তি গড়ে তোলা,

d.কূটনৈতিক উদ্যোগ,

e.ব্যবসা উপযোগী পরিবেশ,

f.ব্যবসার ক্ষেত্রে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করা

- নিশ্চিত করে দেশে বিদেশী বিনিয়োগ বাড়ানো হবে।

আমি পৃথিবীর সেরা ব্র্যান্ডগুলোকে বাংলাদেশে নিয়ে আসবো।


27.গত ১৯ জুলাই ছিল শ্রদ্ধেয় লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী।

কিছুদিন আগে ভাবছিলাম - নাগরিক শক্তি যেদিন আত্নপ্রকাশ করবে সেদিন দুজন মানুষের জন্য কষ্ট হবে - প্রয়াত বিচারপতি হাবিবুর রহমান আর লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদ। বেঁচে থাকলে এই দুজন নিশ্চয় সেদিন অসম্ভব খুশি হতেন।
প্রয়াত বিচারপতি হাবিবুর রহমান আর লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদ এর জন্য শ্রদ্ধা এবং ভালবাসা।


প্রয়াত লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদের অনবদ্য সৃষ্টিগুলোর মাঝে অন্যতম
অসাধারণ তীক্ষ্ণ Abnormal Psychologist মিসির আলি (ড. হুমায়ূন আহমেদ একটি বই - সম্ভবত "আমিই মিসির আলী" - তে উল্লেখ করেছিলেন প্রথম আলোর সম্পাদক শ্রদ্ধেয় মতিউর রহমানকে তাঁর মিসির আলী মনে হয়),
অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন হিমু এবং
পৃথিবীর শুদ্ধতম মানুষ শুভ্র।

লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদের অসংখ্য প্রিয় বই এর মাঝে দুটি:
হিমু এবং হার্ভার্ড PhD বল্টু ভাই
হলুদ হিমু কালো রাব

প্রয়াত লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদ ২০১২ সালে ক্যান্সার চিকিৎসার মাঝে যখন দেশে এসেছিলেন, আমাকে দেখতে চিটাগং এ এসেছিলেন। নিজের অসুস্থতার মাঝেও আমাকে দেখে গিয়েছিলেন।
সৃষ্টিকর্তা কেন উনাকে আর কিছুদিন বাঁচিয়ে রাখলেন না? আমাকে কেন উনাকে দেখতে যাওয়ার সুযোগ দিলেন না?

28.নিয়ন্ত্রণমূলক সম্প্রচার নীতিমালা: সুমিত গালহোত্রা
"সরকারের বিরুদ্ধে যায় এমন কিছু সম্প্রচার করা যাবে না, বিজ্ঞাপনও না।"

দেশে একটি প্রহসনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সরকার ক্ষমতা দখল করে রেখেছে।
এর উপর যদি গণমাধ্যমের বাকরোধ করা হয় - তাহলে দেশে গনতন্ত্র আর জবাবদিহিতা বলে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।

আমরা সরকারকে "জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা" প্রত্যাহার করে নেওয়ার আহ্বান জানাই।


29.তথ্যপ্রযুক্তিতে বিশ্বজয়

প্রতিবন্ধীদের জন্য ইলেকট্রনিক পাঠ্যবই (prothom-alo.com)  
অ্যালুমিনিয়ামের পাল্লায় থ্রিজি (prothom-alo.com)

30.কম্পিউটিং এর নতুন যুগ: Physical Digital Computing

সিলিকন ভ্যালীতে এখন একটা কথা প্রচলিত হচ্ছে আর তা হল "Hardware is the new Software."
আশেপাশের সব যন্ত্রপাতিতে মাইক্রোপ্রসেসর, ওয়াইফাই সংযোগ এবং সেন্সর যুক্ত হয়ে সূচীত হতে যাচ্ছে কম্পিউটিং এর ইতিহাসে নতুন একটা যুগ - Physical Digital Computing.

কম্পিউটার এখন শুধু স্ক্রিনযুক্ত ডিভাইসের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং সব ধরণের যন্ত্রপাতির অংশ হয়ে এতদিনকার একঘেয়ে  যন্ত্রগুলোকে বুদ্ধিমান এবং Responsive করে তুলবে।  

Open Source Software যেমন সফটওয়্যার তৈরিকে সহজ করে দিয়েছে - একইভাবে Open Hardware Platforms (যেমন - Arduino, Raspberry Pi, Open 3D Printing Platforms),
মাইক্রোপ্রসেসর, ওয়াইফাই সংযোগ এবং সেন্সর প্রযুক্তির ক্রমহ্রাসমান খরচ Physical Digital Computing এর আগমনকে অবশ্যম্ভাবী করে তুলেছে।

আমাদের ছেলেরা Software Development এর পাশপাশি আশেপাশের সব যন্ত্রপাতিতে Computing Technology embed করে যন্ত্রপাতিগুলোকে আরও বুদ্ধিমান, Adaptable, Internet-enabled করে তুলবেন।
কম্পিউটিং এর নতুন যুগ Physical Digital Computing এ নেতৃত্বস্থানীয়ে থাকবে বাংলাদেশ।    

31.অন্যায় অপরাধমুক্ত বগুড়া জেলা গড়ে তোলায় অগ্রগতি

বগুড়ায় বিশেষ অবদানের জন্য ১৬ পুলিশ পুরস্কৃত

"বগুড়ার পুলিশ সুপার মোঃ মোজাম্মেল হক পিপিএম এ পুরষ্কার তুলে দেন।
প্রতিটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের জন্য ২০ হাজার টাকা এবং মাদক উদ্ধারের জন্য ১০ হাজার টাকা ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়।"
- বগুড়ার পুলিশ সুপার মোঃ মোজাম্মেল হক পিপিএম এর এই উদ্যোগ বাংলাদেশকে মাদকমুক্ত ও অবৈধ অস্ত্রমুক্ত করতে ভূমিকা রাখবে।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন!

32.বিমানবন্দরগুলোতে স্বর্ণ চোরাচালান রোধে অগ্রগতি

শাহজালাল এবং চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দর দীর্ঘদিন স্বর্ণ চোরাচালানের রুট হিসবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। গত কয়েক মাসের কঠোর অবস্থানে স্বর্ণ চোরাচালান রোধে অনেকখানি অগ্রগতি হয়েছে।

শাহজালালে এবার ৭০ লাখ টাকার সোনা উদ্ধার (kalerkantho.com)

33.যে যেখানে জীবনের যে পর্যায়ে থাকুন না কেন - প্রত্যেকটা মানুষের মাঝে লুকিয়ে আছে অনন্য ক্ষমতা।
প্রত্যেকের মাঝে সুপ্ত ক্ষমতা বিকাশের উপায় আমি দেখিয়ে দেবো।
ছেলেবেলার স্বপ্নগুলো বাস্তবতার যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে হারিয়ে গেছে?
আমি খুঁজে দেবো!

২০১৩ সালের জানুয়ারির দিকে নিজেকে প্রশ্ন করেছিলাম, আমি যদি রাজনীতিতে আসি তাহলে সবচেয়ে বড় কি Contribute করতে পারবো যা অন্য কেউ করতে পারবে না?
উত্তরটা ছিল, প্রত্যেকটা মানুষের যে বিশাল শক্তি সুপ্ত হয়ে আছে - তা বিকাশের পথ করে দিতে পারবো। আর ১৬ কোটি মানুষ মানে বিশাল ব্যাপার - ১৬ কোটি অনন্য শক্তি! সেই শক্তির সামনে কোন কিছুই বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না! কাজেই ১৬ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। একটা শক্তিকেও হারাতে দেওয়া যাবে না। 

Wednesday, August 6, 2014

নাগরিক শক্তি: সংগঠন

নাগরিক শক্তি: সংগঠন

এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল (Executive Council)
সেক্রেটারিয়েট (Secretariat)
ন্যাশনাল কাউন্সিল (National Council)
অ্যাডভাইসারি কাউন্সিল (Advisory Council)


এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল (Executive Council)

ভাইস প্রেসিডেন্ট (Vice President)
১. জেনারেল হাসান মশহুদ চৌধুরী: সাবেক সেনাপ্রধান; তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা; দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান
২. ড. কামাল হোসেন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রণেতা; সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী   
৩. প্রফেসর এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী: বাংলাদেশের ১৩তম রাষ্ট্রপতি; সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী; প্রফেসর অফ মেডিসিন 
৪. ড. আকবর আলি খান: অর্থনীতিবিদ; তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা
৫. ব্যারিস্টার রফিক -উল -হক: জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট; সমাজসেবক 
৬. প্রফেসর ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা; উপাচার্য, ইউনিভার্সিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিক; সভাপতি, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি
৭. আল্লামা আহমেদ শফি: হেফাজতে ইসলামের আমীর

"নাগরিক শক্তি"র আনুষ্ঠানিক আত্নপ্রকাশ ঘোষণার পর উল্লেখিত ব্যক্তিরা দলের ভাইস প্রেসিডেন্টের সম্মান গ্রহণ করবেন।

[জেনারেল সেক্রেটারি এবং কো-জেনারেল সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্বরত ব্যক্তিরা এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।]


সেক্রেটারিয়েট (Secretariat) 

জেনারেল সেক্রেটারি (General Secretary)
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) এম সাখাওয়াত হোসেন: সাবেক নির্বাচন কমিশনার

কো-জেনারেল সেক্রেটারি (Co-general Secretary)
১. ড. হোসেন জিল্লুর রহমান: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা
২. প্রফেসর ড. আবুল বারকাত: মুক্তিযোদ্ধা; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান; জনতা ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান; বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি।

জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি (Joint General Secretary)
১. জনাব আতিকুল ইসলাম: সভাপতি, বিজিএমইএ (BGMEA) (সিনিয়ার)
২. জনাব মাহমুদুর রহমান মান্না: আহ্বায়ক, নাগরিক ঐক্য; প্রবীণ রাজনীতিবিদ (সিনিয়ার)
৩. জনাব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর: মিডিয়া ও উন্নয়নকর্মী
৪. জনাব তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ: সাবেক সাংসদ ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
৫. জনাব মাহী বি. চৌধুরী: সাবেক সাংসদ
৬. ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ: সাবেক সাংসদ
৭. প্রফেসর ড. আসিফ নজরুল: অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৮. প্রফেসর আনু মুহাম্মদ: অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
৯. হাফেজ মুহাম্মদ জুনায়েদ বাবুনগরী: হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব
১০. জনাব জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় (সন্তু) লারমা: পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সভাপতি
১১. জনাব মোস্তফা মহসীন মন্টু: প্রবীণ রাজনীতিবিদ
১২. জনাব আবদুল মালেক রতন: প্রবীণ রাজনীতিবিদ
১৩. জনাব হাবিবুর রহমান তালুকদার বীরপ্রতীক: প্রবীণ রাজনীতিবিদ

সেক্রেটারি (Secretary)
১. ডাঃ ইমরান এইচ. সরকার: মুখপাত্র, গণজাগরণ মঞ্চ; সংগঠক

"নাগরিক শক্তি"র আনুষ্ঠানিক আত্নপ্রকাশ ঘোষণার পর উল্লেখিত ব্যক্তিরা দলের জেনারেল সেক্রেটারি, কো-জেনারেল সেক্রেটারি, জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি এবং সেক্রেটারি হিসেবে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করবেন।

[সেক্রেটারিয়েটের সদস্যরা সারা দেশে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।]


ন্যাশনাল কাউন্সিল (National Council)

মেম্বারস (Members)
১. ড. এটিএম শামসূল হুদা: সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার; সাবেক সচিব (সিনিয়ার)  
২. ড. সা'দত হুসাইন: সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব; পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) র সাবেক চেয়ারম্যান (সিনিয়ার)
৩. বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী: বীর উত্তম; প্রবীণ রাজনীতিবিদ (সিনিয়ার)
৪. জনাব আ স ম আব্দুর রব: প্রাক্তন মন্ত্রী; প্রবীণ রাজনীতিবিদ; মুক্তিযোদ্ধা (সিনিয়ার)
৫. ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ: বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির প্রাক্তন সভাপতি (সিনিয়ার)
৬. জনাব কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ: সভাপতি, এফবিসিসিআই (FBCCI); ফাউন্ডার চেয়ারম্যান: স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড (সিনিয়ার)
৭. প্রফেসর ড. মুহম্মদ ইব্রাহীম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়য়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক; "বিজ্ঞান সাময়িকী"র প্রতিষ্ঠাতা; এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টার, Center for Mass Education in Science (CMES) (সিনিয়ার)  
৮. প্রফেসর ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল: লেখক; বিভাগীয় প্রধান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি (সিনিয়ার)
৯. ড. ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী: প্রবীণ রাজনীতিবিদ (সিনিয়ার)
১০. জনাব নূরে আলম সিদ্দিকী: প্রবীণ রাজনীতিবিদ; মুক্তিযুদ্ধের সময়কার স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদের অবিসংবাদিত নেতা (সিনিয়ার)
১১. জনাব মেজর (অব:) আবদুল মান্নান: সাবেক মন্ত্রী; চেয়ারম্যান, বাংলালায়ন কমিউনিকেশান্স লিমিটেড (সিনিয়ার)
১২. অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ: সাবেক মন্ত্রী; প্রবীণ রাজনীতিবিদ (সিনিয়ার)
১৩. জনাব পঙ্কজ ভট্টাচার্য: প্রবীণ রাজনীতিবিদ (সিনিয়ার)
১৪. জনাব খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদঃ ব্যাংকার; সাবেক ডেপুটি গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক (সিনিয়ার)
১৫. জনাব রফিউর রাব্বি: সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব; সংগঠক; সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক
১৬. প্রফেসর ড. শাহদীন মালিক: আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট এবং অধ্যাপক, স্কুল অফ ল, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি
১৭. জনাব সৈয়দ আবুল মকসুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক
১৮. প্রফেসর ড. সিদ্দিক-ই-রাব্বানী: ফাউন্ডিং চেয়ারপার্সন, ডিপার্টমেন্ট অফ বায়োমেডিকাল ফিজিক্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলাদেশ একাডেমী অফ সায়েন্স কর্তৃক গোল্ড মেডেল প্রাপ্ত বিজ্ঞানী
১৯. প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ: অধ্যাপক, বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; ফেলো, বাংলাদেশ একাডেমী অফ সায়েন্সেস; বাংলাদেশে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা এবং গণিত অলিম্পিয়াড সূচনার পথিকৃৎ
২০. প্রফেসর মামুনুর রশিদ: ভাইস প্রেসিডেন্ট, BD Ventures Limited; প্রাক্তন ডিরেক্টার, BRAC Business School; প্রাক্তন সিইও, সিটি ব্যাংক লিমিটেড    
২১. জনাব মোঃ সবুর খান: চেয়ারম্যান, ড্যাফোডিল গ্রুপ; সাবেক চেয়ারম্যান, DCCI; সাবেক চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি  
২২. জনাব হানিফ সংকেত: টিভি, মিডিয়া ও সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব
২৩. ড. তুহিন মালিক: আইনজীবী,  সুপ্রিম কোর্ট
২৪. জনাব এস এম আকরাম: সাবেক সাংসদ
২৫. প্রফেসর ড. এম এম আকাশ: প্রফেসর, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়


"নাগরিক শক্তি"র আনুষ্ঠানিক আত্নপ্রকাশ ঘোষণার পর উল্লেখিত ব্যক্তিরা ন্যাশনাল কাউন্সিলে মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

[ন্যাশনাল কাউন্সিলের মেম্বার এবং এসোসিয়েটদের ভোটে একজন স্পীকার (Speaker) এবং একজন ডেপুটি স্পীকার (Deputy Speaker) নির্বাচিত হবেন।
Speaker এবং Deputy Speaker ন্যাশনাল কাউন্সিলের মিটিংগুলো পরিচালনা করবেন।]

[প্রেসিডেন্ট, এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট এর সমন্বয় সরকারের Executive Division এর সাথে তুলনীয় হলে
ন্যাশনাল কাউন্সিল (National Council) সরকারের Legislative Division (আইনসভা) এর সাথে তুলনীয়।]

[ন্যাশনাল কাউন্সিলের মেম্বার এবং এসোসিয়েটরা নিজ নিজ আগ্রহ, দক্ষতা অনুসারে কাজের ফোকাস বেছে নেবেন
এবং সম্পর্কিত দলের ফোরামের সাথে নিজেকে যুক্ত করবেন অথবা নিজেই একটি ফোরাম গঠন করবেন।]


অ্যাডভাইসারি কাউন্সিল (Advisory Council)

অ্যাডভাইসারস (Advisors)
১. Professor ড. মোঃ আতাউল করিম: Provost and Executive Vice Chancellor, University Of Massachusetts Dartmouth; Fellow, the Optical Society of America; Applied Optics এ গত ৫০ বছরে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখা বিশ্বের ৫০ জন গবেষকের একজন; বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত ১৯টি টেক্সটবইয়ের লেখক; গত ১৬ বছর ধরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ICCITর Conference Chair     
২. Professor ইকবাল কাদির: Professor of the Practice of Development and Entrepreneurship, MIT; Founder and Director, Legatum Center at MIT; প্রতিষ্ঠাতা, গ্রামীণফোন; Wharton School কর্তৃক ২০০৬ সালে প্রকাশিত ১২৫ জন Influential People and Ideas এর একজন
৩. প্রফেসর ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়য়ের এমিরেটাস প্রফেসর
৪. জনাব সৈয়দ মনজুর এলাহী: ব্যবসায়ী নেতা ও এপেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান; তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা
৫. অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সাইয়িদ: চেয়ারম্যান, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র; লেখক; টিভি ব্যক্তিত্ব; রামন মাগগসে পুরস্কার, একুশে পদক এবং বাংলা একাডেমী পুরস্কার প্রাপ্ত
৬. ব্যারিস্টার সারা হোসেন: আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী

[বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় এবং খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বাংলাদেশীরা Advisory Council এ অ্যাডভাইসার হিসেবে যুক্ত হয়ে দেশের উন্নতির লক্ষ্যে দিক নির্দেশনা প্রণয়ন করবেন।]

"নাগরিক শক্তি"র আনুষ্ঠানিক আত্নপ্রকাশ ঘোষণার পর উল্লেখিত ব্যক্তিরা অ্যাডভাইসারি কাউন্সিলে অ্যাডভাইসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।


পার্টি উইঙ্গস - দলীয় অঙ্গ সংগঠন 

[প্রত্যেক অঙ্গ সংগঠন এবং ফোরামকে নিজ নিজ গঠনপ্রণালী, কার্যবিধি, কর্মপরিধি নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হবে। এতে অঙ্গ সংগঠন এবং ফোরামের সদস্যরা empowered অনুভব করবেন এবং লিডারশীপ স্কিলস ডেভেলাপ করার সুযোগ পাবেন।
প্রত্যেক অঙ্গ সংগঠন এবং ফোরামের সদস্যরা নিজেরা একটি কমিটি গঠন করে নিজ নিজ গঠনপ্রণালী, কার্যবিধি, কর্মপরিধি নির্ধারণ করবেন।
তবে অঙ্গ সংগঠন এবং ফোরামগুলোকে নাগরিক শক্তির মূলনীতিগুলো (গণতান্ত্রিক আচরণ, জবাবদিহিতা, জাতি ধর্ম বর্ণ নারী পুরুষ নির্বিশেষে সবার স্বার্থ সংরক্ষণ ইত্যাদি) মেনে চলতে হবে এবং
সেক্রেটারিয়েট, ন্যাশনাল কাউন্সিল ও অ্যাডভাইসারি কাউন্সিলের কাছে নিয়মিত রিপোর্ট করতে হবে।
কোন একদিন অঙ্গ সংগঠনগুলোর একজন সদস্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং অপর একজন সদস্য বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মনোনীত হবেন।]


নাগরিক তরুণ শক্তি 
আহ্বায়ক
১. জনাব মাহী বি. চৌধুরী: সাবেক সাংসদ
২. জনাব তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ: সাবেক সাংসদ ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
৩. ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ: সাবেক সাংসদ
৪. ড. রাগিব হাসান: Assistant Professor, Department of Computer and Information Sciences, University of Alabama at Birmingham; প্রতিষ্ঠাতা, শিক্ষক.কম
৫. ড. মাহবুব মজুমদার: সহযোগী অধ্যাপক, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়;  বাংলাদেশ গণিত দলের কোচ
৬. জনাব তামিম শাহরিয়ার সুবিন: ম্যানেজিং ডিরেক্টার, মুক্তসফট (Muktosoft) লিমিটেড; সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার  
৭. ড. ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী: বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (BUET) শিক্ষক; বিজ্ঞান লেখক
৮. জনাব মাহমুদুজ্জামান বাবু: গায়ক ও সংস্কৃতিকর্মী
৯. জনাব মুসা ইব্রাহীম: এভারেস্ট জয়ী প্রথম বাংলাদেশী
১০. জনাব শাহরিয়ার রউফ নাফি: সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, Google; বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়য়ের (BUET) প্রাক্তন শিক্ষক; আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড ২০০৫ এ অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ গণিত দলের সদস্য
১১. জনাব মোঃ মাহবুবুল হাসান (শান্ত): বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়য়ের (BUET) প্রাক্তন শিক্ষক; আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড ২০০৫ এ অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ গণিত দলের সদস্য
১২. জনাব তাহমিদ-উল-ইসলাম রাফি: সিইও, দ্বিমিক কম্পিউটিং স্কুল; সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার; আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড ২০০৫ এ অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ গণিত দলের সদস্য
১৩. জনাব মোঃ কায়সার আলী: সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, Samsung R&D Center, Bangladesh

[নাগরিক শক্তির অঙ্গ সংগঠনগুলোর মাঝে "নাগরিক তরুণ শক্তি"র উপর সবচেয়ে বেশি ফোকাস থাকবে।
বাংলাদেশের ৯০ ভাগের উপর তরুণ নাগরিক শক্তির সাথে থাকবেন। এই তরুণদের সংগঠিত করা, দিক নির্দেশনা দেওয়ার দায়িত্ব "নাগরিক তরুণ শক্তি"কেই নিতে হবে।]


নাগরিক ছাত্র শক্তি 
আহ্বায়ক
১. লাকী আক্তার: কর্মী, গণজাগরণ মঞ্চ; বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক
২. নুহাশ হুমায়ূন: ছাত্র, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়
৩. তারিক আদনান মুন: যুক্তরাষ্ট্রের Harvard University তে অধ্যয়নরত বাংলাদেশী ছাত্র (গণিত ও কম্পিউটার বিজ্ঞান মেজর); আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের পক্ষে ব্রোঞ্জ পদক জয়ী  
৪. হক মুহম্মদ ইশফাক: যুক্তরাষ্ট্রের Stanford University তে অধ্যয়নরত বাংলাদেশী ছাত্র (গণিত ও বায়োলজি মেজর); আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড ২০০৮, ২০০৯ ও ২০১০ এ অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ গণিত দলের সদস্য
[দেশের প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয় - কলেজ - মাদ্রাসায় সবার পছন্দের কয়েকজন আদর্শ ছাত্রছাত্রীকে আহ্বায়ক হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হবে।
পাশাপাশি, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়নরত বাংলাদেশী ছাত্রছাত্রীদের আহ্বায়ক হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হবে। নাগরিক শক্তি বিভিন্ন দেশে অধ্যয়নরত বাংলাদেশী ছাত্রছাত্রীদের সাথে দেশের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে।]


নাগরিক গণজাগরণ মঞ্চ 
আহ্বায়ক
১. ডাঃ ইমরান এইচ. সরকার: মুখপাত্র, গণজাগরণ মঞ্চ
২. লাকী আক্তার: কর্মী, গণজাগরণ মঞ্চ; বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক
৩. জনাব বাপ্পাদিত্ত বসু: কর্মী, গণজাগরণ মঞ্চ; বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি


নাগরিক মুক্তিযোদ্ধা শক্তি 
আহ্বায়ক
১. বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী: বীর উত্তম; প্রবীণ রাজনীতিবিদ
২. জনাব আ স ম আব্দুর রব: প্রাক্তন মন্ত্রী; প্রবীণ রাজনীতিবিদ; মুক্তিযোদ্ধা


নাগরিক উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারী শক্তি
আহ্বায়ক
১. জনাব এটিএম জাকারিয়া স্বপন: ফাউন্ডার ও সিইও: Priyo.com; টেক এন্ট্রেপ্রেনার; যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ইঞ্জিনিয়ার


নাগরিক আদিবাসী শক্তি
আহ্বায়ক
১. জনাব জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় (সন্তু) লারমা: পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সভাপতি
২. জনাব পঙ্কজ ভট্টাচার্য: প্রবীণ রাজনীতিবিদ (সিনিয়ার)
৩. জনাব সঞ্জীব দ্রং: বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক


নাগরিক সাংবাদিক শক্তি
আহ্বায়ক
১. জনাব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর: মিডিয়া ও উন্নয়নকর্মী
২. জনাব সৈয়দ আবুল মকসুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক


নাগরিক শিল্প ব্যবসায়ী শক্তি
আহ্বায়ক
১. জনাব সৈয়দ মনজুর এলাহী: ব্যবসায়ী নেতা ও এপেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান; তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা
২. জনাব কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ: সভাপতি, FBCCI; ফাউন্ডার চেয়ারম্যান: স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড
৩. জনাব মেজর (অব:) আবদুল মান্নান: সাবেক মন্ত্রী; চেয়ারম্যান, বাংলালায়ন কমিউনিকেশান্স লিমিটেড (সিনিয়ার)
৪. জনাব আতিকুল ইসলাম: সভাপতি, BGMEA
৫. জনাব মোঃ সবুর খান: চেয়ারম্যান, ড্যাফোডিল গ্রুপ; সাবেক চেয়ারম্যান, DCCI; সাবেক চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি  
৬. প্রফেসর মামুনুর রশিদ: ভাইস প্রেসিডেন্ট, BD Ventures Limited; প্রাক্তন ডিরেক্টার, BRAC Business School; প্রাক্তন সিইও, সিটি ব্যাংক লিমিটেড


নাগরিক আইনজীবী শক্তি
আহ্বায়ক
১. ড. কামাল হোসেন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রণেতা; সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী
২. ব্যারিস্টার রফিক -উল -হক: জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট; সমাজসেবক
৩. ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ: বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির প্রাক্তন সভাপতি
৪. প্রফেসর ড. শাহদীন মালিক: আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট এবং অধ্যাপক, স্কুল অফ ল, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি
৫. প্রফেসর ড. আসিফ নজরুল: অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৬. ড. তুহিন মালিক: আইনজীবী,  সুপ্রিম কোর্ট
৭. ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ: সাবেক সাংসদ
৮. ব্যারিস্টার সারা হোসেন: আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী

[আইনসভায় আইনপ্রণয়নের জন্য আইনজীবীরাই বেশি উপযুক্ত।]


নাগরিক ওলামা শক্তি 
আহ্বায়ক
১. আল্লামা আহমেদ শফি: হেফাজতে ইসলামের আমীর
২. হাফেজ মুহাম্মদ জুনায়েদ বাবুনগরী: হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব
৩. আল্লামা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ: ইসলাহুল মুসলিমিন বাংলাদেশের সভাপতি ও ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের খতিব
৪. ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: বিশ্ববিদ্যালয়য়ের সহযোগী অধ্যাপক


নিম্ললিখিত ফোরামগুলো অ্যাডভাইসারি কাউন্সিলের (Advisory Council) মাধ্যমে দলের সাথে যুক্ত হবে:

নাগরিক অর্থনীতি ফোরাম
আহ্বায়ক
১. ড. আকবর আলি খান: অর্থনীতিবিদ, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা
২. অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা
৩. অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. আবুল বারাকাত: মুক্তিযোদ্ধা; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান; জনতা ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান; বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি।
৪. প্রফেসর মামুনুর রশিদ: ভাইস প্রেসিডেন্ট, BD Ventures Limited; প্রাক্তন ডিরেক্টার, BRAC Business School; প্রাক্তন সিইও, সিটি ব্যাংক লিমিটেড
৫. প্রফেসর ড. এম এম আকাশ: প্রফেসর, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৬. প্রফেসর আনু মুহাম্মদ: অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়


নাগরিক ফরেইন পলিসি অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল রিলেশান্স ফোরাম
আহ্বায়ক
১. প্রফেসর এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী: বাংলাদেশের ১৩তম রাষ্ট্রপতি; সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী; প্রফেসর অফ মেডিসিন


নাগরিক বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও শিক্ষা ফোরাম
আহ্বায়ক
১. প্রফেসর ড. সিদ্দিক-ই- রাব্বানী: ফাউন্ডিং চেয়ারপার্সন, ডিপার্টমেন্ট অফ বায়োমেডিকাল ফিজিক্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলাদেশ একাডেমী অফ সায়েন্স কর্তৃক গোল্ড মেডেল প্রাপ্ত বিজ্ঞানী
২. প্রফেসর ড. মুহম্মদ ইব্রাহীম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়য়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক; "বিজ্ঞান সাময়িকী"র প্রতিষ্ঠাতা; এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টার, Center for Mass Education in Science (CMES)
৩. প্রফেসর ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল: লেখক; বিভাগীয় প্রধান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি
৪. প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ: অধ্যাপক, বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; ফেলো, বাংলাদেশ একাডেমী অফ সায়েন্সেস; বাংলাদেশে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা এবং গণিত অলিম্পিয়াড সূচনার পথিকৃৎ
৫. ড. মাহবুব মজুমদার: সহযোগী অধ্যাপক, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলাদেশ গণিত দলের কোচ
৬. ব্রাদার জেমস পেরেইরা: সেন্ট জোসেফ হাইয়ার সেকেন্ডারি স্কুলের প্রাক্তন প্রিন্সিপাল


নাগরিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ফোরাম 
আহ্বায়ক
১. প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ: অধ্যাপক, বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; ফেলো, বাংলাদেশ একাডেমী অফ সায়েন্সেস; বাংলাদেশে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা এবং গণিত অলিম্পিয়াড সূচনার পথিকৃৎ
২. জনাব এটিএম জাকারিয়া স্বপন: ফাউন্ডার ও সিইও: Priyo.com; টেক এন্ট্রেপ্রেনার; যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ইঞ্জিনিয়ার।
৩. ড. রাগিব হাসান: Assistant Professor, Department of Computer and Information Sciences, University of Alabama at Birmingham; প্রতিষ্ঠাতা, শিক্ষক.কম
৪. জনাব তামিম শাহরিয়ার সুবিন: ম্যানেজিং ডিরেক্টার, মুক্তসফট (Muktosoft) লিমিটেড; সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার
৫. জনাব হাসিন হায়দার: ফাউন্ডার, Leevio; সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার
৬. জনাব শাহরিয়ার রউফ নাফি: সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, Google; বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়য়ের প্রাক্তন শিক্ষক; আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড ২০০৫ এ অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ গণিত দলের সদস্য
৭. জনাব মাহবুবুল হাসান শান্ত: বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়য়ের প্রাক্তন শিক্ষক; আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড ২০০৫ এ অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ গণিত দলের সদস্য
৮. জনাব তাহমিদ-উল-ইসলাম রাফি: সিইও, দ্বিমিক কম্পিউটিং স্কুল; সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার; আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড ২০০৫ এ অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ গণিত দলের সদস্য


নাগরিক জাতীয় সম্পদ রক্ষা ফোরাম
আহ্বায়ক
১. প্রকৌশলী শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ: তেল-গাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক
২. প্রফেসর আনু মুহাম্মদ: অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়; তেল-গাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব


নাগরিক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ফোরাম 
আহ্বায়ক
১. অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. আবুল বারাকাত: মুক্তিযোদ্ধা; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান; জনতা ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান; বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি
২. প্রফেসর ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল: লেখক; বিভাগীয় প্রধান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি
৩. জনাব জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় (সন্তু) লারমা: পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সভাপতি


নাগরিক নারী অধিকার ফোরাম 
আহ্বায়ক
ব্যারিস্টার সারা হোসেন: আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী


নাগরিক শিল্প, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ফোরাম 
আহ্বায়ক
১. অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সাইয়িদ: চেয়ারম্যান, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র; লেখক; টিভি ব্যক্তিত্ব; রামন মাগগসে পুরস্কার, একুশে পদক এবং বাংলা একাডেমী পুরস্কার প্রাপ্ত
২. জনাব হানিফ সংকেত: টিভি, মিডিয়া ও সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব
৩. জনাব আইয়ুব বাচ্চু: সঙ্গীতজ্ঞ; গায়ক; ব্যান্ড দল LRBর প্রধান  
৪. জনাব আফজাল হোসেন: বিশিষ্ট অভিনেতা
৫. জনাব মাহমুদুজ্জামান বাবু: গায়ক ও সংস্কৃতিকর্মী
৬. জনাব বাপ্পা মজুমদার: সঙ্গীতজ্ঞ ও গায়ক


নাগরিক শক্তির জেলা ভিত্তিক অঙ্গ সংগঠন

চট্টগ্রাম জেলা নাগরিক শক্তি
আহ্বায়ক
অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা


নারায়ণগঞ্জ জেলা নাগরিক শক্তি 
আহ্বায়ক
জনাব রফিউর রাব্বি: সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব; সংগঠক; সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক


মুন্সিগঞ্জ জেলা নাগরিক শক্তি
আহ্বায়ক
জনাব মাহী বি. চৌধুরী: মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সাংসদ


গাজীপুর জেলা নাগরিক শক্তি
আহ্বায়ক
জনাব তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ: গাজীপুর-৪ আসনের সাবেক সাংসদ; সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী


ভোলা জেলা নাগরিক শক্তি
আহ্বায়ক
ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ: ভোলা-১ আসনের সাবেক সাংসদ


নাগরিক শক্তির প্রতীক হবে "বই"।

মূলমন্ত্র হবে "জ্ঞানের আলোয় উন্নত বাংলাদেশ"।

মূলনীতি

1. সবকিছুর উপর জাতীয় স্বার্থ

2. মুক্তিযুদ্ধের চেতনা

3. জাতি ধর্ম বর্ণ শ্রেণী পেশা 
নারী পুরুষ নির্বিশেষে সবার একতা, সবার স্বার্থ সংরক্ষণ; সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্নে সবাই ঐক্যবদ্ধ

4. গণতন্ত্রমনা – দলের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে জনগণের মতামত, আশা আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হবে, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে


5. সকল অন্যায়, অপকর্ম, অত্যাচার, দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান

আজকের উপলব্ধিতে বাংলাদেশ (৬/৮/১৪)

1.নাগরিক শক্তি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট প্রদত্ত ভোটের ৮০% এর বেশি ভোট নিয়ে এবং বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে প্রথমবারের মত এককভাবে ৩০০ আসনের সবকটিতে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসবে।

অপরদিকে, ৩০০ আসনের সবকটিতে বিএনপি প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে (৮ ভাগের ১ ভাগ বা ১২.৫% এর চেয়ে কম ভোট পাওয়ায়)।


2.আমাদের দেশের প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলো ক্রমান্বয়ে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।

জনবিছিন্ন হতে হতে বিএনপি'র মত এককালের বড় দল শক্তিহীন হয়ে ধীরে ধীরে অস্তিত্ব সংকটের দিকে যাবে।

আওয়ামী লীগ সম্পূর্ণ একতরফাভাবে ৫ জানুয়ারিতে "তামাশার" একটি নির্বাচন করে ফেলেছে (যেখানে ৩০০ টির মধ্যে ১৫৪ টি নির্বাচনী এলাকায় কোন নির্বাচন হয়নি) অথচ বিএনপি এখনও জনগণকে নিয়ে অহিংস কিন্তু শক্তিশালী কোন আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেনি।
জনগণ সঙ্গত কারণেই ভাবে - জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, জেল-জুলুম সহ্য করে বিএনপির আন্দোলনে যে নামবো - বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে নতুন কি দেবে?  

বিএনপি'র হিসেব ছিল, আলেম ওলামা সমাজ এবং মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গদের অধিকাংশ ভোট বিএনপি'র পক্ষে পড়বে।
কিন্তু আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আলেম ওলামা সমাজ এবং মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গদের প্রতিটি ভোট (৩৫ লক্ষাধিক ভোট) নাগরিক শক্তির প্রার্থীর পক্ষে পড়বে।
(বিএনপি প্রচার করে, তারা ইসলামী চেতনাসম্পন্ন। তবে চরম দুর্নীতি - অন্যায় - সন্ত্রাস এ নিমজ্জিত থেকে কিভাবে ইসলামী চেতনা ধারণ করা যায় - তা আমাদের জানা নেই!)

বিএনপি দাবি করে তাদের জোটটি "২০ দলীয়"।
কিন্তু বিশ্লেষণ করলে আমরা দেখি, এই দলগুলোর মাঝে আছে "সাম্যবাদী দল (একাংশ)" - যেটি কয়েকজন প্রতারক ব্যক্তির সমষ্টি (সাম্যবাদী দলের সাথে তাদের কোনকালে কোন সম্পর্ক ছিল না) এবং নির্বাচন কমিশনে তাদের বৈধ নিবন্ধন নেই।
বিএনপি জোটে যারা গেছে তারা সাম্যবাদী দলের কেউ নয় ------------দিলীপ বড়ুয়া

বিএনপি জোটের বাকি ১৮টি দলের কয়টি এখনও বিএনপি'র সাথে আছে আর কয়টি নতুন একটি দলে একীভূত হওয়ার অপেক্ষায় আছে - তার হিসেব বিএনপি শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে নেই!
এই ১৮ "দল"এর মাঝেও নির্বাচন কমিশনে বৈধ নিবন্ধনবিহীন দল রয়েছে।        

সবচেয়ে বড় কথা - সারা দেশের মানুষ জনকল্যাণমূলক নতুন রাজনীতির স্বপ্নে বিভোর।
দেশের মানুষের কাছে বিএনপির দুর্নীতি - সন্ত্রাসের রাজনীতির যে আর অ্যাপিল নেই, সারা দেশে বিএনপি যে সাংগঠনিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছে
- কিছুদিন পর পর সংবাদ সম্মেলন ডাকার মাঝে নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখা ঢাকায় অবস্থানরত বিএনপি'র গুটিকয়েক নেতা - তা আঁচও করতে পারেননি
(আলেম ওলামা সমাজ এবং মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গরা যে বিএনপি থেকে সরে এসেছেন - এটাও যেভাবে তারা ঢাকায় বসে সংবাদ সম্মেলন করার ফাঁকে আঁচও করতে পারেননি!)।  

আগামী কয়েক মাসে বিএনপি'র অত্যন্ত দুর্বল ও ক্ষীণ হয়ে ওঠা পরিষ্কার হয়ে উঠবে এবং দলটির জন্য অস্তিত্ব রক্ষা করাই চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।


3.চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে দিতে পারে।

আমাদের দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য গার্মেন্টস মূলত চট্টগ্রাম বন্দর দিয়েই বাইরের দেশগুলোতে রপ্তানি হয়।
বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে একটি জাহাজ turnaround হতে গড়ে আড়াই দিন সময় লাগে। তুলনামূলকভাবে, সিঙ্গাপুর বন্দরে সময় লাগে গড়ে ১২ ঘন্টা।
আমরা যদি চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ turnaround সময় কমিয়ে আনতে পারি তাহলে আমদানি - রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে।
একটা ব্যাপার মনে রাখতে হবে, আমাদের আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য কিন্তু দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
McKinsey ধারণা করছে, বাংলাদেশের আগামী ১০ বছরে গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানি দ্বিগুণ করার সুযোগ রয়েছে। আমরা মনে করি, আগামী ৫ বছর বা তারও আগে গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানি দ্বিগুণ হবে।
এই রপ্তানি কিন্তু চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করেই হবে।
এই রপ্তানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে চট্টগ্রাম বন্দরের কনেটাইনার হান্ডলিং কাপাসিটি বাড়ানো এবং জাহাজ turnaround সময় কমিয়ে আনা। এই লক্ষ্যে আধুনিক যন্ত্রপাতি এবং Management চট্টগ্রাম বন্দরে
introduce করা হবে।

চট্টগ্রাম বন্দরের আন্তর্জাতিক গুরুত্ব অনেক বেশি।
নেপাল আর ভুটানের পণ্য আমদানি রপ্তানির জন্য নিজস্ব কোন নদী বা সমুদ্র বন্দর নেই।
চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন করলে নেপাল, ভুটান পণ্য আমদানি রপ্তানির জন্য চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করবে।
আবার ভারত তার উত্তরপূর্ব প্রদেশগুলোর সাথে পণ্য আদান প্রদান করতে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করতে চাইবে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হল - চট্টগ্রাম বন্দর একটি নদী বন্দর। কাজেই দীর্ঘ পণ্যবাহী জাহাজ (৬১৭ ফিট এর চেয়ে দীর্ঘ) চট্টগ্রাম বন্দরে প্রবেশ করতে পারে না।
কাজেই আমাদের রপ্তানি বাণিজ্য পণ্য প্রথমে সিঙ্গাপুর, শ্রীলংকা এবং মালয়েশিয়ার ৪টি বন্দরে পৌঁছানো হয় এবং সেসব বন্দর থেকে দীর্ঘ পণ্যবাহী জাহাজের মাধ্যমে বাইরের দেশগুলোতে যায়।

দীর্ঘ পণ্যবাহী জাহাজ প্রবেশের সুযোগ দিতে আমাদের একটি গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ করতে হবে। সোনাদিয়ায় একটি গভীর সমুদ্র বন্দর গড়ে তোলার পরিকল্পনা আছে।

এক্ষেত্রে আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী মায়ানমারের নির্মাণাধীন Sittwe Port। ভারত নিজেদের সুবিধার্থে এই "গভীর সমুদ্র বন্দর" নির্মাণে মায়ানমারকে সহায়তা করছে।

আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত efficient গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ করতে পারলে চায়না, ভারতসহ বিভিন্ন দেশ সেই বন্দর ব্যবহার করবে। আর এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করবে।

টেকনিক্যাল কাজগুলোতে বিদেশী এক্সপারটাইসের উপর নির্ভরতার ট্রেন্ডটিতে পরিবর্তন আনা হবে।
আমাদের গভীর সমুদ্র বন্দর আমরা নিজেরা নির্মাণ করবো।
এই লক্ষ্যে আমি দেশে ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবো।

এই মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ হবে দ্রুত নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল চালু। শুধুমাত্র সিধান্ত নিতে দেরি হওয়ায় নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল চালু আটকে রয়েছে।


4.তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিলিয়ন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন

দেশে সফটওয়্যার ডেভেলাপমেন্ট এখনও মূলত ওয়েব ডেভেলাপমেন্ট, মোবাইল অ্যাপস ডেভেলাপমেন্ট এবং ছোট আকারের ERP (Enterprise Resource Planning) সফটওয়্যারের মাঝে সীমিত।
আমাদের ভালো কাজের মাঝে Pageflakes আছে।

একটা ব্যাপার আমাদের দেশের ডেভেলাপারদের জানতে হবে আর তা হল এখন Open Source Tools, Cloud Computing ব্যবহার করে উন্নত মানের সফটওয়্যার সহজেই ডেভেলাপ করা যায়।
আর উন্নত মানের সফটওয়্যার ডেভেলাপ করে মিলিয়ন ডলারের Market ধরা সম্ভব।

ভারতের কোম্পানিগুলো কিন্তু Hadoop, MongoDB, অন্যান্য NoSQL Database ইত্যাদি Open Source Tools ব্যবহার করে এবং Amazon Web Service এর মত Cloud Computing Infrastructure ব্যবহার করে
Big Data স্পেইসে কাজ করছে।

Hadoop, HBase, MongoDB, অন্যান্য NoSQL Database ইত্যাদি Open Source Tools ব্যবহার করে এবং Amazon Web Service, Microsoft Cloud এর মত
Cloud Computing Infrastructure ব্যবহার করে আমাদের ছেলেরাও Big Data অ্যাপ্লিকেশান দাঁড় করাতে পারে।

আমাদের ছেলেদের মাঝে Open Source Library / Framework ব্যবহার করে Software Development এর culture ছড়িয়ে দিতে হবে।
শুধু CakePHP, jQuery দিয়ে Web Development না, সাথে Cassandra, Hadoop, Pig ব্যবহার করে Distributed Application ডেভেলাপ করাও জানতে হবে।
   

Open Source Tools, Cloud Computing ব্যবহার করে সফটওয়্যার ডেভেলাপমেন্ট স্কিলস কিভাবে গড়ে তোলা যায়?

দেশে বিভিন্ন Open Source Framework / Library, Cloud Computing Infrastructure এসবের users' group গড়ে তুলতে হবে।
সবাই মিলে ডিসকাস করে, প্রজেক্টে কাজ করে শিখবে।
কিছুদিন আগে অনুষ্ঠিত Pycon Dhaka এর  মত অন্যান্য Software Development Tools এর উপর নিয়মিত কনফারেন্স আয়োজন করতে হবে।

University তে 1st year এ Basic Programming, 2nd-3rd year এ Programming Contest, 4th year এ বিভিন্ন Open Source Tools ব্যবহার করে সফটওয়্যার ডেভেলাপমেন্ট - এর উপর জোর দেওয়া যায়।  
Coursera, Udacity, MITx, EdX থেকে সবাই সেরা University গুলোর Course বাসায় বসে নিতে পারে। ইন্টারনেট সংযোগ খরচ কমিয়ে আনতে হবে।


আমাদের দেশে মূলত Outsourcing কাজগুলো হয় - বাইরের customer দের product আমরা ডেভেলাপ করে দেই।
আমাদের নিজস্ব প্রোডাক্ট ডেভেলাপমেন্ট এর দিকে যাওয়ার সময় এসেছে।

নিজেদের startup company গড়ে জন্য তোলার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
প্রথমে দরকার ডেভেলাপারদের মাঝে skills গুলো ডেভেলাপ করা।
Software Development শেখার পাশাপাশি International Market এ কি কি ধরণের Software product তৈরি হচ্ছে - সবসময় নজরে রাখতে হবে। readwrite.com, techcrunch.com বা
আমাদের tech.priyo.com থেকে নিয়মিত ঘুরে আসা কি খুব কঠিন?
Venture Capital Firm, Start-up incubator, Hackathon ইত্যাদি introduce করতে হবে।
Entrepreneurial culture গড়ে তুলতে হবে।

বর্তমান সময়টাই Entrepreneurial culture বিকাশের সময়।
সত্যি বলতে, ১০-১৫ বছর আগেও যে অ্যাপ্লিকেশান Government বা বড় কোম্পানি - বিশাল লোকবল ছাড়া develop করা সম্ভব ছিল না, বর্তমানে কিন্তু ছোট একটা startup ওরকম অ্যাপ্লিকেশান develop করতে পারে।
Open Source Tools আর Cloud Computing এর মাধ্যমে startup দাঁড় করানো এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে, খরচ অনেকাংশে কমে গেছে।
যেমন - একটা Cluster (অনেকগুলো connected computer) এ run করবে - এমন computation intensive কোন processing এর code লেখা অনেক কঠিন। কিন্তু Hadoop ব্যবহার করে খুব সহজেই কাজটা আমরা
করতে পারি।
আবার অনেকগুলো কম্পিউটারের Cluster নিজেদের কিনে run করাতে হবে না, সামান্য খরচে Amazon Web Service এ সেই কোড Mapreduce Job হিসেবে run করানো যাবে।

Mark Zuckerberg যদি বন্ধুদের নিয়ে বর্তমানে ১০০ বিলিয়ন ডলার valuation এর Facebook প্রতিষ্ঠা করতে পারে - আমাদের ছেলেদের একটা startup কেন পারবে না?


বিলিয়ন ডলার আইটি ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তুলতে আমাদের BPO (Business Process Outsourcing), ITO (Information Technology Outsourcing) এর উপর জোর দিতে হবে।
এক্ষেত্রে Expertise, skillsগড়ে তুলতে হবে। সাথে প্রয়োজন হবে বাংলাদেশকে Outsourcung destination হিসেবে International Marketing.

Egypt কিন্তু BPO (Business Process Outsourcing), ITO (Information Technology Outsourcing) তে এই কাজটাই করেছে -
Skills development,
Institution গড়ে তোলা আর
International Marketing.

আমাদের BBA গ্রাজুয়েটদের নিয়ে দেশে Business Process Outsourcing (BPO) industry গড়ে তোলার যায়।

তথ্যপ্রযুক্তিতে স্বল্প মেয়াদী পরিকল্পনা ফ্রিলান্সিং কে ঘিরে করা উচিত।
ফ্রিলান্সিং এর বিভিন্ন স্কিলস, ইংরেজিতে দক্ষতা শেখানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠান (ব্যক্তিগত উদ্যোগেও হতে পারে) গড়ে তোলা, কম্পিউটার-ইন্টারনেট সংযোগের জন্য ঋণসুবিধা দেওয়া জরুরী।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফ্রিলান্সিং করে ঘরে বসে যথেষ্ট অর্থ উপার্জন করা যায় - এ ব্যাপারে সারা দেশে সচেতনতা সৃষ্টি।
লক্ষ টাকা ব্যয় করে মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে একজন বাংলাদেশী যে পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারে, ঘরে বসে ফ্রিলান্সিং করে একজন শিক্ষিত তরুণ তার চেয়ে বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারে।  
"ঘরে বসে বড়লোক" - এমন দৃষ্টান্ত আরও আরও দেখতে চাই।

সবাই মিলে একসাথে কাজ করলে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন - খুব দ্রুতই সম্ভব।



5.বাজেটে অর্থ বরাদ্দ এবং মন্ত্রণালয় - সচিবালয়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন

আমাদের বাজেটে বিভিন্ন মন্ত্রানলয়ে বরাদ্দের কতটুকু উন্নয়নে ব্যয় হয় আর কতটুকু দুর্নীতি - লুটপাট হয় - তা নিয়ে গবেষণা হওয়া উচিত।
আমাদের সরকারগুলোর পরিকল্পনায় ভিশন নেই, বাস্তবায়নে আন্তরিকতা বা দক্ষতা কোনটাই নেই।
কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও সচিবালয় সম্মিলিতভাবে এক একটা ভিশন বাস্তবায়নে আন্তরিকতা এবং দক্ষতার সাথে কাজ করবে, অগ্রগতির উপর নির্দিষ্ট সময় অন্তর পর্যালোচনা হবে, দেশের বিশেষজ্ঞদের কাজে লাগানো হবে - এমন কিছু দেখা যায় না।

মাঝে মাঝে বিপুল অর্থ ব্যয়ে দুই একদিনের জন্য বিদেশী বিশেষজ্ঞ আনা হয় এবং ওটুকুতেই সার। তার মতামত কতটুকু কাজে লাগানো হয় - তা নিয়েও সন্দেহের অবকাশ আছে।
কয়েক বছর আগে (২০১১) পত্রিকায় চোখে পড়েছিল মার্কেটিং গুরু ফিলিপ কটলারকে দেশে আনা হয়েছে। তিনি বাংলাদেশকে ফোকাস নির্ধারণ করে নিজস্ব কয়েকটি ব্র্যান্ড গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
এই পরামর্শ মত দেশে আদৌ কোন কাজ হয়েছে কি? না হলে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়ে বিদেশী বিশেষজ্ঞ আনা কি শুধুই ভোটের রাজনীতিতে লোক দেখানো ব্যাপার?

একবার পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপর একটা রিপোর্টে দেখি - বাজেটের বরাদ্দকৃত অর্থে মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা বিদেশে ট্যুর করেন। এসব ভ্রমণে দেশের ট্যুরিজমের প্রচার কতটুকু হয় - তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ আছে।
বাংলাদেশকে টুরিস্ট ডেস্টিনেশান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার কোন ভিশন আছে বলেও মনে হয়নি - বাস্তবায়ন তো দূরের কথা।

বিভিন্ন খাতে যে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয় - ব্যাপক দুর্নীতি এবং চরম অদক্ষতার পর - সত্যিকারের উন্নয়ন কতটুকু হয় - তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করার যথেষ্ট কারণ আছে।

আমাদের আরেকটা সমস্যা সরকারগুলোর কাজের অধারাবাহিকতা।
নির্বাচনে জয়ী হয়ে অপর দল ক্ষমতায় এলে পূর্ববর্তী সরকারের পরিকল্পনাগুলোর অনেকগুলোই বাতিল হয়ে যায়। ফলে শেষ পর্যন্ত কিছুই হয় না।  

অর্থ বছরের শুরুতে বাজেটে যে বরাদ্দ দেওয়া হয় - তা মেনে চলতে হবে - আমাদের দেশে এমন কিছু নেই।
সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে হঠাৎ সিধান্ত নেওয়া হয় - "অমুক" পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। তখন বিভিন্ন মন্ত্রানলয় থেকে বরাদ্দকৃত অর্থ খরচ করে "অমুক" পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়!
আমাদের দেশে সবগুলো মন্ত্রণালয়ের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকলে - এই ধরণের গোঁজামিল - সমস্যা তৈরি করত।
উদাহরণ থেকে ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করি।
ধরা যাক, বাজেটে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে মোট বরাদ্দের ১০ ভাগ আর কৃষিতে ৫ ভাগ।
হঠাৎ বছরের মাঝখানে সরকার ঠিক করলো কৃষিতে "ক" পরিকল্পনা বাস্তবায়নে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে বরাদ্দের ২ ভাগ কৃষিতে আনা হবে।
আমাদের দেশে দেখা যায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সেই ২ ভাগ বরাদ্দের জন্য "বাস্তবায়ন করতেই হবে" এমন কোন পরিকল্পনা - বছরের শুরুতে করে রাখেনি।
যদি রাখত - তাহলে বছরের  মাঝখানে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বাজেটের অর্থ স্থানান্তর মেনে নিত না।    
   

নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে বাজেটে অর্থ বরাদ্দ, মন্ত্রণালয় ও সচিবালয়গুলোর কাজের মাঝে সমন্বয় সাধন করবে।
বাজেট ঘোষণার আগে অর্থ মন্ত্রণালয় সবগুলো মন্ত্রণালয়ের কাছে ভিশন, পরিকল্পনা এবং অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাবনা দিতে আহ্বান করবেন।
প্রত্যেক মন্ত্রণালয় সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ (এবং যদি কোন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একাধিক সচিবালয়ের কাজের সমন্বয়ের প্রয়োজন পড়ে তবে সচিবালয়ের একাধিক বিভাগ) এবং দেশের Expertsদের সাথে নিয়ে
দেশের উন্নয়নে ভিশন, পরিকল্পনা এবং প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ প্রস্তুত করবেন।
তারপর অর্থ মন্ত্রণালয় বাজেট ঘোষণা করবেন।
এরপর মন্ত্রণালয়গুলো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে বছরব্যাপী পরিকল্পনা হাতে নেবেন এবং পরিকল্পনার একটি copy প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জমা দেবেন।
পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অগ্রগতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নির্দিষ্ট সময় অন্তর মনিটারিং করা হবে।  


6.ক্রীড়ায় বাংলাদেশ

ক্যাপ্টেইন ফ্যান্টাস্টিক মুশফিকুর রহিমকে নতুন জীবন শুরুর আগাম শুভেচ্ছা!


7.অন্যায় অপরাধমুক্ত সিলেট জেলা গড়ে তোলায় অগ্রগতি

আগ্নেয়াস্ত্র-মাদক উদ্ধারে ১২ ঘণ্টার বিশেষ অভিযান

"দু চারটি ছিনতাই ছাড়া রমজানে ও ঈদ বাজারে বড় ধরণের কোন অপরাধ সংঘটিত হয়নি। এক প্রকার সংযমী ছিল মাদক ব্যবসায়ীরাও।
মাদক ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করবে সিলেট মহানগর পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হবে দাগি ও পরোয়ানাভুক্ত ২ হাজার ২শ' আসামীকে।"


8."মাদকমুক্ত বাংলাদেশ" গড়ার পথে অগ্রগতি

বাংলাদেশ মাদকমুক্ত হওয়ার পথে।
বাংলাদেশের নাগরিকদের দেশ নিয়ে গর্ব করার মত অর্জনের ভান্ডারে আরেকটা অর্জন কিছুদিন পর যোগ হবে।
বাংলাদেশ হবে পৃথিবীর প্রথম অবৈধ মাদকমুক্ত দেশ।


9."অবৈধ অস্ত্রমুক্ত বাংলাদেশ" গড়ার পথে অগ্রগতি

বাংলাদেশের কোন নাগরিকের কাছে অবৈধ অস্ত্র - মেনে নেওয়া হবে না।
দেশের প্রত্যেকটি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হবে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে কাজ করছেন।

গাংনীতে ২টি হাতবোমা উদ্ধার


10.নালিতাবাড়িতে বিজিবি - বিএসএফ এর মধ্যে পতাকা বৈঠক (banglanews24.com)


11.কৃষিতে নবজাগরণ

ধান গবেষণায় কোরিয়া-বাংলাদেশ সহযোগিতার নতুন দিগন্ত


12.ভেজাল খাদ্য ও ওষুধ এবং ফরমালিন্মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলায় অগ্রগতি

জয়পুরহাটে ২ লক্ষাধিক টাকার নকল ওষুধ জব্দ


13.বাংলাদেশ এখন আন্তর্জাতিকভাবে দৃঢ় অবস্থান তৈরি করার লক্ষ্যে কাজ করবে।

গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের মাধ্যমে নেপাল, ভুটান এবং ভারতের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হয়ে ওঠা,
সমুদ্রে তেল ও গ্যাস আবিষ্কার,
পলিটিকাল স্টাবিলিটি, দক্ষ কর্মশক্তি এবং প্রয়োজনীয় Infrastructure নিশ্চিত করার মাধ্যমে বিদেশী বিনিয়োগ,
নতুন নতুন শিল্প স্থাপন,
আইসিটি, জাহাজ নির্মাণ এ অগ্রগতির পাশাপাশি Construction, Medical Device, Automobile, Biotech এবং অন্যান্য প্রকৌশল ও প্রযুক্তি শিল্প গড়ে তোলা,
নতুন নতুন Market কে লক্ষ্য করে নতুন Product আনা এবং রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি,  

- এসবের মাধ্যমে বাংলাদেশ হয়ে উঠবে দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার  Regional Powerhouse.


14.নারী অগ্রগতি, ক্ষমতায়নের মাধ্যমে সামাজিক অগ্রগতি

বাংলাদেশের নারীদের বেশ কিছু পরিসংখ্যান অনন্য।  
গ্রামীণ ব্যাংকের ৮৫ লক্ষাধিক গ্রাহকের মাঝে ৯৭% নারী। এই নারীরা ক্ষুদ্রঋণ গ্রহণ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।
নারীর ক্ষমতায়নে গ্রামীণ, ব্র্যাকসহ এনজিওগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশের সরকার জানে সরকারের একার পক্ষে দারিদ্র্য দূরীকরণ সম্ভব নয়। তাই আমাদের সরকার স্বাধীনতার পর থেকেই এনজিওগুলোর বিকাশের সুযোগ করে দিয়েছে। 
গত দশকে দেশের শিল্প ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ঘটনা গার্মেন্টস শিল্পের বিকাশ। গার্মেন্টস কর্মীর সংখ্যা প্রায় ৪০ লক্ষ, যার ৮৫% এর উপর নারী।   

শুধু কি দারিদ্র্য দূরীকরণে নারীদের অংশগ্রহণ? 

শিক্ষা ক্ষেত্রে চিত্রটা আমরা দেখি। 
আমাদের দেশের মেডিক্যাল কলেজগুলোতে প্রায় ৫৫-৬০% ছাত্রী (৪০-৪৫% ছাত্র)।
মেয়েদের জন্য ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা এবং ছাত্রীদের জন্য বৃত্তি - নারী শিক্ষার প্রসারে ভূমিকা রেখেছে। 

আমাদের রাজনীতি নিয়ে যতই অভিযোগ থাকুক, একটা ব্যাপারে আমাদের রাজনীতি পৃথিবীতে অনন্য - আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধী দলীয় নেত্রী দুইজনই নারী। 
দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি স্থান দুইজন নারীর দখলে - এটা নিশ্চয় আমাদের দেশের নারীদের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে। 

নারী অগ্রগতি, ক্ষমতায়নের মাধ্যমে আমাদের দেশে (অনেকের অলক্ষ্যেই) সামাজিক অগ্রগতি ঘটেছে। 
আমরা কি জানি, সামাজিক নানা সূচকে (যেমন শিশু মৃত্যুহার, গড় আয়ু, নারী শিক্ষা, শিশু পুষ্টি, শিশুদের টিকা - ভ্যাক্সিন দেওয়ার হার, ইত্যাদিতে) আমরা প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গিয়েছি?  

"নারী অগ্রগতি, ক্ষমতায়নের মাধ্যমে সামাজিক অগ্রগতি" - কিভাবে?

শিক্ষিত - স্বাবলম্বী নারীরা ছেলেমেয়ে নেন কম (শিশুর জন্মের সময় কয়েকমাস ছুটি নেওয়া ইত্যাদি কারণে)। ছেলেমেয়ে কম নিলে তাদের প্রত্যেকের সর্বোচ্চ যত্ন নেওয়া সম্ভব হয়। 
আবার, পরিবারে মায়েদের ভূমিকা বেশি থাকলে মেয়ে শিশুরা ছেলে শিশুদের সমান অধিকার, যত্ন, শিক্ষার সুযোগ পায়।   
শিক্ষিত - স্বাবলম্বী নারীরা শিশুদের যত্ন নেন বেশি। টিকা - ভ্যাক্সিন দেওয়া ইত্যাদি নিশ্চিত হয়। শিশুদের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এসব ব্যাপার পরিসংখ্যানে শিশু মৃত্যু হার কমিয়ে আনে; শিশু পুষ্টি (স্বাস্থ্যবান শিশু) ইত্যাদি সূচকেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।   


আমাদের দেশে সামাজিক ক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতায়নের ভূমিকা দেখে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন বলেছেন, যে দুটি দেশ থেকে ভারত সবচেয়ে বেশি শিখতে পারে তাদের একটি হল চায়না, অপরটি হল বাংলাদেশ।  

রেফরেন্স
নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সামাজিক অগ্রগতি: প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ (March 6, 2014)


15.নাগরিক শক্তি আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সবাইকে সাথে নিয়ে দেশের এক একটি সমস্যা সমাধান করবে। 

এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে একটি সামাজিক যোগাযোগ সাইট ডেভেলাপ করা হবে। 
দেশের নাগরিকরা দেশের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরবেন। যারা সমস্যাটি সম্পর্কে অবহিত তারা সমস্যাটি আরও বিস্তারিত করে তুলে ধরবেন।
আবার কেউ চিহ্নিত করবেন - এক ক্ষেত্র যেখানে অনেক উন্নতির সুযোগ রয়েছে।  
অন্যরা সমস্যাটির বিভিন্ন সমাধান suggest করবেন। 
তারপর সবাই মিলে সমস্যা সমাধানে একটা কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে। সাথে টাইমলাইন থাকবে - এই সময়ের মাঝে এতটুকু করা হবে। 
সবাই যে যার অবস্থান থেকে সমস্যাটি সমাধানে ভূমিকা রাখবেন। 
আর এভাবে এক একটি সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে, এক একটি ক্ষেত্রে উন্নতির মাধ্যমে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। 

[
আজকে সারা দেশে ফরমালিন আর ভেজাল খাদ্য আর ওষুধ বিরোধী যে অভিযান চলছে - তার শুরুটা কিভাবে?

ফেইসবুকে ফরমালিন সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে "Stop poisoning us" নামে একটি গ্রুপ করা হয়। 
গ্রুপটি ঢাকায় মানববন্ধন করে।
আমরা ব্যাপারটি সম্পর্কে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এবং দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেটদের সৃষ্টি আকর্ষণ করি। 
চ্যানেল আইতে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন এবং একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়ে কৃষি ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ "তৃতীয় মাত্রা"য় একটি বিশেষ পর্ব করেন। 
দেশের কয়েকটি এলাকায় প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং ম্যাজিস্ট্রেটরা ভেজাল খাদ্য এবং ফরমালিন বিরোধী অভিযান পরিচালনা শুরু করেন।  
ডিএমপি (ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশ) কমিশনার বেনজীর আহমেদ ঢাকাকে ফরমালিন মুক্ত করতে ঢাকায় বিশেষ অভিযান শুরু করেন।    
ঢাকার ভেতরে এবং বাইরে - দেশের বিভিন্ন স্থানে ফরমালিন এবং ভেজাল খাদ্য বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়।
দেশের বিভিন্ন স্থানে সচেতন জনগণ ফরমালিন এবং খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টিতে মানববন্ধন করে।  

এই অভিযান এখনো চলছে। 
ফলমূলে ফরমালিনের পাশাপাশি ভেজাল খাদ্য, ফরমালিনযুক্ত মাছ এবং সবচেয়ে ভয়ানক - ভেজাল ওষুধের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।    

কিছুদিন আগে সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর নীলফামারির একটি বাজারকে "ফরমালিনমুক্ত" হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। বাংলাদেশের আরও অনেক বাজার আজকে "ফরমালিন্মুক্ত"।  

ফরমালিন কিন্তু মোটেই ছোট কোন ব্যাপার না - দেশের মানুষের গড় আয়ু অনেকখানি কমিয়ে দিতে, ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে এর ভূমিকা রয়েছে।  
বাংলাদেশ কিছুদিন পর ফরমালিন মুক্ত হবে। তখন মানুষ পিছে ফিরে তাকালে - উপরের গল্পটি বলবে।
]

কেন্দ্রীয়ভাবে পরিকল্পনা করা হলে - দেশের সমস্যা সমাধানে এবং উন্নয়নে - এই ধরণের কর্মপরিকল্পনা আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব।    

সবাই মিলে কাজ করলে কি না হয়?



মানব উন্নয়ন সূচক বা Human Development Index এ একটি দেশে একজন শিশু 
১. গড়ে কত বছর বাঁচবে
২. গড়ে কত বছর স্কুলে পড়াশোনা করবে এবং
৩. গড়ে কি পরিমাণ রোজগার করবে 
- এই ৩টি বিষয়কে বিবেচনায় নেওয়া হয়। 

মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪২ তম। ভারত ও পাকিস্থানের অবস্থান যথাক্রমে ১৩৫ ও ১৪৬ তম অবস্থানে। 
নারী পুরুধ সমতা উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৭ তম। ভারতের অবস্থান ১৩২ ও পাকিস্থানের অবস্থান ১৪৫ তম স্থানে।  


২০১৩ সালের ডিসেম্বর থেকে অন্যায় - অপরাধ - দুর্নীতি - মাদক - ফরমালিন এর বিরুদ্ধে আমরা কাজ শুরু করি। অবদান রাখা শুরু করি অর্থনীতি - শিল্প - বাণিজ্য প্রসারে।
২০১৫ সালের Human Development Index বা মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান অনেক উপরে থাকবে এবং অবশ্যই ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে।  

গড় আয়ু বা গড়ে কত বছর স্কুলে পড়াশোনা করবে - এই দুটো সূচকে রাতারাতি উন্নতি করা সম্ভব না। 
সহজভাবে বলতে গেলে, আগামী ১ বছরে বাংলাদেশে কোন ব্যক্তি মারা না গেলেও গড় আয়ু মাত্র ১ বছর বাড়বে! এই সূচকে উন্নতি করার উপায় শিশু মৃত্যুহার কমিয়ে আনা।   
স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা খাতে উন্নয়ন কর্মসূচী নিলে কয়েক বছর পর হিসেব করলে গড় আয়ু এবং স্কুলে পড়াশোনার সময় বাড়বে।
তবে আনন্দের ব্যাপার - গড় আয়ু এবং স্কুলে পড়াশোনা - এই দুটোতে দক্ষিণ এশিয়ায় আমরা বেশ এগিয়ে।
Human Development Index এর তৃতীয় ফ্যাক্টর - মাথাপিছু আয়ে দ্রুত উন্নতি সম্ভব।   

নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে নিজেদের মানদণ্ডে নিজেদের সাফল্য, অপরের ব্যর্থতা প্রচার করবে না। বরং Human Development Index এর মত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড-ই নাগরিক শক্তির সাফল্য ব্যর্থতা নিরূপণ করবে।

17.বাংলাদেশের মানুষ গভীর উৎসাহে দেশ গঠনে সমাজ সংস্কারে অংশ নিচ্ছে। 
কেউ নিজেকে যুক্ত করছেন মাদক বিরোধী আন্দোলনে, 
কেউ ফরমালিন বিরোধী, কেউ নারী অধিকার রক্ষায়, নারীরা একত্রিত হচ্ছেন বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে,
কেউ নিজেকে যুক্ত করছেন গণজাগরণ মঞ্চের সাথে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্নযাত্রায়। 
আর সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে গড়ে উঠছে দুর্নীতিমুক্ত মাদকমুক্ত সন্ত্রাসমুক্ত 
সব রকম অন্যায় অবিচার অনিয়ম মুক্ত সমৃদ্ধ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উন্নত স্বপ্নের বাংলাদেশ। 


নাগরিক শক্তির প্রত্যেক সমর্থককে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের সদস্যপদ গ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে। 

আত্নপ্রকাশ ঘোষণার "কয়েকদিন" এর মাঝে নাগরিক শক্তির Registered (নিবন্ধিত) সদস্য সংখ্যা ১ কোটি (10  Million) ছাড়াবে। 

নাগরিক শক্তি এবং বাংলাদেশ নিয়ে আমার লেখাগুলো বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ পড়েছেন। 

নাগরিক শক্তির Registered (নিবন্ধিত) সদস্য সংখ্যার বিভিন্ন মাইলস্টোন জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।  
১ লক্ষ Registered official সদস্য ...! 
১০ লক্ষ Registered official সদস্য ... !!
৫০ লক্ষ Registered (নিবন্ধিত) সদস্য ...!!!!
১ কোটি Registered (নিবন্ধিত) সদস্য ... !!!!!!!!!
- এভাবে!


18.ফাইনান্সিয়াল সিস্টেমে সংস্কার:  

দেশের পুরো ফাইনান্সিয়াল সিস্টেমকে ঢেলে সাজানো হবে। 

ফাইনান্সিয়াল সিস্টেম (Financial System) বলতে কিছু শর্তের ভিত্তিতে এবং নিয়মকানুন মেনে অর্থ (Money) এক পক্ষ থেকে অপর পক্ষে হস্তান্তর করে এমন সব সিস্টেম। 
ফাইনান্সিয়াল সিস্টেমের মাঝে রয়েছে ব্যাংক, ক্ষুদ্রঋণ (Micro-credit) প্রতিষ্ঠান,  স্টক মার্কেট, 
ভেঞ্চার ক্যাপিটাল শিল্প, ইন্টারন্যাশনাল এক্সচেঞ্জ (ফরেইন রেমিটেন্স ম্যানেজমেন্ট), ইনস্যুরেন্স।   
শেয়ার মার্কেটে সংস্কার: 

এক শেয়ার বাজারেই ২০১১ সালে ৪০ বিলিয়ন ডলারের ($40 Billion+) উপর অর্থ বা প্রায় ৩ লক্ষ কোটি টাকার উপর অর্থ কারসাজির মাধ্যমে সরানো হয়েছে।
শেয়ার বাজারেই ২০১১ সালের scam এর পুরোটা ছিল পূর্ব পরিকল্পিত। 
প্রথমে সবাইকে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগে লাভের লোভ দেখিয়ে বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করা হয়। (ঠিক যেভাবে এমএলএম কোম্পানিগুলো লাভের লোভ দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।)
লক্ষ লক্ষ যুবক, বিভিন্ন পেশার মানুষ লাভের আশায় শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করেন। অনেকেই বিনিয়োগ করতে গ্রামে নিজেদের সহায় সম্পত্তি বিক্রি করেন। 
তারপর কারসাজি করে লক্ষ কোটি টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়। 
প্রায় ৩২ লক্ষাধিক বিনিয়োগকারী সর্বস্ব হারিয়ে ফেলেন। 

৩২ লক্ষাধিক বিনিয়োগকারী 
এবং 
৪০ বিলিয়ন ডলারের ($40 Billion+) উপর অর্থ বা প্রায় ৩ লক্ষ কোটি টাকার উপর অর্থ
দুটো অনেক বড় সংখ্যা। 

আমরা বিদেশে পাচার করা কালো টাকা ফিরিয়ে আনবো। 

নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে স্টক মার্কেটে কোম্পানির মূল্যমান নির্ধারণ করার প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ এবং মানসম্পন্ন করবে। (আমাদের দেশে কিছু কোম্পানির বাস্তবে অস্তিত্ব নেই, কিন্তু শেয়ার মার্কেটে শেয়ার বিক্রি করে।)

ব্যাংকিং সেক্টরে সংস্কার: 

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে স্বচ্ছতা আনতে আমরা কাজ শুরু করেছি। 

দেশের রাস্ট্রায়ত ব্যাংকগুলো চরম অব্যবস্থাপনা এবং সীমাহীন দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। 
রাজনীতিবিদরা এবং রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহারকারীরা দেশের রাস্ট্রায়ত ব্যাংকগুলো থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট-দুর্নীতি-ঋণ খেলাপি করেছেন। 

দেশের ব্যাংকিং সেক্টরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে। 

রাস্ট্রায়ত ব্যাংকগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, দুর্নীতিবাজদের বিচারের মুখোমুখি করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
- সোলায়মান খান সাত দিনের রিমান্ডে (samakal.net)
"১৪০ কোটি টাকা আত্নসাতের গুরুতর অভিযোগে মামলা হয়েছে।"

State-owned banks in Bangladesh: From cancer to pimple [The Economist, April 19th, 2004; Print edition]
বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রস্তাব: 
- ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ: অর্থনীতিবিদ; সাবেক গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক 
- খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদঃ ব্যাংকার; সাবেক ডেপুটি গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক 

নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে রাস্ট্রায়ত ব্যাংকগুলোকে প্রাইভেটাইজেশনের (privatization) প্রক্রিয়া শুরু করবে। 


হুন্ডির মাধ্যমে প্রবাসীদের অর্থ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান: 
হুন্ডির মাধ্যমে প্রবাসীদের অর্থ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আমরা কাজ শুরু করেছি। পুরোপুরি কার্যকর করতে পারলে ফরেইন রেমিটেন্স (Foreign Remittance) প্রায় দ্বিগুণ করা সম্ভব।
হুন্ডি ব্যবসায়ীরা মাদকসহ নানা অপকর্মে তাদের অর্থ ব্যবহার করেন। 

হরতালের বিপক্ষে দৃঢ় অবস্থান: 
দেশে আমরা কোন রাজনৈতিক দলকে জোর করে হরতাল পালন করতে দেবো না।



ফরেইন রেমিটেন্স এবং কালো টাকা - বিলিয়ন ডলার দেশে ফিরে আসবে। 

ব্যবসার পথে আমলাতান্ত্রিক জটিলতাগুলো দূর করবো। 

দেশের ব্যাংকগুলোতে যদি বিলিয়ন ডলার থাকে আর ব্যবসা করার প্রক্রিয়া যদি সহজ হয়, তাহলে দেশে বাণিজ্য এবং শিল্পের একটা নবজাগরণ ঘটবে। 


সবকিছু পরিকল্পনামত এগুলে বাংলাদেশ শুধু "দুর্নীতিমুক্ত", "মাদকমুক্ত", "ফরমালিনমুক্ত" এবং "সন্ত্রাসমুক্ত"ই হবে না, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে। 


বাংলাদেশে হরতাল - জ্বালাও - পোড়াও এর সংস্কৃতি বন্ধ হয়েছে।
একদিনের হরতালে দেশে ২ হাজার কোটি টাকার উপর ক্ষতি হয়। 
এভাবে হিসেব করলে ২-৩দিনের হরতালে দেশের জিডিপি থেকে ১ বিলিয়ন ডলার হারিয়ে যায়।
হরতাল সংস্কৃতি বন্ধের ফলে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে জিডিপিতে ঊর্ধ্বগতি আমরা দেখবো। 

২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ১০% ছাড়িয়ে যাবে।  
সহজভাবে বলতে গেলে ব্যাপারটা হল, আগের ১ বছরে দেশে মোট যে পরিমাণ পণ্য ও সেবা উৎপাদিত হয়েছে, আগামী ১ বছরে তার চেয়ে ১০% এর বেশি পণ্য ও সেবা উৎপাদন।
ধরি, বাংলাদেশের বর্তমান জিডিপি আনুমানিক ১৫০ বিলিয়ন ডলার। তাহলে, ১০% প্রবৃদ্ধির জন্য ২০১৪-১৫ অর্থবছরে জিডিপি ১৬৫ বিলিয়ন ডলার (১৫ বিলিয়ন ডলার বেশি) হতে হবে।  

১৫ বিলিয়ন ডলারের উপর জিডিপি প্রবৃদ্ধি কিন্তু খুবই সম্ভব। 

আগের অর্থবছরের মত দিনের পর দিন হরতাল নেই। পোশাক শিল্পে রপ্তানি অনেকখানি বাড়বে। ব্যবসা ভালো চলবে। 
অন্যায় - অপরাধ - মাদকের প্রকোপ নেই। জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে আগের মত অনিশ্চয়তা নেই। 
দুর্নীতি অনেকখানি নিয়ন্ত্রণে। 
স্থানীয় সরকারগুলো তাদের দায়িত্ব পালন করবে। 
ব্যবসা - উদ্যোগের পথে সমস্যাগুলো দূর করা হবে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা (যেমন নিবন্ধন ইত্যাদি) দূর করা হবে। 
হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাঠানো বন্ধ হলে ফরেইন রেমিটেন্স অনেকখানি বাড়বে - বেশ কয়েক বিলিয়ন ডলার। 
নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে স্টক মার্কেটে কোম্পানির মূল্যমান নির্ধারণ করার প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ এবং মানসম্পন্ন করবে। (আমাদের দেশে কিছু কোম্পানির বাস্তবে অস্তিত্ব নেই, কিন্তু শেয়ার মার্কেটে শেয়ার বিক্রি করে।)
ব্যাংক, স্টক মার্কেট এ শৃঙ্খলা আসলে শিল্প মালিক এবং উদ্যোক্তাদের নতুন ব্যবসা শুরু করতে অর্থের যোগান পেতে সমস্যা হবে না।
আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ হবে - বাইরে পাচার হওয়া কালো টাকা ফিরিয়ে আনা। আমরা পাচার হওয়া অনেক বিলিয়ন ডলার ফিরিয়ে এনে প্রকৃত মালিক জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেবো।  


সবাই দায়িত্ব ভাগ করে নিলে ১০% এর অধিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যটা সহজ হয়ে যায়। 
গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির এক্সপোর্ট গত ১ বছরে ২০ বিলিয়ন ডলার হলে, আগামী ১ বছরে ২২ বিলিয়ন ডলার এক্সপোর্ট করতে হবে।    
আবার, কোন মাঝারি আকারের ব্যবসা গত ১ বছরে ১০ লক্ষ টাকার পণ্য ও সেবা উৎপাদন করলে, আগামী ১ বছরে ১১ লক্ষ টাকার পণ্য ও সেবা উৎপাদন করতে হবে। 
এভাবে আমরা যে যেখানেই আছি না কেন, প্রত্যেকে যদি পণ্য বা সেবায় নিজের contribution আগের ১ বছরের তুলনায় ১০% বাড়াতে পারি তবে আমরা ১০% জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারবো। 

বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিকের লক্ষ্য হোক আগের বছরের তুলনায় ১০% বেশি উন্নতি। 
[ছাত্রছাত্রীরাও এই প্রক্রিয়ার সাথে নিজেদের যুক্ত করতে পারে। কোন ছাত্র বা ছাত্রী আগের ১ বছর প্রতিদিন গড়ে ৬ ঘন্টা পড়াশোনা করলে আগামী ১ বছর প্রতিদিন গড়ে ৬ ঘন্টা ৩৬ মিনিট পড়াশোনা করতে হবে এবং প্রত্যেক বিষয়ে ১০% বেশি নাম্বার পেতে হবে। পারবে না?]  

উল্লেখ্য, গত ১০ বছরে নিয়মিতভাবে আমরা আগের বছরের তুলনায় ৬ - ৬.৭% জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি। 
অন্যভাবে বলতে গেলে, গত ১০ বছরে - প্রতিবছর আগের বছরের তুলনায় দেশে উৎপাদিত মোট পণ্য ও সেবার পরিমাণ ৬ - ৬.৭% বৃদ্ধি পেয়েছে।


সবকিছু পরিকল্পনামত এগুলে আমরা খুব দ্রুত মাথাপিছু আয়ের দিক দিয়ে প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা আর ভিয়েতনামকে ছাড়িয়ে যাব! 
বাংলাদেশ কয়েক বছরের মাঝে Emerging Economyগুলোর মাঝে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল এবং শক্তিশালী হিসেবে আবির্ভূত হবে।   


স্বপ্নের বাংলাদেশের দিকে আমাদের দৃষ্টি নিবদ্ধিত।

রেফরেন্স: 
নাগরিক শক্তির অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনার রূপরেখা


19.আমি মার্কিন যুক্তরাস্ট্রে বাংলাদেশী পণ্যের অবাধ বাজার সুবিধা (জিএসপি) নিশ্চিত করবো। এ লক্ষ্যে যা করা দরকার - শ্রমিকদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা, কূটনৈতিক উদ্যোগ - নেবো।


20.আমরা বাংলাদেশ থেকে অন্যায় অপরাধ দূর করতে কাজ করছি। দেশের মানুষের নিরাপত্তা অনেকখানি বেড়েছে। দুর্নীতি দূর করার লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি।

বাংলাদেশ থেকে সমস্ত অন্যায় - অপরাধ দূর করা হবে। 

সারা পৃথিবীতে প্রথম মাদকমুক্ত দেশ হবে বাংলাদেশ। (অ্যাই, কি যে ভালো লাগছে না! পৃথিবীর একটা দেশ পুরোপুরিভাবে মাদকমুক্ত! ঐ দেশটাতে কোন মাদক নেই! কোন দেশ জানো? তোমার আমার বাংলাদেশ!)  

কিছুদিনের মাঝে খাদ্যে ভেজাল বা ফরমালিন অতীতের একটা ব্যাপারে পরিণত হবে। ("জানো, দেশের ফলমূলে একসময় ফরমালিন দেওয়া হত!")

কয়েক বছর আগে পৃথিবীর শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্থ দেশ বাংলাদেশ হবে সম্পূর্ণভাবে দুর্নীতিমুক্ত।

কিছুদিন পর বাংলাদেশের কোন নাগরিকের কাছে অবৈধ অস্ত্র বলে কিছু থাকবে না। এই লক্ষ্যেও কাজ দৃঢ় পদক্ষেপে এগুচ্ছে।   

উপরের লক্ষ্যগুলো অর্জনের পর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমাদের মেধাবী মানুষদের প্রয়োজন হবে। 
দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে এবং নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে বিদেশে কর্মরত দক্ষ বিজ্ঞানী ইঞ্জিনিয়ার চিকিৎসক এক্সপার্টদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। 
আমরা তাদের ফান্ডিং, ইনভেস্টমেন্ট নিশ্চিত করবো। আর তারা দেশে নতুন নতুন Industry প্রতিষ্ঠা করবেন। বিশ্বমানের University গড়ে তুলবেন।   

গড়ে উঠবে স্বপ্নের আধুনিক উন্নত বাংলাদেশ।


21.নাগরিক শক্তির যে কোন সদস্য দলের মেম্বার থেকে ধীরে ধীরে নিজ যোগ্যতায় শীর্ষপদে যেতে পারবেন এবং জনগণের মান্ডেট নিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কিংবা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারবেন।  

ভারতে এক সময়কার চা বিক্রেতা মাত্র কিছুদিন আগে দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। 
বাংলাদেশেও ভবিষ্যতের কোন এক সময় অনুরূপ কাহিনী রচিত হবে।

দলের প্রতিটি পর্যায়ে গণতন্ত্রের চর্চা থাকবে, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।  
নির্দিষ্ট সময় অন্তর দলের প্রতিটি পদের জন্য দলের অভ্যন্তরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং নির্বাচনে জয়ী হয়ে নেতারা ধীরে ধীরে দলে উপরের দিকে উঠে আসবেন।
পারিবারিকভাবে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব দখল করে রাখার সংস্কৃতির অবসান ঘটবে।   

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাবেক সাংসদ তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ, মাহী বি. চৌধুরী, ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থদের মত আদর্শবান তরুণ নেতারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। 

আমরা আদর্শবান দক্ষ যোগ্য তরুণ নেতাদের দেখতে চাই। 

সম্ভবনাময় তরুণ নেতাদের প্রজেক্টারে প্রেসেন্টেশানের সুযোগ দেওয়া হবে। ইন্টারভিউ নেওয়া হবে। সময় নিয়ে লিডারশীপ স্কিলস গ্রো করা হবে। নাগরিক সমাজের সম্মানিত ব্যক্তিরা এবং প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদরা তত্ত্বাবধানে থাকবেন। 

তবে নির্বাচনের আগে তৃণমূল থেকে নাম প্রস্তাব হতে হবে। জনপ্রিয়তা গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করে দেখা হবে।


22.দেশে আমরা আর Pirated Software ব্যবহার করবো না - ওগুলো illegal.

আমরা ব্যবহার করবো Open Source Software এবং Web Apps - যেগুলো বিনামূল্যে পাওয়া যায়।

আমরা Pirated Microsoft Office ব্যবহার করবো না, তার পরিবর্তে ব্যবহার করবো Google Apps (Google Docs ইত্যাদি) বা Open Office.

আমরা Pirated Windows Operating System ব্যবহার থেকেও সরে আসবো। আজকেই বন্ধুদের নিয়ে Linux Operating System install করে ফেলুন। কয়জনই বা Linux ব্যবহার করে! হয়ে উঠুন সবার চেয়ে আলাদা!
এখন তো প্রায় কাজই Web এ , Cloud এ করে নেওয়া যায় - Operating System - Windows কি Linux - তাতে খুব বেশি কিছু আসে যায় না - Browser Chrome হলেই হল!


23.স্বাক্ষরতার হার ১০০% এ উন্নীত করতে বাধ্যতামূলক Adult Education প্রচলন করা হবে।
দেশের প্রতিটি মানুষ লিখতে (Writing), পড়তে (Reading), প্রাথমিক অংকের হিসেব করতে (Basic Arithmetic) এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার (Basic Computer skills) করতে পারবে। 


24.Entrepreneurship (উদ্যোক্তা) Development
১.উদ্যোক্তাদের ব্যবসা সংক্রান্ত সব তথ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে ওয়েবসাইট 
২.উদ্যোক্তাদের কমিউনিটি গড়ে তোলা; পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে শেখা এবং সম্মিলিতভাবে নতুন উদ্যোগ নেয়া;  
৩.দেশে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল শিল্প গড়ে তোলা 
৪.ব্যবসার ক্ষেত্রে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন; দ্রুততম সময়ে উদ্যোক্তারা যাতে ব্যবসা শুরু করতে পারেন সে লক্ষ্যে সমস্ত বাঁধাগুলো দূর করা;  
৫.ব্যাংক ঋণ শর্ত সহজীকরণ; রাস্ট্রায়ত ব্যাঙ্কগুলোকে প্রাইভেটাইজেশনের উদ্যোগ নেওয়া 
৬. তথ্যপ্রযুক্তিতে Entrepreneurship উৎসাহিত করতে Incubator প্রতিষ্ঠান, Hackathon প্রতিযোগিতা ইত্যাদি আধুনিক নানা উদ্যোগ চালু করা 



"ভারত ২০০৬ সালেই হাতিয়াভাঙ্গার মুখের ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণের খাড়িতে ১০০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে, যেটি বাংলাদেশ-ভারতের বিরোধপূর্ণ এলাকা। একটি একক কেন্দ্রে এটি ভারতের সর্বোচ্চ মজুদ।
এই অঞ্চলে ভারতের দখল নিশ্চিত হওয়ায় সে দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ভারতের স্বস্তির কথা জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশের দক্ষিণ তালপট্টি এই এলাকাতেই অবস্থিত।" 

বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ১০ ট্রিলিয়ন ঘনফুটের কিছু বেশি গ্যাসের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অন্যদিকে, সমগ্র ভারতে ৫০ ট্রিলিয়ন ঘনফুটের কিছু বেশি গ্যাসের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

দক্ষিণ তালপট্টিতে ১০০ ট্রিলিয়ন ঘনফুটের বেশি গ্যাসের মজুদ থাকতে পারে।

দক্ষিণ তালপট্টি উপর বাংলাদেশের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সম্ভাব্য সবরকম উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বাংলাদেশে আমাদের তেল এবং গ্যাস সম্পদ আমরা নিজেরা আহরণ করতে পারলে দেশের অর্থনীতির চেহারা দ্রুত পাল্টে যাবে

Monday, August 4, 2014

Notes On Intelligence And Data Computing (1)

Big Data 2.0

  • More of Big Data 1.0: increase in efficiency of processes, etc.

  • Big Data from sensors, Internet Of Things.

  • Connecting data from different sources (weather, traffic) and finding correlations.

  • Data turns into knowledge: no more data, rather knowledge in context. Imagine: Newton 's law of motion: F = ma and table representing values of force and respective change in velocity. F = ma is knowledge, the table is data.

  • Biggest change: Big Data 1.0 has been about finding correlations: you feed data and the computer discovers patterns that are nothing more than mathematical / logical relations between variables; no "theories" - that explain why they hold true. Big Data 2.0 would be more like science. Big Data 2.0 will focus on constructing theories of why the relations hold true. (Consider, A/B testing: you try to figure out which of the two your customers like more without any understanding of why they do so. Big Data 2.0 is going to change that.)

  • Once you have theories, you can build on those theories, just like scientific theories are build upon one another.

  • Consider what happens when you connect theories built with data from different sources. You have theory / model that relates "traffic" with "weather conditions, day of the week etc". You have another theory that makes weather forecasts based on models. If you connect the two theories / models, you can predict traffic. Up until now it has been like: weather => traffic, weather history => weather forecasts. In the age of Big Data 2.0, it's going to be like: weather history => weather forecasts => traffic. The world becomes more predictable.

  • When you have general theories of complex systems, you feed data and wait for the computer to tell you interesting things from data.

  • Finding patterns in a uniform data source is not going to help you build theories. You have got to connect different data sources.

  • Big Data 2.0 will be more like: finding correlations and then explaining the correlations logically (this is why it holds true) and then experimenting more to find out whether the hypothesis was correct. And in this way coming up with theories. Theories which would later be used by others to build upon.

  • Big Data 2.0 would form the foundations for "new kinds of sciences": Complex Systems, Biosciences, molecular and nano sciences, Social and Political Sciences, business and management, Culture, Education, Brain Sciences, Atmospheric and Earth Sciences.

  • But never underestimate the role that Big Data 1.0 has played. Previously, all our data were siloed in data storage devices with no way to query or make sense of all the data. Big Data 1.0 and tools like Hadoop have provided us with ways to make sense of all the data.

  • But up until now it has been just correlations inside a data source and no relation outside a particular data source and no relation among data sources. It's all going to change with the advent of Big Data 2.0.

Sunday, August 3, 2014

Personal Notes On Prizes, Honors Young Scientists Can Aim For [Unofficial]

Physics

  • Nobel prize
  • The Fundamental Physics Prize
Biology, Physiology & Medicine
  • Nobel Prize
  • Breakthrough Prize In Life Sciences
Chemistry
  • Nobel Prize
Economics
  • Nobel Prize
  • John Bates Clark Medal
Computer Science
  • Turing Award
  • Computers And Thought Award
  • International Programming Competitions
Technology
  • Technology Review 35 Young Technologists Under 35
  • Queen Elizabeth Prize For Engineering
Mathematics
  • Fields Medal
  • Breakthrough Prize In Mathematics
  • The Abel Prize
Others
  • MacArthur Genius Grant

Personal Notes On US Healthcare (1)

Inside Hospitals and Clinics

  • The need for transparency. Financial incentives for doctors and hospitals go against interests of patients. Transparency of hospitals and doctors. Introduction of common standards (of diagnosis, etc.) for Physicians all over the country. Investigation into medical malpractice. Doctors know, but keep secrets. Quality measurement [1].
  • The need for an agency that looks into what goes on inside Hospitals, has insiders (doctors know secrets about malpractice, etc.), ensures transparency, measures quality from a doctor or medical scientist's point of view, introduces standards (diagnosis, procedures, surgeries).
  • Only way to get dependable recommendation: ask a healthcare professional (they are insiders).
  • Only Doctors with low complication rates dare to submit their results to journals [1]. And hence many of the complications are not found in journals from which doctors can learn.
Social factors

Healthcare Systems abroad: comparisons


References

Latest From Science, Technology And Medicine [08.03.14]

Saturday, August 2, 2014

Personal Notes On Politics (2)

An ideal and at the same time practical President

  • Ideal: "A narrative - a compelling story of a new economic vision for the world (not just a collection of pilot objects and siloed programs, none of which connects with the other)."
  • Practical: A President working more closely with members of the Congress, irrespective of their party affiliations or political ideologies, to get laws passed (that's the only way a President can get laws passed and turn his visions into reality).

Latest From Science, Technology And Medicine [08.02.2014]

Personal Notes On Translational Medicine & Bioengineering (1) [Unofficial]

New directions for research in biology
  • RNA
  • Epigenetics
  • Transcription factors
  • Microbiome

Friday, August 1, 2014

Personal Notes On Blogpost Topics [Unofficial]


  • Why money was invented. Money as a medium of exchange. Economists study how people make choices faced with alternatives.
  • How Feynman invented the concepts of parallel programming and "mapreduce paradigm" before there were computers.
  • How cars work.
  • Gamification: applying game mechanics to life, business, human resource management, education.
  • What Concrete Mathematics is about
  • How science works. How scientific theories are build upon one another. Observation experimentation. Concepts, abstractions. Derivation. Induction.
  • The parallels between biological evolution and the evolution of language.
  • Quantum Electrodynamics: inventing new laws by inventing new perspective from which to look at.
  • How peculiarities worked as blessings for geniuses. Einstein, Nikola Tesla, Edison. (Done)
  • How the price of a product or service is determined. What makes a … $…?
  • Metaprogramming in Java, Common Lisp, Clojure, Ruby, C.
  • The internals of Hadoop and Mapreduce.
  • Extremist views. Misinterpretation of wars fought by Prophet Muhammad. Collateral damage prohibition. Suicide prohibitions in Islam. Misinterpretation - same legal statement in court - different interpretations.
  • Evolution of the science of brain. Broca. Freud. Behavioral Psychology - Skinner. Cognitive Psychology - Chomsky, Computer. Imaging Devices, Biology, - Neuroscience.

Personal Notes On Education And Platforms (2) [Unofficial]

  • "Anything is easy if you can assimilate it to your collection of models." - Seymour Papert. Gradual accumulation of models, the earlier ones serving to assimilate the later ones. Models - a mental representation of "how it works" or "how the domain works". The clearer and more complete your models are, the better you will be able to operate in that domain.
  • How can computers help people learn new models?